এখন

সম্পাদকীয়

কল্পবিশ্বের বন্ধুরা, সময়বৃত্তের পরিক্রমায় আবার এসে গেল আরেকটা শারদীয় অকাল বোধনের পালা। প্রতিবারের মতো আমাদের মাতৃভাষায় কল্প-সাহিত্যের ডালি নিয়ে আবার

কামিনী, তুমি কি মানবী?

চমকে উঠলাম। এ হাতের লেখা তো আমার অপরিচিত নয়। আমার নিজের লেখার মত একান্ত পরিচিত এর প্রতিটি অক্ষর। এতো আমার

মারকত নন্দিনী

নদীর কিনারা বরাবর খুঁটি পুঁতে তার ওপরে কাঠের তক্তা বসানো। জেটি বলতে ব্যস ওইটুকুই। তার একপাশ দিয়ে আওয়াজ করে ছুটে

মিমসিগুলো বনলে বোরোগোবে—

“আপনি দারুণ বোঝাতে পারেন স্যার,” অ্যালিস বলে উঠল, “আমায় একটু জ্যাবরওয়াকি কবিতাটার মানে বুঝিয়ে দিন না!      “আর আমার কাছে

অমানুষিক

(এই কাহিনী সম্পুর্ণ কাল্পনিক। কোন বাস্তব ঘটনা বা চরিত্রের সঙ্গে মিল পাওয়া গেলে তা আকস্মিক ধরতে হবে) প্রেম ও স্পিসিস

প্লিওনাসের ভয়ঙ্কর

  ফ্যাকাশে একটা আলো। বিষণ্ণ, ধূসর। যেন মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে সেটা ছড়িয়ে আছে চরাচর জুড়ে। মাথার ওপর আকাশটাও অদ্ভুত। যতদূর

সন্দীপ রায়ের সঙ্গে বাস্তবের এক কল্প-আড্ডা

আড্ডার সময় আর স্থানঃ ১৪ ই আগষ্ট, ২০১৭, ১/১ বিশপ লেফ্রয় রোড (রায়বাড়ি) কল্পবিশ্বের তরফে সাক্ষাৎকারেঃ বিশ্বদীপ দে, সৌমেন চট্টোপাধ্যায়,

কল্পবিশ্ব ইভেন্ট – ১০০ বছর পরের কলকাতা!

১০০ বছর পরের কলকাতা রূপসা ব্যানার্জী      “তার মানে তোরা শেষ পর্যন্ত যাচ্ছিস? অত বারণ করলাম, কিন্তু শুনলি না।

দ্বিতীয় কল্পবিশ্ব মিটের আলোচনা – স্পেক্যুলেটিভ এভলিউশন

এই বছরের দ্বিতীয় কল্পবিশ্ব মিটে আমরা ১৫ই আগস্ট আবার একজোট হয়েছিলাম সল্টলেকের খোয়াবনামা কাফেতে। রাজাদার (রাজা পোদ্দার) এই সুন্দর প্রাণবন্তভাবে

ইনটেলেকট্রন

এপ্রিল ৩      অনেকদিন পরে একটা নতুন জিনিস তৈরি করলাম। একটা যন্ত্র, যাতে মানুষের বুদ্ধি মাপা যায়। বুদ্ধি বলতে অবশ্য

বাতাসে মৃত্যুর ফাঁদ – অ্যালফ্রেড বেস্টার

যেদিন আমরা পালিয়েছিলাম প্যারাগন ৩ থেকে, ঠিক সেই সন্ধেবেলাই সেখানে হাজির হল এক সশস্ত্র সৈন্যর দল। এদের দেখলে মনে হবে

কুহকিনী কিন্নরী

বহু অজানা অবিশ্বাস্য বিস্ময়ের অন্দরমহল মহাশূন্য থেকে আচমকা আবির্ভূত হয়েছে এক মহাকাশপোত। আকারে আয়তনে তাকে উড়ুক্কু মহাদেশ বললেই চলে। হাজার

একটি অসমাপ্ত কাব্য

নাঃ কবিতা লেখা আমার দ্বারা আর হোল না। অথচ এত ভালবাসি আমি কবিতা লিখতে। এই তো আমাদের প্রবীর – কবিতা

