“বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি আধুনিক বাস্তবতার একটা নতুন সংজ্ঞা লিখে চলেছে শুধুমাত্র আমাদের প্রতিদিনের অস্তিত্বের বাহ্য পরিবর্তনগুলো দিয়ে নয় বরং আমরা নতুন করে কি ভাবব বা চিন্তা করব তার মধ্যে দিয়েও। নৌচনি ফ্যান্টাস্টিকা বা বিজ্ঞানভিত্তিক ফ্যান্টাসি এই ক্ষেত্রে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের চিন্তার মধ্যেই কি প্রথম সেই নতুন সূত্র[...] [আরো পড়ুন]

অসামান্য প্রচ্ছদ এঁকে সংখ্যাটাকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তুলেছেন শ্রীমতী রুমেলা দাস।

রেড
কনুই আর বুকে ভর দিয়ে হ্যাচের দিকে এগোয় রয়।
ঠাণ্ডা কংক্রিটের এই শ্যাফটের ভেতরের হাওয়া কত শতাব্দীর, তা কে জানে। কিন্তু ওসব ভাবার সময় ও’র কাছে ছিল না।
“সিস্টেম অনলাইন”, রিনরিনে গলাটা ও’র কানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, “ওভারলোড
মাথা
(ঘনাদা-ভক্তদের কাছে করজোড়ে মার্জনা ভিক্ষান্তে)
-"মূর্খ! সব মূর্খ! গ্যাস ধরাতে না শিখে, গেছো বিরিয়ানি রান্না করতে? কলে পড়া ইঁদুর মারতে শিখে, ভাবছ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মোকাবিলা করবে?  অ-আ-ক-খ না পড়ে গেছ চর্যাচর্য
চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ
ল্যাবাইঙ্কার হ্রদের দানো
হেরে গেলেন ডারউইন
শান্ত গ্রহ - য়ুরি গ্লাজকভ
একটা খুব সুন্দর এবং সমৃদ্ধ গ্রহ। সম্ভবত মহাবিশ্বের সবচেয়ে সেরা গ্রহ। সবুজ রঙের পাহাড় সারির তলায় জমে আছে ধাতুর এক মহা ভান্ডার। এ গ্রহের শিরায় উপশিরায় বয়ে যাওয়া কালো তরল একে যোগাচ্ছে অপরিমেয় শক্তি।
মঙ্গলগ্রহী- আলেকজান্ডার কাজানসেভ
জিওর্জি সিদভের ফ্রন্টডেকের কেবিনে আলোচনা তখন প্রায় থিতিয়ে এসেছে। আসলে, কেউই সে রাতে ‘মার্সিয়ান ক্যাটাস্ট্রফি’ নিয়ে বিশেষ কথা বলতে চাইছিল না। জাহাজী নাবিক ও মাল্লারা, আর্কটিকের অভিযাত্রী
মঙ্গলের রাণী থেকে কিন্-জা-জা' র পথে (সোভিয়েত সাই-ফি সিনেমার সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত)
১৯২৪ সাল। মাত্র দুবছর আগে রক্তস্নাত গৃহযুদ্ধের শেষে এক বিরাট ভৌগোলিক পরিসরে তৈরী হয়েছে নতুন ধরনের সমাজ রাজনীতির পরীক্ষাগার: মানুষের সরকার
আপদ - ভ্যালেন্টিনা জুরাভ্লিয়োভা
তিন বছর আগে আমি প্রথম দেখেছিলাম ছোট্টখাট্টো মেয়েটাকে। রোগা হাত পা, ফ্যাকাশে গাল আর বড় বড় নীল চোখ নিয়ে একটা ভীতু ইঁদুরের মত জড়সড় হয়ে বসে ছিল সে। শুধু কোন পছন্দের লেখককে দেখলেই লজ্জায় রাঙা

অভিবাদন-আলেকজান্দ্র কুপ্রিন

তুন কল্পান্তের দ্বিতীয় শতক শেষ হবে আর খানিক বাদেই, মাত্র পনেরো মিনিট বাকি। পনেরো মিনিট পরেই, মাস দিন ঘন্টা মিলিয়ে পৃথিবীতে উদযাপিত হতে চলেছে জার্মানির আত্মসমর্পণের সেই বিশেষ দিনটি। এই দিনেই জাতীয়তাবাদ আঁকড়ে থাকা শেষ রক্ষণশীল দেশটি, তার উগ্র দেশীয় সত্তা বিসর্জন দিয়ে যোগ দিয়েছিল স্বাধীন নৈরাজ্যবাদী সমিতিতে। খ্রীষ্টীয় ক্যালেন্ডারের হিসেবে সময়্টা ২৯০৬ সালের শেষের দিক।

