নিম্নচাপের কালো আকাশ আর নেই। সমস্ত দুর্যোগের মেঘ সরিয়ে জানলা দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ছে ঝলমলে রোদ্দুর। আকাশ জুড়ে উৎসবের আবহ। বাঙালি প্রস্তুত তার সেরা উৎসব দুর্গাপুজোর জন্য। পুজো মানে কেবল হুল্লোড়, দলবল মিলে আড্ডা, খাওয়া-দাওয়াই নয়। যাঁরা সাহিত্য ভালবাসেন, তাঁরা এই ছুটির অবসরে উন্মুখ হয়ে থাকেন শারদ সাহিত্যের জন্যও। যুগ বদলাচ্ছে। কেবল ছাপা পুজোসংখ্যাই [আরো পড়ুন]

গল্প

পিঁপড়ে
 পিঁপড়ে
লেখক - অদ্রীশ বর্ধন
অলংকরণ - তৃষা আঢ্য 
 
পিঁপড়ে, শুধু পিঁপড়ে। মস্ত হলঘরের যেদিকে তাকানো যায়, কেবলই পিঁপড়ে। রঙীন পিঁপড়ে—বিরঙ পিঁপড়ে, রাক্ষুসে পিঁপড়ে—লিলিপুট পিঁপড়ে, নিরামিষপ্রিয় পিঁপড়ে—আমিষলোভী
নক্ষত্রের আলো - আইজাক আসিমভ
নক্ষত্রের আলো
মূল লেখক - আইজাক আসিমভ
বাংলা অনুবাদ -‌ সুদীপ্ত চক্রবর্তী
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য 
কথাগুলো একেবারে পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট ভাবেই আর্থার ট্রেন্টের কানে প্রবেশ করল। শব্দগ্রাহক
মহাদ্রুম
লেখক - সাগরিকা রায়
অলংকরণ - সুমন দাস
পালঙ্কের সূক্ষ কারুকাজের দিকে তাকিয়ে সময় কেটে যায়। ইদানিং বাড়ির লোকজন সময় পায় না। এ ঘরে এসে তার সঙ্গে দেখা করার মতো সময় কোথায়? সবারই কাজকর্ম আছে। পড়াশোনা আছে। মাঝে মধ্যে
প্রোফেসর শঙ্কুর অ্যাডভেঞ্চার - ড্রেক্সেল আইল্যান্ডের ঘটনা
লেখক - সত্যজিৎ রায় ও সুদীপ দেব
অলংকরণ - কল্যাণী রায়
 
১৬ই অক্টোবর
     
     আজ আমার পঁচাত্তর বছর পূর্ণ হল। সকালে অবিনাশবাবু এসেছিলেন, আমার হাত দুটোধরে
বৃত্ত
বৃত্ত
লেখক - দেবলীনা পন্ডা 
অলংকরণ - তৃষা আঢ্য
স্টিয়ারিং-এর ওপর হাত রেখে ঘড়িটা দেখল মেহুল। সাতটা দশ। বাইরে টিপটিপ বৃষ্টিটা হয়েই চলেছে, ধরার কোনও নাম নেই। আর হবে নাই বা কেন, আজ তেরই অগাস্ট হয়ে গেল। কলকাতাটা এইসময়
আতঙ্ক সেই সংকেত
আতঙ্ক সেই সংকেত
মূল রচনা - গেলর্ড সাবাটিনি
বাংলা অনুবাদ - সৌমেন চ্যাটার্জি
অলংকরণ - সৌমেন চ্যাটার্জি
 
আমার নাম জেমস কার্টিস। পেশায় আমি একজন সাংবাদিক। দাঁড়ান... দাঁড়ান, এখুনি উইকিপিডিয়া খোলার
পোকা
পোকা
লেখক - রাজকুমার রায়চৌধুরী
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য
 

কমপিউটার টেবিলের তলা পরিষ্কার করতে গিয়ে অংশুমান বাবু পোকাটা প্রথম লক্ষ করেন৷ বিটল্‌ জাতীয় পোকা৷ অংশুমান প্রথমে ভেবেছিলেন লেডিবার্ড জাতীয়
ডরোথি
ডরোথি
লেখক - অর্ণব দাস
অলংকরণ - সুমিত রায় 
 
