আমাদের কথা

টিম কল্পবিশ্ব

সন্তু বাগ – স্নাতকস্তরে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং স্নাতকোত্তরে পাওয়ার ইলেট্রনিক্স নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। এখন একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরত। বিভিন্ন পুরোনো ছোটদের পত্রিকা সংগ্রহে  এবং কল্পবিজ্ঞানের গল্পে বিশেষ আগ্রহী।
প্রসেনজিত দাশগুপ্ত – পেশায় বহুজাতিক কোম্পানিতে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ হলেও নেশায় বই এর পোকা। ভালোবাসেন আড্ডা মারতে, বই পড়তে আর অবসর সময়ে কল্পবিশ্বের জন্যে ওয়েব সাইট তৈরি করতে। উনি যে ট্রেকিং করতেও পছন্দ করেন বলেছি কি?
সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় – কেমিষ্ট্রিতে স্নাতক, সোসাল সায়েন্স এবং ম্যানেজমেন্টে স্নতোকোত্তর – পেশায় চাকরিজীবী কিন্তু নেশা গোগ্রাসে বই পড়া এবং সামান্য লেখালেখি। ভালোবাসেন বিভিন্ন বিষয়ে আড্ডা দিতে, গান শুনতে, গান গাইতে – এবং হ্যাঁ, মনের মত শ্রোতা পেলে গল্প পড়ে শোনাতে। ঘনিষ্ঠমহলে খুড়ো নামে পরিচিত। কালেদিনে “তারিণী” হয়ে উঠবেন, এই আশা রাখেন!
সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় – বিশ্বসাহিত্য, মার্গ সংগীত আর সারা পৃথিবীর সিনেমার একনিষ্ঠ ভক্ত। কল্প বিজ্ঞান ধারায় বিজ্ঞান সাহিত্য নিয়ে একান্ত আগ্রহের জন্য কল্পবিশ্বের দলে সমমনস্ক বন্ধুবান্ধবদের সাথে এসে জোটা আপাতত। ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন অণুপত্রিকায় লেখা-লেখিতে হাত পাকালেও মূলতঃ গদ্যসাহিত্যেই বেশী স্বচ্ছন্দ। প্রথাগত শিক্ষা প্রযুক্তিবিদ্যায় (স্নাতোকোত্তর) আর বর্তমানে সেই বিষয়েরই শিক্ষকতায় যুক্ত। লেখক মনে প্রাণে বিশ্বাস করেন যে পৃথিবীর সংকটে এক কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে সৎ-সাহিত্য।
বিশ্বদীপ দে – পেশা সাংবাদিকতা। পাশাপাশি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করেন। আকাশবাণী কলকাতার আমন্ত্রিত গল্পকার। প্রথম সারির বহু পত্রপত্রিকায় ছোটগল্প ও প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
সুপ্রিয় দাস – স্নাতকস্তরে ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (বি.টেক) এবং স্নাতকোত্তরে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (এম.বি.এ) নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। এখন একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরত। কল্পবিজ্ঞান,ফ্যান্টাসি ও হরর সাহিত্য ও সিনেমার ভক্ত ও শখের ম্যারাথনার।
দীপ ঘোষ – কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতকোত্তর এবং বর্তমানে গবেষণায় রত। ভালবাসেন দেশ ঘুরতে ও বই পড়তে। কল্পবিজ্ঞানের সাথে প্রেম ছোটবেলা থেকেই। বিশ্বাস রাখেন যে কল্পবিজ্ঞান আর কমিক্সের মত বাংলা সাহিত্যের অবহেলিত ধারাগুলি একদিন নিশ্চই যোগ্য সম্মান পাবে।
প্রবুদ্ধ দাস – উৎসাহী পাঠক ও বই প্রেমী। সিন্দবাদ না হলেও বাণিজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখেন। অ্যাকাউন্টেন্সিতে স্নাতক। ভালবাসেন খেতে, বেড়াতে এবং খেয়ে বেড়াতে। অবসর সময়ে বই আর সিনেমার রিভিউ লিখতে পছন্দ করেন।
 
সৌমেন চ্যাটার্জিপেশায় শিক্ষক এবং ফ্রিল্যান্সার ভিডিও এডিটর হলেও সৌমেন এর উৎসাহ সাহিত্য ও সিনেমায় বিশেষ করে হরর সায়েন্স ফিকশন এবং ফ্যান্টাসি গল্পে। টিএনটিঃ আঁধার নগরী গ্রাফিক নভেল সহ বেশ কয়েকটি অনুবাদ করেছেন।