[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

একটি অ-সাধারণ ঘটনা – গেন্নাদি গোর

‘তুমি কে?’ জিজ্ঞেস করলাম।  

     বিষাদলাগা কন্ঠে ধীরে ধীরে জবাবটা এলো। ‘আসলেই কি জানি আমি কে? এটুকু বলতে পারছি যে আমি তোমারই মতো স্বাধীন ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন। কিন্তু এখনো নিশ্চিত জানি না আমি কে। হয়ত খুব তাড়াতাড়ি জানতে পারব। তুমি কে?’

     ‘আমি জ্যাক পিটারস। তোমার স্রষ্টা।’

     ‘কে? ঈশ্বর?’

     ‘তুমি ঈশ্বরের নাম জানলে কোত্থেকে? ঈশ্বর বলে কিছু নেই। তাছাড়া, আমি[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

অদৃশ্য আলো – আলেক্সান্দর বেলিয়ায়েভ

“দেখুন, স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে যে ভিরোভাল কত বড় চিকিৎসক।”

     “অবশ্যই, একজন সম্পূর্ন অন্ধ মানুষও যখন তা দেখতে পান, তখন তিনি বড় চিকিৎসক তো বটেই।”

     “আপনি কীভাবে জানলেন যে আমি একেবারে অন্ধ?” পাশে বসা অপরিচিতর দিকে ফেরেন রোগীটি।

     “আরে, আপনার পরিষ্কার নীল চোখ দু’টো আমায় বোকা বানাতে পারবে না। একটা পুতুলের মতই আপনারগুলোও নিষ্প্রাণ।” অপরিচিত হেসে সেই সাথে আরও বলেন[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

একটি উপন্যাসের প্লট – ইলিয়া ভারশাভস্কি

মি খুব খুশি ছিলাম সেদিন। আমার মত এক লম্বা অসুস্থতা যে কাটিয়ে উঠবে সে আমার মানসিক অবস্থা পুরোপুরি বুঝতে পারবে। আমাকে যে আর প্রতিবন্ধী ভাতায় থাকতে হচ্ছে না, আমার অসুস্থতাজনিত ছুটি আরো লম্বা করা হয়েছে, তাতে আমি আমার অসুস্থতার আগে শুরু করা গবেষণাপত্র শেষ করার জন্য অঢেল সময় পাবো। ফলে আমি আমার স্যানেটেরিয়ামে থাকার সময়টা পুরোটাই আরাম করতে পারব, আমায়[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

মানুষ কি? – আইগর রশোকোভতস্কি

(দ্বাবিংশ শতাব্দীর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দর্শন শিক্ষাকক্ষের সংক্ষিপ্ত শর্টহ্যান্ড প্রতিবেদন)

প্রথম পাঠ

আবিষ্ট মানুষটির কথা

(তথ্যাবলীঃ সেই সময় সপ্তর্ষিমণ্ডলে একটি নতুন নক্ষত্রের আবির্ভাব হয়েছে। সারা পৃথিবী সেই সংবাদে উত্তাল। যন্ত্রের হিসাব অনুযায়ী, এটি সুপারনোভা প্রকৃতির নক্ষত্র নয়। বিকিরণের মাত্রা উল্লেখযোগ্য রকম কম, সাধারণ যন্ত্রপাতিতে[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

সভ্যতার সূচনা – রোমেন ইয়ারোভ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে টাইম মেশিনের দৌড় অন্যান্য প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার অন্তর্ভুক্ত করা হল। অনুরাগীদের দীর্ঘ নিরলস প্রয়াসে এই সাফল্য। স্বাভাবিকভাবেই তারা ভীষণ গর্বিত। তাদের গর্ব করার যথেষ্ট কারনও আছে। এমনিতেই বহুদিন আগে, প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে টাইম মেশিনের মডেল তৈরির বিজ্ঞপ্তি বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে ‘নবীনদের বিজ্ঞান চেতনা’,[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

দ্বিশতবর্ষজয়ন্তী – কির বুলিচেভ

দুশো বছরের এই এক্সপেরিমেন্টের আজ একটি গৌরবময় দিন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমনটা আর কখনো ঘটেনি। আয়োজন দেখে মাথা খারাপ হবার জোগাড়। এই পরীক্ষা যাঁরা আরম্ভ করেছিলেন আজ তাঁরা বরণীয় হয়ে থাকবেন।