আজকাল একদম ভালো লাগছে না শান্তনুর ব্যবহার। যখন তখন জড়িয়ে ধরে। তখন শরীরের প্রতিটা খাঁজে ওর হাত আর ঠোঁট খেলা করে। প্রতিটা রাতে শরীরটাকে ছিঁড়ে-খুঁড়ে নিজেকে অত্যন্ত
কে তুমি
কে তুমি
লেখক - রণেন ঘোষ
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

 
শ্রী রণেন ঘোষ                                                                                                     জানুয়ারী ১, ১৯৮১ 
১৫, লিন্টন
জানালা
জানালা
লেখক - যশোধরা রায়চৌধুরী
অলংকরণ - সুমিত রায় 
নীরজার ঘুম ভাঙল একদম নতুন একটা জায়গায়। আগে পিছে আশেপাশে কোথাও কিচ্ছুটি নেই। আধখোলা চোখে মিটিমিটি চেয়েও একটা কোনও জিনিস চোখে পড়েনি। তাছাড়া নীরজা তো নীরজার জিনিসদের
দ্য গান
দ্য গান
ফিলিপ কে. ডিক
রূপান্তর : মারুফ হোসেন
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য
 
ফোকাস ঠিক করে নিয়ে টেলিস্কোপের আইপিসে চোখ রাখলেন ক্যাপ্টেন।
     ‘পারমাণবিক ফিশনই (বিভাজন) দেখেছিলাম আমরা,’ টেলিস্কোপে
অ্যালিবাই
অ্যালিবাই
লেখক - পরাগ ভূঞ্যা
অলংকরণ - সুমিত রায় 
 
এক
শব্দটা অনেকক্ষণ ধরে কানে বাজছে। টেবিলের ওপর ঘন ঘন আঙ্গুল চাপড়ানোর শব্দ।
     সিলিং থেকে ঝুলন্ত ল্যাম্পের আলো এসে গোল হয়ে টেবিলের ওপর পড়ে ম্রিয়মাণ

উপন্যাস

জিগজ্যাগ ও দুজন রানী
জিগজ্যাগ ও দুজন রানী
লেখক - নীলাঞ্জন মুখার্জ্জী
অলংকরণ - সৌরভ দে 
 
রিদমের মাথায় ভূত - ব্যান্ডেল, ২০০৮
ছন্দা নতুন বাড়িটায় এসে বেশ ঘাবড়েছিল। বাড়িটা তার কাছে নতুন হলেও এমনিতে বেশ পুরানো। প্রায়
কর্নেল এবং...
কর্নেল এবং...
লেখক - রনিন
অলংকরণ - সুমিত রায়  
 
১ 
পথে হলো দেরি
সেদিন ছিল রবিবার। একটা ছিমছাম ভালো লাগার অলস অখন্ড রবিবার। খবরের কাগজে কাজ করার সূত্রে ততদিনে সপ্তাহের বাকি দিনগুলোর সঙ্গে শনি-রবির
তারামাছ
তারামাছ
লেখক - ত্রিদিবেন্দ্র নারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
অলংকরণ - সৌরভ দে 
 
(১)
স্থানঃ মাদ্রাজ
সময়ঃ ১৯৬০ সালের ২১শে জানুয়ারি।
     “আপনার বিনয় দেখে আমি ভুলছি না স্যার। যাই বলুন আপনি স্যার একজন মহান বিজ্ঞানী।”
কৌস্তূভ
কৌস্তূভ
লেখক - সুমিত বর্ধন
অলংকরণ - সুমিত বর্ধন 
 
(১)
দক্ষিণের আকাশের দিকে একবার তাকালো শতদল।
     গাঢ় নীল আকাশের বুকে দিগন্তব্যাপি এক সাদা খিলানের মতো দাঁড়িয়ে কৌস্তূভের বলয়। দিনের আলোয় চোখে না পড়লেও
আঁখিশ্রী
আঁখিশ্রী
লেখক - পার্থ দে
অলংকরণ - সুমিত রায় 
 
(১)
৯ মার্চ, ২০১৮, বিক্রমশীল পাবলিক স্কুল, কলকাতা
     স্কুলের পরীক্ষার আজ শেষদিন। সকাল থেকেই ছেলেমেয়েদের মুখে আনন্দের ছাপ। আজ পরিবেশ বিজ্ঞানের পরীক্ষা,
মায়াশূন্যযান
মায়াশূন্যযান
লেখক - সালেহ আহমেদ মুবিন
অলংকরণ - সুপ্রিয় দাস 
 