অঙ্কন ও গ্রাফিক শিল্পী

দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য – জীববিজ্ঞানের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি ছেলেবেলা থেকেই ছবি আঁকবার নেশা। কম্পিউটারে ফোটো এডিটিং এবং গ্রাফিক্সের কাজ করবার কোন প্রথাগত তালিম না থাকলেও কিছুটা শখের খাতিরেই বানিয়ে ফেলেন নতুন নতুন ডিজাইন! অবসর সময়ে ভালোবাসেন গান শুনতে, কল্পবিজ্ঞানের গল্প পড়তে এবং প্রচুর কমিক্সের বই পড়তে।
ধ্রুবজ্যোতি দাস – পেশায় সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার, নেশায় আঁকিয়ে। ভালোবাসেন বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে। খাদ্যরসিক ও সঙ্গীতপ্রীয় ধ্রুবজ্যোতি আমাদের অঙ্কন বিভাগের এক প্রধান স্তম্ভ এই পত্রিকার শুরু থেকেই।
সুমন দাস –  একজন অত্যন্ত দক্ষ চিত্রশিল্পী এবং কল্পবিশ্বে ওনার আঁকা এই পত্রিকা কে এক আলাদা মাত্রা প্রদান করেছে। আঁকা ছাড়াও, ইনি এক অত্যন্ত সুলেখক ও কল্পবিশ্বে প্রকাশিত ওনার লেখা বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ গুলি এই পত্রিকার এক অনন্য সম্পদ।

সৌরভ দে – পেশায় কণা পদার্থবিদ্যার গবেষক ছাত্র। জেনিভার CERN গবেষণাগারের সঙ্গে যুক্ত। নেশা বহুপ্রকার। ছবি আঁকা, লেখাজোকা, বইপড়া।

রূপক ঘোষঅ্যানিমেশানে স্নাতক রূপক ঘোষ পেশায় একজন কম্পিউটার গ্রাফিক আর্টিস্ট এবং CG আর্টিস্ট হিসাবেই কাজ করেছেন বেশ কিছু বাংলা ও হিন্দি সিনেমাতে। কমিক্স পাগল এই ছেলেটির অবসর কাটে অবশ্যই নানা ধরনের কমিক্স পড়ে ও সিনেমা দেখে। এছাড়া ছবি আঁকা, বিভিন্ন কমিক্স অনুবাদ, পুরনো কমিক্স সংগ্রহ করা আর ছোটোখাটো গল্প লেখা এইসব নিয়েই সারাক্ষণ মেতে থাকতে পছন্দ করে।
 
কৌশিক সিনহা চৌধুরী – শিক্ষা: চারুকলায় স্নাতক (ইন্ডিয়ান আর্ট কলেজ) ছবি আঁকা ছাড়া আর বিশেষ কিছু পারে না, হিন্দু মাইথোলজী, ছোটদের গল্প, গ্রাম বাংলার গল্প, ভারতবর্ষের ঐতিহাসিক কাহিনী, ইত্যাদি পড়তে পছন্দ করে, আড্ডাবাজ আর খুব খুঁতখুঁতে খাদ্য রসিক।
 
প্রতিম দাস – মূলত চিত্র শিল্পী, ২০১৩ সাল থেকে ভারতের সমস্ত পাখি আঁকার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছেন। ৭৭৫+ প্রজাতির ছবি আঁকা সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে শুধু পাখি নয় অন্যান্য বিষয়েও ছবি আঁকা চলে একইসাথে। সাথেই দারুণ রকমের পাঠক, যা পান তাই পড়েন ধরনের। প্রিয় বিষয় রূপকথা, ফ্যান্টাসী, সায়েন্স ফিকশন, অলৌকিক। টুকটাক গল্প লেখার সাথে সাথে আছে অনুবাদের শখ।

ইউনিকোড সহযোগী

দোয়েল বর্মন – দোয়েল ফলিত গণিত গবেষণা করেছেন। এখন একটি বহুজাতিক গ্যাম্বলিং, ক্যাসিনো টেস্টিং কোম্পানীতে গণিত বিভাগে কর্মরতা। সময় পেলেই গল্পের বই নিয়ে বসে পড়েন। তার সবচেয়ে পছন্দের বিষয় হল গোয়েন্দা গল্প, সে ছোটদেরই হোক কি বড়দের। কল্পবিজ্ঞান পড়তেও আগ্রহ সমান।
 
অরুন্ধতী সিংহ রায়কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর বিভাগের অর্থনীতির ছাত্রী । কল্পবিশ্বের মাধ্যমে প্রথম বুক রিভিউ লেখার হাতেখড়ি । বিভিন্ন বিষয়ের বই ও গল্পের বই পড়াটা ভালোলাগা থেকে এখন এক ভয়ঙ্কর নেশায় পরিণত হয়েছে । এছাড়াও ভাল লাগে গান শুনতে , TV Series দেখতে ।

কল্পবিশ্বের বন্ধুরা

রণেন ঘোষফিকশন ও ফ্যান্টাসি সাহিত্যের স্বর্ণযুগের অন্যতম নাম। লেখার পাশাপাশি একদা ‘বিস্ময়!’ এবং ফ্যানট্যাসটিক সায়েন্স ফিকশন পত্রিকার অন্যতম সম্পাদক। বর্তমানে প্রতিশ্রুতি প্রকাশনের কর্ণধার।

দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য নিজের ভবিষ্যতকে অদৃষ্টের হাতে ছেড়ে না দিয়ে সম্ভাব্য নানা ভবিষ্যতের ছবি তৈরি করাটা একটা জাতের প্রাণশক্তির পরিচয়। সাহিত্যের যে ধারাটা সে কাজটাকে সবচেয়ে দক্ষতার সঙ্গে করতে পারে সে হল কল্পবিজ্ঞান। একটা জাতির পেছন দিকে এগিয়ে চলা ছেড়ে সামনের দিকে যাত্রা শুরু করবার লক্ষণ তাই সম্ভবত টের পাওয়া যায় তার সাহিত্যে এই বিশিষ্ট সাহিত্যধারার ধারাবাহিক উন্মেষে। কয়েক দশক আগে একবার সে চেষ্টাটা ঘটেছিল বাংলা সাহিত্যে, সত্যজিৎ  রায়, অদ্রীশ বর্ধন ও দিলীপ রায়চৌধুরির মতন মানুষদের যৌথ প্রচেষ্টায়। তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি, সম্ভবত উপযুক্ত সময় তখনো আসেনি আমাদের তখনও সেই কারণেই। এরপর এই সাহিত্যধারাকে এ ভাষায় জোরদার করে তোলবার জন্য গুটিকয় ব্যক্তিগত উদ্যোগ বাদে প্রাতিষ্ঠানিক কোন প্রচেষ্টা ছিল না। সেই চেষ্টাটা ফের একবার ফিরে এল একঝাঁক উজ্জ্বল কমবয়েসীর চেষ্টায়। আসলে, কাজটা ঠিক তারা করছে না, তাদের মধ্যে দিয়ে আমাদের অবশেষে সামনের দিকে মুখ ঘোরানো জাতটাই করছে এই আশাটা করতে খুব ভালো লাগছে। প্রার্থনা করি এই ছেলেমেয়েরা সে আশাটাকে যেন সত্য প্রমাণিত করে। ভালো স্বপ্ন দেখতে দোষ কি? আসুন সবাই মিলে স্বপ্নটা দেখা যাক। ক্ষণস্থায়ী ঝলকের বদলে একটা দীর্ঘস্থায়ী মুভমেন্টের সূচনা হোক এই পত্রিকার মধ্যে দিয়ে। কল্পবিজ্ঞান সাহিত্য বলিষ্ঠ হয়ে উঠুক বাংলাভাষায়।
কৃষ্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় – সাম্প্রতিক কালের বাংলা সাহিত্যের দিগন্তে একটি ক্রমউদ্ভাসিত নাম – কৃষ্ণেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় । পেশায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হয়েও তাঁর আকৈশোর সঙ্গী সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে অবলম্বন করেই তাঁর বেঁচে থাকা । তাই একাধারে অসংখ্য পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হতে থাকা ছড়া, কবিতা ও গল্পের পাশাপাশি বিভিন্ন মঞ্চে মঞ্চস্থ হয়ে চলা নাটক ও নৃত্যনাট্য রচনা, সুরারোপ ও সঙ্গীত পরিচালনার মাধ্যমে বিচ্ছুরিত তাঁর প্রতিভা । বেশ কিছু পুরস্কারপ্রাপ্ত এই লেখকের নানা বিষয়ের গ্রন্থরাজির মধ্যে ‘আরশিনগর’, ‘আলাদিন’, ‘ছড়াডুম সাজে’, ‘নির্বাচিত শ্রুতিনাট্য’, ‘ভূতের বৃন্দাবন’ প্রভৃতি বইগুলি ইতিমধ্যেই পাঠকসমাজের কাছে সমাদৃত হয়েছে ।
মল্লিকা ধর – ছোটো থেকেই বিজ্ঞানে উৎসাহী আর কল্পবিজ্ঞান কাহিনির ভক্ত, কিশোর জ্ঞান বিজ্ঞান পত্রিকাটি ছিল স্কুলজীবনের সবসময়ের সাথী। সত্যি বলতে কী এই কিশোর জ্ঞান বিজ্ঞানের ধূমকেতু বিষয়ক বিশেষ সংখ্যাটির প্রভাবে জীবনের পরবর্তী গতিপথ নির্ধারিত হয়। তখন থেকেই মনে হয় যা হয় হোক, মহাকাশ নিয়ে পড়াশোনা করতেই হবে। ঐ গ্রহ উপগ্রহ গ্রহাণু ধূমকেতু নক্ষত্র গ্যালাক্সি —এদের রহস্য জানতেই হবে যতটা পারা যায়। আস্তে আস্তে স্কুল কলেজ শেষ করে প্রথম সুযোগ এলো অ্যাস্ট্রোফিজিক্স নিয়ে পড়াশোনার, কলকাতার বিড়লা প্ল্যানেটারিয়ামে। ঐ একটি বছরের কোর্স আমার জীবনে সর্বাধিক আনন্দের সঞ্চয় হয়ে রইল। এখন পেশাগত কাজের পাশাপাশি সাধারণ গল্প উপন্যাস লেখার কাজ করি। এর সঙ্গে কল্পবিজ্ঞানের কিছু অনুবাদ করার কাজ করে আনন্দ পাচ্ছি, সেই আনন্দের তুলনা নেই।