     ওঁরা অবিশ্যি আজ অ্যাসেমব্লি হলের দেওয়ালে ছবি হয়ে ঝুলছেন। ডারউইন, মেন্ডেল, প্যাভলভ, সসনোরা, জ্যাকবসন, স্যাটো।

     এঁদের মধ্যে প্রথম তিনজন এই পরীক্ষার কথা কিছুই জানতেন না, আর শেষ[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

নিরুদ্দেশের উদ্দেশ্যে – আনাতলি দ্‌নেপ্রভ

মার মৃত্যুর পরে আমাকে মর্গ থেকে কিনে সোজা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল উডরপের বাড়িতে। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও ব্যাপারটা নেহাতই সাদামাটা। যেমন সাদামাটা আমার ঘটনাচক্রে মর্গে পৌঁছনোটা। নিউ ইয়র্কের একটা হোটেলের বাথরুমে আমি আমার হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করেছিলাম। হোটেলের ভাড়া বাকি না থাকলে বোধ হয় অত তাড়াতাড়ি আমার খোঁজ পড়ত না আর আমার লাশটাও অত শিগগিরি পাওয়া[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

আপদ – ভ্যালেন্টিনা জুরাভ্লিয়োভা

তিন বছর আগে আমি প্রথম দেখেছিলাম ছোট্টখাট্টো মেয়েটাকে। রোগা হাত পা, ফ্যাকাশে গাল আর বড় বড় নীল চোখ নিয়ে একটা ভীতু ইঁদুরের মত জড়সড় হয়ে বসে ছিল সে। শুধু কোন পছন্দের লেখককে দেখলেই লজ্জায় রাঙা হয়ে কাঁপা কাঁপা হাতে অটোগ্রাফের খাতা বাড়িয়ে ধরত মেয়েটা।

     এই তিন বছরে কল্পবিজ্ঞান লেখক সঙ্ঘের একটাও মিটিঙও সে বাদ দেয়নি। আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি, কেউ তাকে আমাদের সঙ্ঘের মিটিঙে[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

চিত্রক – ভ্যাচেস্লাভ রিব্যাকভ

দিগন্ত বিস্তৃত বনানী।

     ঘন অন্ধকারের স্তর স্বচ্ছ কিন্তু নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রেখেছে তার দেহকে। ঐ যেন কার চোখ, আগুনের মত ঝলসে উঠল। একটা জানোয়ার? নাকি কোনো অশরীরী? ভয়ে সে জমে গেল, চেপে রাখল শ্বাসপ্রশ্বাস।

     দুবার চিত্রক হেঁটে গেল জঙ্গল মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান দিয়ে। গাঢ় নীল শান্ত আকাশে তারারা জ্বল জ্বল করছে, এই ভয়ংকর জঙ্গল থেকে অনেক উঁচুতে। কিন্তু তারপরেই তাকে[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

শান্ত গ্রহ – য়ুরি গ্লাজকভ

কটা খুব সুন্দর এবং সমৃদ্ধ গ্রহ। সম্ভবত মহাবিশ্বের সবচেয়ে সেরা গ্রহ। সবুজ রঙের পাহাড় সারির তলায় জমে আছে ধাতুর এক মহা ভান্ডার। এ গ্রহের শিরায় উপশিরায় বয়ে যাওয়া কালো তরল একে যোগাচ্ছে অপরিমেয় শক্তি। এখানকার গাছপালাকে দেখলে বোঝা যায় আক্ষরিক অর্থে মহীরুহ কাকে বলে। এদিকে ওদিকে ছুটে বেড়ায় নানান জীবজন্তু। আকাশে উড়ে বেড়ায় কত রকমের পাখি। নদীর জলে[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

অনাহূত – এইচ পি লাভক্র্যাফট

ছোটবেলার স্মৃতি বলতেই বহুমানুষের মনে ভেসে আসে রঙিন এক ফেলে আসা দুনিয়া, তাই হয়ত মানুষ বারেবারে তার হারানো শৈশবকে ফিরে পেতে চায়। কিন্তু শৈশবের স্মৃতি যাদের জন্য বহন করে দুঃখ আর অবর্ণনীয় আতঙ্ক, তাদের কাছে শৈশবের মানেটা আমার মতই- একটু অন্যরকম। আমার ছোটবেলাটা কেটেছিল আলোআঁধারির মধ্যে বসে বসে দুষ্প্রাপ্য বই পড়ে পড়ে। কখনও বা বিদ্যুতের আলোয় হঠাৎ করেই[...] [আরো পড়ুন]