(১)
হুনানপু আকাশের দিকে এক নজর তাকিয়ে বলল, "আমি ব্যাপারটা টের পাচ্ছি, কাস্টিলা। মহারাজ আমাদের আর বেশিদিন সহ্য করবেন না।"
     কাস্টিলা
অমানব
অমানব
লেখক - তানজিরুল ইসলাম
অলংকরণ - সুপ্রিয় দাস
 
(১)
আমার সঙ্গে যে ঘটনাটা ঘটেছে, আমি চাই না সেটা আর কারও সঙ্গে ঘটুক বা আমার জীবনেই আবার দ্বিতীয়বার ঘটুক। মাত্র পাঁচদিন আগে আমি ওখান থেকে বেঁচে ফিরেছি।
নক্ষত্রলোকে দস্তখত
নক্ষত্রলোকে দস্তখত
মূল লেখক - লী প্রিসলি
বাংলা অনুবাদ - শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়
অলংকরণ - তৃষা আঢ্য
 

আগন্তুক
মাইক আর মলি কার্সন উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের দরজায় অপেক্ষা করছিল। অধ্যাপক

অন্যান্য

অভিজ্ঞান রায়চৌধুরীর সাথে কল্পবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা
বর্তমান বাংলা সাহিত্যের সবথেকে সফল ও ধারাবাহিক কল্পবিজ্ঞান রচয়িতা অভিজ্ঞান রায়চৌধুরীর সাথে কল্পবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা
অনুলিখনঃ দীপ ঘোষ ও সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় 
অলংকরণ - দেবজ্যোতি
মঙ্গল গ্রহে জীবনের সন্ধান
লেখক - ডক্টর দিলীপ রায়চৌধুরী
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য
 
“মঙ্গল গ্রহের ওপর মহাকাশযান নামানো সহজ নয়”
দীর্ঘ দিন ধরে আকাশের একটি গ্রহ সম্পর্কে জ্যোতির্বিদরা অত্যন্ত কৌতূহলী। রক্তবর্ণ
বিজ্ঞানী ঘনাদা
লেখক - ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য
ঘ-না-দা!
     ছোটদের কাছে একটা দারুণ নাম—যাঁর চলনে বলনে ছড়িয়ে আছে মজা—মজা—আর মজা! শুধু ছোটরা কেন, আমরা, বড়রাও কি তার রস থেকে বঞ্চিত?
বিতর্কঃ হুগো কি আজ আমেরিকান রাজনীতির ক্রীড়াক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে?
অনুলিখন - দীপ ঘোষ
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য
অংশগ্রাহকঃ দীপ ঘোষ, ঋজু গাঙ্গুলী, বোধিসত্ত্ব চট্টোপাধ্যায়, কুনাল কর্মকার ও সোহম গুহ
পরিচয়ঃ
দীপ -
একটি অপরাহ্নে রাজেশ বসুর সঙ্গে
একটি অপরাহ্নে রাজেশ বসুর সঙ্গে
লেখা - প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য
 
দুপুর থেকে বিকেল গড়িয়েছে সবে। মুখোমুখি হলাম রাজেশ বসুর।
     তাঁর লেখা আমরা পড়েছি। ‘নেফ্রিখেফের
সত্যজিতের ছবির কল্পবিশ্ব
লেখক - ঋদ্ধি গোস্বামী
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য
সত্যজিৎ রায়কে ছেলেবেলার অনেকটা সময় একলা কাটাতে হয়েছে। মাত্র আড়াই বছর বয়সে তাঁর পিতৃবিয়োগের পরে তাঁর মা সুপ্রভা রায় তাঁকে ৬ বছর পর্যন্ত বাড়িতেই
ভলতেয়ারের ভিনগ্রহী
ভলতেয়ারের ভিনগ্রহী
লেখক - সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়
অলংকরণ - সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়
“There are truths which are not for all men, nor for all times.”
-–- Voltaire’s Letter to François-Joachim de Pierre,
গ্রন্থ সমালোচনা - অপার্থিব - অনিন্দ্য সেনগুপ্ত
অপার্থিব
লেখক - অনিন্দ্য সেনগুপ্ত
প্রকাশ - ২০১৭
প্রকাশক - বৈভাষিক
মূল্য - ১৮০
সাহিত্যের বিভিন্ন বিভাগগুলোর মধ্যে আমার ব্যক্তিগত পছন্দ হল – থ্রিলার। সে ফিকশন হোক বা নন-ফিকশন,
কল্পবিজ্ঞান পরিভাষা কোষ
কল্পবিজ্ঞান পরিভাষা কোষ
সংকলক – সন্তু বাগ
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে আমাদের কল্পবিজ্ঞান গ্রুপে একটি খেলার আয়োজন করা হয়েছিল। খেলাটি আয়োজন করেছিলেন কল্পবিশ্বের অন্যতম
অমিতানন্দ দাশের সঙ্গে এক সান্ধ্য কল্প-আড্ডা
অনুলিখনঃ অঙ্কিতা
অলংকরণ - দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য
বাংলা সাহিত্যে কল্পবিজ্ঞান তখন সবে তার কৈশোর পেরিয়ে সাবালকত্ব অর্জনের পথে পা বাড়িয়েছে। সেই সময়টায় বিদেশী ক্লাসিক্যাল এবং গোল্ডেন