মূষিক আতঙ্ক – এইচ পি ল্যাভক্রাফট

শেষ মিস্ত্রীটা কাজ খতম করে যেদিন বিদায় নিল, ১৯২৩ সালের সেই ১৬ই জুলাই, আমি এক্সাম প্রায়োরীতে পাকাপাকিভাবে প্রবেশ করলাম। পুরো

চব্বিশ ঘন্টার জন্য খোলা – এডওয়ার্ড ম্যাকিওয়েন

মেডাকালা মিউজিয়াম অফ অ্যান্টিক্স–এর ধুলো জমে থাকা বারান্দা দিয়ে কিউরেটরের অফিসের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলো টারস বোকারা। রোগা এই তরুণটির ভাগ্য

পুতুলবাড়ি আরোগ্যনিকেতন

তারক মণ্ডল ছেলে হিসেবে অতি চমৎকার তো ছিলই, তদুপরি তার একটা আশ্চর্য গুণ ছিল, সব জায়গায় সে ভূত দেখতে পেতো,

এখনও বৃষ্টি হয়!

কুণাল তাঁর চশমাটা খুললেন। মাঝে মাঝেই ঝাপসা হয়ে আসে কাচ। অনেকসময়ই বিশেষ কোনও কারণ ছাড়াই। অন্যমনস্কভাবে হাত লাগিয়ে ফেলেন, তারপর

ভীনগ্রহের স্বর্ণঝঞ্ঝা

রাত বারোটায় আহারের পর ছাদে ঘুরে বেড়ানো টঙ্কার অনেকদিনের অভ্যাস। আজও তার ব্যতিক্রম হয় নি।      ‘সত্যি, দাদু কলকাতা ছেড়ে

কাঁঠালতলা

২০৬৫ সালে, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধর তৃতীয় দিন ওদের পাঠিয়ে দেওয়া হল। অতীতে। ১৮৬৫ তে।     ওরা চার ছেলেমেয়ে। মিস্টার ও, মিসেস

মস্তান – স্যার আর্থার কোনান ডয়েল

লন্ডন, ১৮৭৮।      সাউথ মিডল্যান্ড ইয়োম্যানরির ঘোড়সওয়াররা সেই সময় আসন্ন ইউরোপিয়ান যুদ্ধ নিয়ে নয়, বরং চিন্তিত ছিল ফ্যারিয়ার সার্জেন্ট বার্টনের

মনের মতন মানুষ

“তাহলে আমার সঙ্গে চলো” – অবশেষে বলেই ফেললো রঙ্গন।      “যাবো? কোথায় যাবো?” – হেসে বলে ফেললো রাই।  

আফটার শকের তীব্রতা ভূমিকম্পের থেকে বেশি হয় না

সপ্তপদীর জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছিলাম, নিঃসীম কালো অন্ধকারের মধ্যে একটুকরো হীরে বসানো রূপোর আংটির মত উজ্জ্বল স্পেস সিটি ওবেরন। কেন

পক্ষীরাজ

বিনু যখন কথাটা আমায় বলেছিল, চারপাশ তখন আকাশজোড়া কালো মেঘের ছায়ায় ময়লা ও আবছা হয়ে এসেছে। যে কোনও সময় বৃষ্টি

প্রাইজ অফ পেরিল – রবার্ট শেকলে

বিপ্লবী পুলিন দাস স্ট্রীট ধরে ছুটতে ছুটতে এসে ডানদিকে পার্সি বাগান লেনে ঢুকে থমকে দাঁড়াল সিরাজ। উফ! শরীর আর দিচ্ছে

তেলেভাজার একদিন

দিনটা শুরু হয়েছিল সাধারণ ভাবেই। আমি হাতিবাগানের সামনে হাঁটছি৷ এখানে একটা কাজ ছিল৷ থাকি দক্ষিণ কলকাতায়৷ শ্যামবাজারের মোড়ে গেলেই মেট্রো

কোনো একদিন – আইজাক আসিমভ

নিকলো মাজেট্টি উপুড় হয়ে শুয়ে অন্যমনস্ক ভাবে যন্ত্রকথকের বলে যাওয়া গল্প শুনছিল, তার ছোট ছোট হাতের মধ্যে রাখা এগার বছরের

