আফটার শকের তীব্রতা ভূমিকম্পের থেকে বেশি হয় না

প্তপদীর জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছিলাম, নিঃসীম কালো অন্ধকারের মধ্যে একটুকরো হীরে বসানো রূপোর আংটির মত উজ্জ্বল স্পেস সিটি ওবেরন। কেন জানিনা আমার মনে হচ্ছিল জানালা খুলে হাত বাড়ালেই আংটিটা পেয়ে যাবো। তারপরেই মনে পরে জানালা কই, [...] [আরো পড়ুন]

Read more

মনের মতন মানুষ

তাহলে আমার সঙ্গে চলো” – অবশেষে বলেই ফেললো রঙ্গন।

     “যাবো? কোথায় যাবো?” – হেসে বলে ফেললো রাই।

     অনেক সময়েই প্রেমিকের কথা শুনে হেসে ফেলে তরুনীরা। ইতিহাস জুড়েই হেসেছে। সেই হাসি তাচ্ছিল্যের বা ব্যঙ্গের নয়। আমি তোমার জন্য অসম্ভবতমটাও করে ফেলতে পারি – এই উক্তির মধ্যে যে সাহস আর বোকামো আছে, [...] [আরো পড়ুন]

Read more

সমান্তরাল

রজার কিহোলে চোখ রাখল শুভম। বাইরে গাঢ় অন্ধকার। বন্ধ দরজায় জোরে জোরে আঘাত শুরু হল। এর আগেও করেছে বহুবার। শুভমের কপাল ঘামে ভেজা তেষ্টায় গলা শুকিয়ে কাঠ বেঁচে থাকার তাগিদ ওকে মরিয়া করে তুলেছে।

     পূর্ব স্মৃতি ওর কিছুই মনে নেই কেবল এই বন্ধ ঘরে নিজেকে আবিষ্কার করা ছাড়া প্রথমে মনে হয়েছিল ও কিডন্যাপ হয়েছে[...] [আরো পড়ুন]

Read more

কোনো একদিন – আইজাক আসিমভ

নিকলো মাজেট্টি উপুড় হয়ে শুয়ে অন্যমনস্ক ভাবে যন্ত্রকথকের বলে যাওয়া গল্প শুনছিল, তার ছোট ছোট হাতের মধ্যে রাখা এগার বছরের কিশোর মুখটাতে শুকিয়ে যাওয়া কান্নার হাল্কা রেখা

     যন্ত্রকথক বলে যাচ্ছিল “অতীতকালে এক অরণ্যে এক দুঃস্থ কাঠুরিয়া বাস করিত, তাহার ছিল দুই কন্যা[...] [আরো পড়ুন]

Read more

জীবন

বোনজোরনো সিনিওরে, কোসা পোসসু ফারে পের লেই?*

 

     বোন জোর নাকে বয়**, But I know only this much of Italian. I am Nirod Mukherjee, from India.

     Sorry sir, let me please allow to check the register…

     রিসেপশনিস্ট রেজিস্টার চেক করে নির্দিষ্ট[...] [আরো পড়ুন]

Read more

তেলেভাজার একদিন

দিনটা শুরু হয়েছিল সাধারণ ভাবেই। আমি হাতিবাগানের সামনে হাঁটছি এখানে একটা কাজ ছিল৷ থাকি দক্ষিণ কলকাতায়৷ শ্যামবাজারের মোড়ে গেলেই মেট্রো পেয়ে যাব হঠাৎ খেয়াল করলাম রাস্তায়[...] [আরো পড়ুন]

Read more

এখনও বৃষ্টি হয়!

কুণাল তাঁর চশমাটা খুললেন। মাঝে মাঝেই ঝাপসা হয়ে আসে কাচ। অনেকসময়ই বিশেষ কোনও কারণ ছাড়াই। অন্যমনস্কভাবে হাত লাগিয়ে ফেলেন, তারপর বিরক্তিকর কাচ পরিষ্কার! [...] [আরো পড়ুন]