অসামান্য প্রচ্ছদ এঁকে সংখ্যাটিকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তুলেছেন শ্রীমতী পম্পা প্রধান।

অসামান্য প্রচ্ছদ এঁকে সংখ্যাটিকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তুলেছেন শ্রীমতী তৃষা আঢ‍্য।

অমানব

অমানব

লেখক – তানজিরুল ইসলাম

অলংকরণ – সুপ্রিয় দাস

 

(১)

মার সঙ্গে যে ঘটনাটা ঘটেছে, আমি চাই না সেটা আর কারও সঙ্গে ঘটুক বা আমার জীবনেই আবার দ্বিতীয়বার ঘটুক। মাত্র পাঁচদিন আগে আমি ওখান থেকে বেঁচে ফিরেছি। নেহাত কপালের জোরে, নয়তো আমাকেও মরে পড়ে থাকতে হতো লাশ হয়ে। আর পত্রিকায় উঠে চলে আসতো আমার সেই ক্ষত-বিক্ষত লাশের ছবি।

     ব্যাপারটা আপনারাও দেখেছেন পত্রিকায়। [আরো পড়ুন]

Read more →

আঁখিশ্রী

আঁখিশ্রী

লেখক – পার্থ দে

অলংকরণ – সুমিত রায় 

 

(১)

মার্চ, ২০১৮, বিক্রমশীল পাবলিক স্কুল, কলকাতা

     স্কুলের পরীক্ষার আজ শেষদিন। সকাল থেকেই ছেলেমেয়েদের মুখে আনন্দের ছাপ। আজ পরিবেশ বিজ্ঞানের পরীক্ষা, ছাত্রছাত্রীরা তাই অনেকটা চাপমুক্ত। এরপর লম্বা ছুটি তিন সপ্তাহের, স্কুল খুলে আবার নতুন ক্লাস, নতুন পড়াশোনা। বিক্রমশীল সিবিএসসি বোর্ডের পাবলিক স্কুল, উচ্চবিত্ত [আরো পড়ুন]

Read more →

কৌস্তূভ

কৌস্তূভ

লেখক – সুমিত বর্ধন

অলংকরণ – সুমিত বর্ধন 

 

(১)

ক্ষিণের আকাশের দিকে একবার তাকালো শতদল।

     গাঢ় নীল আকাশের বুকে দিগন্তব্যাপি এক সাদা খিলানের মতো দাঁড়িয়ে কৌস্তূভের বলয়। দিনের আলোয় চোখে না পড়লেও শতদল জানে ওই খিলানের আশে পাশেই কোথাও অভিকর্ষের জটিল পথ বুনে চলেছে কৌস্তুভের দুটি চাঁদ, সুহাস আর উল্লাস। কৌস্তূভ আবিষ্কর্তা বিজ্ঞানী সুহাস ভদ্রের নামে [আরো পড়ুন]

Read more →

তারামাছ

তারামাছ

লেখক – ত্রিদিবেন্দ্র নারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

অলংকরণ – সৌরভ দে 

 

(১)