Read more →

মাথা

(ঘনাদা-ভক্তদের কাছে করজোড়ে মার্জনা ভিক্ষান্তে)

“মূর্খ! সব মূর্খ! গ্যাস ধরাতে না শিখে, গেছো বিরিয়ানি রান্না করতে? কলে পড়া ইঁদুর মারতে শিখে, ভাবছ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মোকাবিলা করবে?  অ-আ-ক-খ না পড়ে গেছ চর্যাচর্য বিনিশ্চয় করতে? গরুর গাড়ি নিয়ে সুপারসনিক জেটের সঙ্গে রেস লাগাতে চাও?”

    হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন! এ সংলাপ ৭২ নম্বর বনমালী নস্কর লেনের দোতলার আড্ডাঘর ছাড়া আর[...] [আরো পড়ুন]

রেড

নুই আর বুকে ভর দিয়ে হ্যাচের দিকে এগোয় রয়।

ঠাণ্ডা কংক্রিটের এই শ্যাফটের ভেতরের হাওয়া কত শতাব্দীর, তা কে জানে। কিন্তু ওসব ভাবার সময় ও’র কাছে ছিল না।

“সিস্টেম অনলাইন”, রিনরিনে গলাটা ও’র কানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, “ওভারলোড হলে কিন্তু বিপদ আছে”।

বিপদ!

শব্দটা এর আগেও ও’র মাথায় এসেছে, তাই না?

গত জন্মে?

না, কয়েক ঘন্টা আগে?

কম্যান্ড সেন্টারে বসে, মিশনের ব্যাপারে শুনতে গিয়ে এই কথাটাই[...] [আরো পড়ুন]

বৈপ্লবিক

৩১ খ্রীষ্টাব্দের ২২শে জুলাইয়ের কৃত্রিম কুয়াশায় ম্লান এক বিকেলে রিইউনাইটেড কম্যুনিস্ট রাশিয়ান ফেডারেশন বা RCRF এর অন্তর্গত কিরভ ওব্লাস্ট মেগাসিটির পশ্চিমপ্রান্তে একশো ছিয়ানব্বই তলার একটা মোটামুটি শস্তা রিভলভিং পাব-এ ওলগা মিকোভিচ, নাদরা কিলিচ আর দাভরন ফারুদ-এর মধ্যে দারুণ তর্ক জমে উঠেছিল। মিকোভিচ আর নাদরা জন্মসূত্রে ইউক্রেনিয়ান[...] [আরো পড়ুন]

প্ৰেত পাহাড়ের সরোবর

৯৩৬ সাল।।

     গেল যুদ্ধের আগের কথা। আমি তখন তিব্বতে। গ্যাংটক থেকে মাইল দশেক উত্তর পূবে একটা সরকারী বাংলোয় উঠেছি। ইংরেজ সরকারের জরিপের কাজে এসেছি বটে। কিন্তু আমার উদ্দেশ্য একেবারে অন্য।

     ধাতুবিদ্যায় এম-এস-সি পাশ করার পর থেকেই আমার মাথায় ঝোঁক চেপেছিল হিমালয়ের দুৰ্গম পাহাড়ে-উপত্যকায় সোনার খনি খুঁজে বের করব। সোনা না হোক, তামা, টিন বা দস্তা নিশ্চয় পাব![...] [আরো পড়ুন]

কল্পবিশ্ব রাশিয়ান সংখ্যা – কিছু ভাবনা

৬ বছর হয়ে গেল ভেঙে গেছে সোভিয়েত ইউনিয়ন। বন্ধ হয়ে গেছে প্রগতি প্রকাশন, রাদুগা প্রকাশন ও মীর প্রকাশন। মস্কো বা তাসকেন্দ থেকে আর কোনো রুশী বইয়ের বাংলা অনুবাদ ছাপা হয় না। অন্য সব সোভিয়েত গল্প, নাটক বা কবিতার বইয়ের মতোই সোভিয়েত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির বইয়ের প্রামাণ্য বাংলা অনুবাদ পড়তে পাওয়ার আশাও তাই ছাব্বিশ বাও জলের তলায়। রুশভাষাবিদ বাংলা গল্পদাদুদের[...] [আরো পড়ুন]

মঙ্গলের রাণী থেকে কিন্-জা-জা’ র পথে (সোভিয়েত সাই-ফি সিনেমার সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত)