Read more

পাসওয়ার্ড

[২১৫ সাল, ইন্ডিয়ানাল্যান্ডের ইস্ট বঙ্গ সেক্টর। ৪ জুন, রাত ১ টা বেজে ৩৭ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডে সেন্ট্রাল কন্ট্রোলের ভিজিল্যান্স টিমের মনিটরে ছবি ভেসে উঠল। ১৯৭৩ ক্লাস্টারে একটি হিউম্যান মেল লায়িং পোজিশনে ভেসে রয়েছে আর একটি হিউম্যান ফিমেল সিটিং পজিশনে সামনে জায়ান্ট স্ক্রিনে কিছু দেখছে আর আঙুল নেড়ে কম্যান্ড দিচ্ছে। সাউন্ড সিস্টেম অন হতে মনিটরের সামনে বসে থাকা দুজন সেদিকে মন দিল]

[...] [আরো পড়ুন]

Read more

ছিনতাই হল পৃথিবীটা

রকম একটা ভয়াবহ ঘটনা প্ৰকাশ করা উচিৎ হবে কিনা ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কেননা ব্যাপারটা প্ৰকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা পৃথিবী জুড়ে যে সাংঘাতিক আতঙ্ক, ভয় আর বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে তাতে সরকারগুলি ব্যর্থ হবে আইন ও শৃঙ্খলা বজায়[...] [আরো পড়ুন]

Read more

বাই জুপিটার – আইজাক আসিমভ

র রাজকীয় সোনালী দাড়ি আর গাঢ় খয়েরী চোখ দেখে না জানলে কেউই বিশ্বাস করবে না যে ও মানুষ নয়, এমন কি জীবিত প্ৰাণীও নয়। আসলে ও শুধুমাত্র যান্ত্রিক পুতুল বা যোগাযোগের যন্ত্র। আসল খদ্দেরদের পৃথিবীর মাটিতে আলোচনার টেবিলে বসা সম্ভব নয়, কারণ তারা অগ্নি-সম শক্তি-প্ৰাণী। আগুন-গরম চুল্লীর মতো তাদের ক্ষেত্র দিয়ে ঘেরা দেয়ালবিহীন “মহাকাশযান”।

     ও বললে, “আপনারা[...] [আরো পড়ুন]

Read more

মহাকাল

ধীরে ধীরে বাড়ির সামনের ডেক চেয়ারে বসলেন প্রোঃ প্রিয়লাল বোস চিন্তা আনন্দ উত্তেজনা সব মিলিয়ে কেমন যেন উত্তেজিত করে তুলেছে ওঁকে পড়ন্ত বেলায় লনে এসে বসা প্রোঃ বোসের অনেক দিনের অভ্যাস অনেক জটিল প্রশ্নের সমাধান খুঁজে পেয়েছেন এখানেই চারপাশে তাকালে পরম শান্তিতে মনটা ভরে ওঠে[...] [আরো পড়ুন]

Read more

একজন দেবতার দিনলিপি

সিবাতারো ফেলিস রো এল ভেত্রো ডোরকাতনা না এ উচ্চারনে লেখাটা ঠিক হবে না। যদি কোন দিন কোনোক্রমে এ লেখনী পৃথিবীবাসীর হাতে পৌছায় তাহলে তাদের পড়তে অসুবিধা হবে। যদিও এসব উচ্চারনের মানে আমি লিখে রাখছি। কিন্তু যেখানে আর কখনই ফিরে যেতে পারবো না সেখানকার সুবিধা সুবিধার কথা ভেবে লাভই বা কি? চরম সর্বনাশ থেকে সিবাতাদের বাঁচানোটাই আমার প্রথম উদ্দেশ্য ছিল সেটায় কিছুটা হলেও আমি সফল হয়েছি।

[...] [আরো পড়ুন]

Read more

চোঙদার’স ইনইক্যুয়ালিটি

বাসটা ঢিকিয়ে ঢিকিয়ে এগোচ্ছে। স্ট্যান্ড থেকে বেরনো ইস্তক হেল্পার আর কন্ডাক্টর সমানে হাঁকডাক চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু শেষ দশ মিনিটে বাসটা দশ হাত এগিয়েছে কিনা সন্দেহ। তবে এসব হল কথার কথা; সময় আর রাস্তার লম্বাই কি অত সহজ অংক মেনে[...] [আরো পড়ুন]

Read more

সিঁড়ি

রিহর হাজরা সদ্য সরকারী চাকরী থেকে অবসর নিয়েছেন। বছর তিন আগে স্ত্রী গত হয়েছেন। নিঃসন্তান হরিহর বাবুর কোন নিকট আত্মীয়স্বজন নেই। অল্পবয়সে বাবা মা মারা যাওয়ার পর দাদুর কাছে মানুষ হয়েছেন। দাদুও বহুদিন হল গত হয়েছেন। দূর সম্পর্কের এক ভাইপো আছে। আসামে থাকে, মাঝে মাঝে খোঁজ নেয়। তাই হরিহর বাবুর ঝাড়া হাত পা। বই পড়া ও নাটক দেখার অভ্যেস আছে তাই সময়[...] [আরো পড়ুন]