স্থানঃ মাদ্রাজ

সময়ঃ ১৯৬০ সালের ২১শে জানুয়ারি।

     “আপনার বিনয় দেখে আমি ভুলছি না স্যার। যাই বলুন আপনি স্যার একজন মহান বিজ্ঞানী।” মাধবন এই নিয়ে বোধহয় পনেরবারের মতো কথাটা বলল। বিক্রমের বিরক্তি ক্রমশঃ বাড়ছিল। এই লোকগুলো কী নির্লজ্জের মতো তোয়াজ করতে পারে। গত পরশু ও মাদ্রাজে এসেছে। [আরো পড়ুন]

Read more →

নক্ষত্রলোকে দস্তখত

নক্ষত্রলোকে দস্তখত

মূল লেখক – লী প্রিসলি

বাংলা অনুবাদ – শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

অলংকরণ – তৃষা আঢ্য

 

আগন্তুক

মাইক আর মলি কার্সন উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের দরজায় অপেক্ষা করছিল। অধ্যাপক গ্লীম তাদের ওই মস্ত দূরবীনে চোখ রেখে দেখতে দেবেন তো? গতবার তো ওই লাল দাড়িওয়ালা বিজ্ঞানীর কথাবার্তা মোটেই আশ্বাসব্যঞ্জক লাগেনি।

     রোদে পোড়া হলদে অবিন্যস্ত [আরো পড়ুন]

Read more →

কর্নেল এবং…

কর্নেল এবং…

লেখক – রনিন

অলংকরণ – সুমিত রায়  

 

১ 

পথে হলো দেরি

সেদিন ছিল রবিবার। একটা ছিমছাম ভালো লাগার অলস অখন্ড রবিবার। খবরের কাগজে কাজ করার সূত্রে ততদিনে সপ্তাহের বাকি দিনগুলোর সঙ্গে শনি-রবির পার্থক্য ভুলেছিলাম প্রায়, কিন্তু ডাকবাংলোর খুনের কেসটা সমাধান হওয়ার পর থেকে পুরো এক সপ্তাহের ছুটি মনজুর হয়েছে অফিস থেকে। তাই আমার হাতে তখন [আরো পড়ুন]

Read more →

জিগজ্যাগ ও দুজন রানী

জিগজ্যাগ ও দুজন রানী

লেখক – নীলাঞ্জন মুখার্জ্জী

অলংকরণ – সৌরভ দে 

 

রিদমের মাথায় ভূতব্যান্ডেল, ২০০৮

ন্দা নতুন বাড়িটায় এসে বেশ ঘাবড়েছিল। বাড়িটা তার কাছে নতুন হলেও এমনিতে বেশ পুরানো। প্রায় তিনশো বছরের। এক সাহেবের কাছ থেকে কিনেছিলেন ছন্দার ঠাকুর্দার বাবা। মূল কাঠামোটা একই রেখে সংস্কার করেছিলেন। বাড়িটার সামনে একটা রাধাকৃষ্ণের মন্দির [আরো পড়ুন]

Read more →

মায়াশূন্যযান

মায়াশূন্যযান

লেখক – সালেহ আহমেদ মুবিন

অলংকরণ – সুপ্রিয় দাস 

 

(১)

হুনানপু আকাশের দিকে এক নজর তাকিয়ে বলল, “আমি ব্যাপারটা টের পাচ্ছি, কাস্টিলা। মহারাজ আমাদের আর বেশিদিন সহ্য করবেন না।”

     কাস্টিলা অসন্তোষের শব্দ করল মুখ দিয়ে। “বুজরুক রাজপুরোহিতদের চেয়ে লোকে তোমাকে বেশি মানলে রাজার কাছে সেটা খারাপ লাগবেই। তারা আছে সারাদিন আনন্দ তামাশা নিয়ে। রাজ্যের [আরো পড়ুন]

Read more →

উৎসব

উৎসব

মূল কাহিনি – দ্য ফেস্টিভ্যাল

লেখক – এইচ পি লাভক্র্যাফট

বাংলা অনুবাদ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

অলংকরণ – সুপ্রিয় দাস

 

শয়তানের কৌশলে, মানুষ অবাস্তবকেও বাস্তব বলে ভুল করে

লাকট্যানশিয়াস

মি তখন বাড়ি থেকে অনেক দূরে। পুবের সমুদ্রের জাদু তখন আমাকে ছেয়ে ছিল। সন্ধ্যার আলো-আঁধারিতে আমি পাথরের গায়ে তার ঢেউ ভাঙবার শব্দ পাচ্ছিলাম। টের পাচ্ছিলাম,টিলাটার [আরো পড়ুন]