ইস্কুল

রাইজিং স্টার ইন্টারন্যাশনাল ইস্কুলের ফ্রণ্ট ডেস্কের মেয়েটি আমাকে বলল, “আমাদের ইণ্টারভিউ আরও কয়েকদিন চলবে। যাদের আমরা যোগ্যতম মনে করব, তাদের

সমান্তরাল

দরজার কি–হোলে চোখ রাখল শুভম। বাইরে গাঢ় অন্ধকার। বন্ধ দরজায় জোরে জোরে আঘাত শুরু হল। এর আগেও করেছে — বহুবার।

পাসওয়ার্ড

[৫২১৫ সাল, ইন্ডিয়ানাল্যান্ডের ইস্ট বঙ্গ সেক্টর। ৪ জুন, রাত ১ টা বেজে ৩৭ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডে সেন্ট্রাল কন্ট্রোলের ভিজিল্যান্স টিমের

হিমশীতল – এইচ পি লাভক্র্যাফট

ভদ্রলোক বললেন – “আপনারা জানতে চাইছেন ঠান্ডা আবহাওয়াকে আমি কেন ভয় পাই? কেন ঠান্ডা হাওয়ায় আমার শরীর মাঝে মাঝে গুলিয়ে

৪.৮

মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে ঘুম ভাঙল দীপের। ‘কোথায় আমি?’ চারপাশ বোঝার চেষ্টায় ঘাড় ঘোরালো ও। মাথার প্রতিবিম্ব ঘটছে সামনের বিপজ্জনক

হুবহু – রে ব্র্যাডবেরি

মুচকি হেসে স্মিথ বলল – “দেখে মনে হচ্ছে বাড়ি ফেরার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে আছো! এমন তাড়াহুড়ো করছো, যেন কতদিন বাড়িতে

জীবন

বোনজোরনো সিনিওরে, কোসা পোসসু ফারে পের লেই?*        বোন জোর নাকে বয়**, But I know only this much of

অমরত্ব

সন্ধ্যা ছ’টা বেজে পনেরো মিনিট। পশ্চিমমুখী জানালা দিয়ে তাকালেই দেখা যাবে পাহাড়ি উপত্যকার পেছনে সূর্য ডুবে যাচ্ছে। আকাশে লাল রঙের

কানেকটম রহস্য

কালো কফিতে চুমুক দিয়ে প্রফেসর খাসনবিশ বললেন, “কসমোলজির আসল মজাটা কি জানো অর্ণব, সব কিছুই এখানে আপেক্ষিক। কোন কিছুই তুমি

স্মৃতি – এইচ পি লাভক্র্যাফট

রাতে নিশ্ উপত্যকার আকাশে বসে থাকা চাঁদটাকে দেখলে মনে হয়, যেন সে কয়েকশ’ বছরের পুরোনো কোনো অভিশাপের কুষ্ঠ–ক্ষত আজও সারা

অসুরক্ষিত – সাইমন রিচ

এক কারখানায় আমার জন্ম হয়। তারপর প্লাস্টিকের র‍্যাপারে মুড়ে বাক্সে সিল করা হয় আমাদের, একবাক্সে তিনজন করে।      প্রথমদিকে

খাচ্ছিলো তাঁতী তাঁত বুনে!

ঐ যে কথায় বলে না – কপালের লিখন কেউ খণ্ডাতে পারে না? – আমারও হয়েছিল তাই! নইলে বেশ তো ছিলাম

ছিনতাই হল পৃথিবীটা

এরকম একটা ভয়াবহ ঘটনা প্ৰকাশ করা উচিৎ হবে কিনা ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কেননা ব্যাপারটা প্ৰকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে

বাই জুপিটার – আইজাক আসিমভ

ওর রাজকীয় সোনালী দাড়ি আর গাঢ় খয়েরী চোখ দেখে না জানলে কেউই বিশ্বাস করবে না যে ও মানুষ নয়, এমন

রহস্য-দ্বীপের কাহিনী

বাংলাদেশে অ্যাডভেঞ্চারের পরিবেশ নেই, বাঙালী ছেলের জীবনে অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ নেই—এমনি একটা কথা আমরা ছেলেবেলা থেকে শুনে আসছি। বোধ হয় এই