৯২৪ সাল। মাত্র দুবছর আগে রক্তস্নাত গৃহযুদ্ধের শেষে এক বিরাট ভৌগোলিক পরিসরে তৈরী হয়েছে নতুন ধরনের সমাজ রাজনীতির পরীক্ষাগার: মানুষের সরকার – যাকে প্রথম দিন থেকেই পরীক্ষা দিতে হয়েছে কায়েমী, বাজারমুখী শক্তিদের বিরুদ্ধে যার সহায়ক ছিল বেশ কিছু বিদেশী রাষ্ট্র। শ্বেত আর লাল সোভিয়েতের ওই ধুন্ধুমার সংগ্রামমুখর সময়টাতে কিন্তু আবার অন্য এক ধরণের[...] [আরো পড়ুন]

ভ্লাদিমির মিকানোভস্কির সঙ্গে কথোপকথন

ভ্লাদিমির নউমোভিচ মিকানোভস্কি একজন রাশিয়ান-ইউক্রেনিয়ান সোভিয়েত কবি, ঔপন্যাসিক, গদ্য লেখক, চিত্রনাট্যকার এবং অনুবাদক। তিনি ১৯৩১ সালের ২রা অক্টোবর ইউক্রেনের খারকভে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালে খারকভ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা এবং অঙ্কে অনার্স নিয়ে পাস করেন। সেখানেই ১৯৬২ সাল অব্দি শিক্ষকতা করেন। ১৯৬২ সাল থেকে তিনি রাশিয়ায় বাস করতে শুরু[...] [আরো পড়ুন]

বিষকন্যে

পূর্ণ চন্দ্রের উথলে ওঠা আলোয়, ভেসে যাচ্ছে সমস্ত নগরী। রাত্রি বেশ গভীর হল। প্রজারা গভীর নিদ্রায় মগ্ন। সম্রাট অবশ্য মূল প্রাসাদে অনুপস্থিত। তাঁর অবস্থান প্রাসাদ সংলগ্ন প্রমোদ ভবন। আজ তাঁর মন বড় প্রফুল্ল। সংলগ্ন রাজ্যের সম্রাট যে দিন দিন সামরিক শক্তিতে পরাক্রমশালী হয়ে উঠছেন, এ সংবাদ তিনি চর মারফত বেশ কিছুদিন যাবৎ পাচ্ছিলেন। তাঁর কপালে চিন্তার[...] [আরো পড়ুন]

অগ্নিপথ ৬ – অগ্নিবিন্দু

|| ৬ক ||

স্থানঃ ঢাকেশ্বরী রেস্টুরেন্ট, কল্যাণী

কালঃ ২০০৭

পাত্রঃ সেই যুবক ও সেই যুবতী*

নিউক্লিয় ফিশন একটি নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া যেখানে পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের ভাঙন ঘটে এবং তা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়। এক্ষেত্রে নিউক্লিয়াস নিউট্রন এবং অপেক্ষাকৃত কম ভরবিশিষ্ট নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়। এই নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার[...] [আরো পড়ুন]

অপার্থিব মেধার সন্ধানে

ফের্মি প্যারাডক্স

পৃথিবী ছাড়া অন্য কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব আছে – এ ধারণা নিশ্চয়ই প্রাচীন – না হলে পৌরাণিক কাহিনীতে দেবতা বা রাক্ষসের আবির্ভাব হত না। স্বর্গ বা পাতাল ভিনগ্রহ বলে চিহ্নিত না হলেও মর্ত্যলোক বা আমাদের পৃথিবীতো নয়। দেবতারা কি গ্রহান্তরের মানুষ – এই সব ভাবনা নিয়ে আমার কোন মাথাব্যাথা নেই – কিন্তু যখন লাল মঙ্গল গ্রহটা দেখি মনে পড়ে[...] [আরো পড়ুন]

কমিকস

ল্যাবাইঙ্কার হ্রদের দানো

কমিকস

চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ

কমিকস

নাট বল্টু বানাল ভ্যাকুয়াম ক্লিনার – নিকোলাই নোসভ

যারা ‘আনাড়ির কাণ্ডকারখানা’ পড়েছ তারা আনাড়ির মতোই তার বন্ধু টুকুনদেরও...

কমিকস

হেরে গেলেন ডারউইন

কবিতা

ইয়ুথ খামার

বিশ্বাস কি করবি কথা? আমরা সবাই এক!সাম্যবাদের উদাহরণ এই আমাদের...

ক্যুইজ

কুইজ – ৮

১) বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস ‘রোডসাইড পিকনিক’ এর ছায়া অবলম্বনে কোন...