বুদ্ধির্যস্য

বুদ্ধির্যস্য

লেখক – ঋজু গাঙ্গুলী

অলংকরণ – সৌরভ দে 

“দেড় হাজার বছর!” আপ্রাণ চেষ্টা করেও নিজের গলা থেকে রাগ আর হতাশা সরিয়ে রাখতে পারছিলেন না হেম। “দেড় হাজার বছর ধরে চলছে পরীক্ষাটা। সবেমাত্র সেটা কিছু সত্যিকারের ফলাফল দিতে শুরু করেছে। তখনই সেটা এভাবে থামিয়ে দেওয়া যায় না। আপনি এরকম কিছু করতে পারেন না কম্যান্ডার!”

     “যায়।” শক্ত গলায় বলেন গোরাম। “এবং আমি পারি।”

[আরো পড়ুন]

নক্ষত্রের আলো – আইজাক আসিমভ

নক্ষত্রের আলো

মূল লেখক – আইজাক আসিমভ

বাংলা অনুবাদ -‌ সুদীপ্ত চক্রবর্তী

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য 

থাগুলো একেবারে পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট ভাবেই আর্থার ট্রেন্টের কানে প্রবেশ করল। শব্দগ্রাহক যন্ত্রটির ভেতর থেকে ভারী ও রাগত গলার স্বরটা যেন বুলেটের মতো ছিটকে বেরিয়ে এসে তাকে বিদ্ধ করছিল।

     ‘‌ট্রেন্ট, তোমার পালাবার কোনও পথ নেই। আর ঘণ্টা দুয়েকের [আরো পড়ুন]

আতঙ্ক সেই সংকেত

আতঙ্ক সেই সংকেত

মূল রচনা – গেলর্ড সাবাটিনি

বাংলা অনুবাদ – সৌমেন চ্যাটার্জি

অলংকরণ – সৌমেন চ্যাটার্জি

 

মার নাম জেমস কার্টিস। পেশায় আমি একজন সাংবাদিক। দাঁড়ান… দাঁড়ান, এখুনি উইকিপিডিয়া খোলার দরকার নেই। কারণ আমি যে পত্রিকার সাংবাদিক, হাতে গোনা কিছু মানুষ সেই কাগজ পড়েন। তবে হ্যাঁ, যারা এই কাগজের পাঠক তাদের কাছে এর কদর বেশ ভালোই। কাগজটার [আরো পড়ুন]

দ্য গান

দ্য গান

ফিলিপ কে. ডিক

রূপান্তর : মারুফ হোসেন

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

 

ফোকাস ঠিক করে নিয়ে টেলিস্কোপের আইপিসে চোখ রাখলেন ক্যাপ্টেন।

     ‘পারমাণবিক ফিশনই (বিভাজন) দেখেছিলাম আমরা,’ টেলিস্কোপে চোখ রেখে বললেন তিনি। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আইপিসটা সরিয়ে দিলেন চোখের সামনে থেকে। ‘কেউ চাইলে নিজের চোখে দেখে নিতে পার। কিন্তু দৃশ্যটা খুব একটা সুখকর নয়।’

  [আরো পড়ুন]

ওটা ভালোদের জায়গা নয়

ওটা ভালোদের জায়গা নয়

লেখক – প্রতিম দাস

অলংকরণ – প্রতিম দাস

 

ন্ধকার ঘরে একটা মোমবাতি জ্বেলে উইজা বোর্ডের সামনে একা বসেছিল অজয়। ‘হে আত্মাগণ কেউ কি আমার কথা শুনতে পাচ্ছো? কিছু একটা সংকেত দেখাও যাতে আমি কাজলের সঙ্গে কথা বলতে পারি। একটা কিছু চিহ্ন দাও। প্লিজ! প্লিজ!!’

     গোটা তিনেক সজোরে ধাক্কা মারার শব্দ শোনা গেল কোথাও।

     টানটান হয়ে বসলো অজয়। ‘তুমি [আরো পড়ুন]

ভলতেয়ারের ভিনগ্রহী

ভলতেয়ারের ভিনগ্রহী

লেখক – সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়

অলংকরণ – সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়

“There are truths which are not for all men, nor for all times.”