ডুবুরি

ক্ষীণ অ্যালার্মের আওয়াজের সাথে ঘুমের মধ্যে বাবার ডাক শুনে উঠে পড়ল বান্টি। ভালো নাম নির্মাল্য। মাইথন ডিনোবলি–র চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র

সরীসৃপ

টিকি হয়তো আর বেঁচে নেই৷ কাল রাতে বাবা ঘরে স্প্রে করেছিল, সকালে যখন মা আমায় খাটে বসিয়ে চেঞ্জ করাচ্ছে, তখনই

মৃত গ্রহের টাইম ক্যাপসুল – মার্গারেট অ্যাটউড

আমাদের সভ্যতার প্রথম যুগে আমরা দেবতা গড়েছিলাম। তাঁদের আমরা কাঠ খোদাই করে গড়েছিলাম। তখনও অবধি কাঠ বলে কিছু ছিল। আমরা

অনুগল্প সংকলন

–“ইউ গান্ডু, হাউ ক্যান ইউ সে—যে আমি তোদের এই জংলি প্ল্যানেটে জন্মেছিলাম? গপাস্টিক! তোদেরকে কী উইয়ার্ড দেখতে ভেবেছিস?

বাড়ি বাড়ি খেলা

তিরিশ শতাব্দীর ছোট্ট ছেলে বাপ্পা রূপকথায় বিশ্বাস করে। যন্ত্র মানুষের হাতে মানুষ হলেও সে বিশ্বাস করে একদিন পৃথিবীতে সব ছোটরা

ইউ এফ ও

মেঘলা দিনে একলা ঘরে কেমন করে মন। জানলা খানা খুলে দিতেই মেঘের আলাপন। কালো মেঘের আনাগোনা, বাতাস বড় ভারী, অন্ধকারের

স্মৃতির কুহকজাল

পার করে কোন দূরের চর্তুদশক, এলেম যেথায় সবুজের অশোক, রেখেছিলেম মোরা পায়ের চিহ্ন, জীবন – বৃত্তের কোনো বিন্দুতে, সময়ের এক

অন্য আকাশ

এই যে এত আকাশ ভরা মেঘের কুঁচি, তারা তাদের কাছে ঘুড়ির মত ছিটকে যেতে পারি দেখতে যাব, অন্য গ্রহের অন্য

রবিন

রবিন বিশ্বস্ত খুব ঘুম থেকে রোজ তুলে দেয় তারপর জিজ্ঞেস করে, “আজ কোন স্বপ্ন দেখলে বলো?” যে সব স্বপ্নগুলো নির্ভার

ট্র্যামওয়াক

টাইম মেশিন

বিজয়ী সৈন্যদল

ডোনেগানের ডাফি চেয়ার

ক্যাডমাসের বীজ

কল্পবিজ্ঞানের পুরস্কার, দুঃখী কুকুরছানারা, ভিনগ্রহী নর্তকী ও একটি টি-রেক্স

আপনি যদি কল্পবিজ্ঞানপ্রেমী হন আর আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, “বলুন তো, একজন কল্পবিজ্ঞান আর ফ্যান্টাসি লেখকের পক্ষে সবথেকে বড় সম্মান

জীববিজ্ঞানের তন্তুর জাল

একটি মাটির বাড়ির চালের দিকে তাকালে দেখা যায় চালটা অনেক ধরণের দড়ি, কাঠি দিয়ে তৈরি – তাদের মধ্যে কিছু কিছু

অগ্নিপথ ৫ – স্বপ্রভ অনল

।। ৫ক ।। স্থানঃ ঢাকেশ্বরী রেস্টুরেন্ট, কল্যাণী কালঃ ২০০৭ পাত্রঃ একটি যুবক ও আমাদের চেনা এক যুবতী* একটি রেস্টুরেন্ট, কপোত

কল্পবিজ্ঞান কুইজ – ৭

এই সংখ্যার কুইজঃ ১) কল্প-বিজ্ঞানের এক কাল্ট ছায়াছবি 2001- A Space Odyssey তে বিখ্যাত কম্পিউটার Hal কোন Nursery Rhymes  বলেছিল? ২)