Read more

টাইম মেশিন

হাসছে তারা। কেউ কেউ খুশিতে গলা ছেড়ে নানান রকম অঙ্গভঙ্গি করতে করতে গান করছে। কেউ হাত পা ছাড়িয়ে নাচছে। সবার মুখ খশিতে ঝলমল করছে। আর করবে নাই বা কেন? যে ইতিহাস তারা শুধুমাত্র ডিজি-বুকে পড়ে, আজ তারা সেখান থেকে ঘুরে এসেছে। আজ তারা অতীত ভ্রমণ করেছে। নিঃসন্দেহে ৩৫৫৬ সালের সব থেকে বড় আবিষ্কার এই টাইম মেশিনের আবিষ্কার। তবে সেইসঙ্গে সময় ভ্রমনের[...] [আরো পড়ুন]

Read more

জীবনদাতা

১৪ই এপ্রিল, ৩০১৬:

     আজ অনেকদিন পর আমার মায়ের সঙ্গে খেলতে এলাম পার্কে। তোমরা জিজ্ঞেস করতেই পারো, অনেকদিন পরে কেন? আমার মতন দশ বছরের বাচ্চার তো রোজই পার্কে আসা উচিৎ, তাই না? আসলে মা আমাকে নিয়ে আসতে লজ্জা পায়, তাই আর রোজ আসা হয় না। মা অবশ্য মুখে কিছু বলে না, বলতে পারার কথাও নয়। কিন্তু আমি সব বুঝতে পারি, তাই তো মা বলে আমার হেবি ব্রেইন, কোনও ইনডিউসড ইন্টেলিজেন্স[...] [আরো পড়ুন]

Read more

ব্লু

যেহেতু পায়ের নিচে মেঝেটা সরু একফালি সাদা লিনোলিয়ামের স্ট্রিপ মাত্র, আর ধবধবে সাদা দেওয়ালটাই অর্ধবৃত্তাকারে বাঁক নিয়ে মাথার ওপরে ছাদ হয়ে গেছে, তাই রয়ের মনে হচ্ছিল, ও যেন একটা টানেলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

     সামনে পড়ে ছিল নিরাপত্তা রক্ষীটির শরীর। হাতে ব্লাস্টার থাকলেও মৃত্যুকে সে ঠেকাতে পারেনি। শুধু তাই নয়, তার যন্ত্রণায় বিকৃত হয়ে যাওয়া মুখটা দেখে, ক’বছরের[...] [আরো পড়ুন]

Read more

সবুজ মানুষ

“চুলে কি রঙ করেছ?”

     সাতসকালে গিন্নির প্রশ্নটা শুনে শ্যামলবাবুর মেজাজ গেল সপ্তমে চড়ে। শ্যামলবাবুরা বংশানুক্রমে টাকের ধারক ও বাহক। মাত্র বত্রিশ বছর বয়সেই চকচক করছে জটায়ুর মতো মাথাজোড়া টাক। ঘাড় ও কানের ওপর যে ক’গাছা চুল বিশ্বাসঘাতকের মতো টিমটিম করছে সেগুলি নিয়েই সকাল সন্ধ্যে ঝাড়া কুড়ি মিনিট সময় অতিবাহিত করেন। কানের ওপরের চুল দৈর্ঘ্যে ফুটখানেকের[...] [আরো পড়ুন]

Read more

অস্তিত্ব-বর্ণ

দীর্ঘ দুমাস নিস্তরঙ্গ ভাবে ভেসে আসা বিষ্ণুবাহন-৫ মহাকাশযানটা অবশেষে একটা মৃদুস্পন্দন তুলে হঠাৎ যেন জেগে উঠল। যানের যাত্রী পাঁচজন কিন্তু ইতিমধ্যেই উত্তেজনায় সজাগ। ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক অভিযানের শরিক এই পাঁচজন। ক্রমশ মহাকাশযানের গতিবেগ কমে এল আর মহাকাশযানের স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তার গতিপথ সংশোধন করে তাদের গন্তব্যের[...] [আরো পড়ুন]

Read more