-–- Voltaire’s Letter to François-Joachim de Pierre, cardinal de Bernis (23 April 1764)

ষ্টাদশ শতাব্দীর প্রারম্ভিক অধ্যায়, সময়টা ছিল যুক্তি তর্কের বদলে প্রজন্মান্তরের জগদ্দল চিন্তার ভার বয়ে চলার। চার্চ এবং রাষ্ট্র তাদের পেশীশক্তির আস্ফালনে তখনও টুঁটি টিপে রেখেছে সাধারণ মানুষের। [আরো পড়ুন]

Read more →

সত্যজিতের ছবির কল্পবিশ্ব

লেখক – ঋদ্ধি গোস্বামী

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

ত্যজিৎ রায়কে ছেলেবেলার অনেকটা সময় একলা কাটাতে হয়েছে। মাত্র আড়াই বছর বয়সে তাঁর পিতৃবিয়োগের পরে তাঁর মা সুপ্রভা রায় তাঁকে ৬ বছর পর্যন্ত বাড়িতেই নানা বিষয় পড়িয়েছেন। নিজের স্মৃতিকথায় সত্যজিৎ বলেছেন যে দিনের অনেকটা সময় তাঁর কাটত বই পড়ে ও আত্মীয়দের কাছে গল্প শুনে। এইসব গল্পের বইয়ের [আরো পড়ুন]

Read more →

অপার্থিব মেধার সন্ধানে

লেখক – সনৎ কুমার ব্যানার্জ্জী

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

পর্ব ৪

অসৌরগ্রহ

 

“হ্যাঁ, তোমার প্রশ্নটা আমার মনে আছে। সৌরমণ্ডলের গ্রহগুলো বাদ দিয়ে আমাদের এই গ্যালাক্সির অন্যান্য তারাদের যে গ্রহ আছে যাদেরকে এখন আমরা Extra-solar planets বা Exoplanets বলি বা বাংলায় অসৌরগ্রহ বলা যেতে পারে – তাদের সন্ধান কীভাবে পাওয়া গেল? তাই তো?” –বরকুমরিফ-এর পাউচ থেকে তামাক [আরো পড়ুন]

Read more →

মঙ্গল গ্রহে জীবনের সন্ধান

লেখক – ডক্টর দিলীপ রায়চৌধুরী

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

 

“মঙ্গল গ্রহের ওপর মহাকাশযান নামানো সহজ নয়”

দীর্ঘ দিন ধরে আকাশের একটি গ্রহ সম্পর্কে জ্যোতির্বিদরা অত্যন্ত কৌতূহলী। রক্তবর্ণ এই প্রতিবেশী গ্রহটির নাম রোমানরা দিয়েছিল মার্স, যার অর্থ ‘যুদ্ধদেবতা।’ আমরা বলি মঙ্গল। এটি ছোট একটি গ্রহ, ব্যাস মাত্র ৬,৮০০ কিলোমিটার। সূর্য [আরো পড়ুন]

Read more →

বিজ্ঞানী ঘনাদা

লেখক – ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

-না-দা!

     ছোটদের কাছে একটা দারুণ নাম—যাঁর চলনে বলনে ছড়িয়ে আছে মজা—মজা—আর মজা! শুধু ছোটরা কেন, আমরা, বড়রাও কি তার রস থেকে বঞ্চিত? নিশ্চয়ই নয়।

     কিন্তু শুধুই কি মজা? না, ভালো করে পড়লে দেখা যাবে ওই বিচিত্র চরিত্রটির মধ্যে এমন কতকগুলি জিনিস ছড়িয়ে আছে যা পড়ার পর মজা হয়তো ঠিকই [আরো পড়ুন]

Read more →

লাল মাটির জগৎ

লেখক – সুমন দাস

অলংকরণ – সুমন দাস

 

|| ১ ||

        “মেরে মঙ্গলে পাঠিয়ে দেব”

        আমাদের এক মামাতো দাদা ছিল, মলয়দা, ছোটবেলায় মামাবাড়ীতে আমরা কয় ভাইবোনের খেলার পান্ডা, অর্থাৎ কি না ‘কেল্টুদা’ টাইপের মানুষ ছিল সে। আমাদের ওপর রেগে গেলেই সে এই ভয়ের কথাটি শোনাত। আর খুব খুশি হলেই ক্রমাগত বলে যেত – অলিম্পাস, অলিম্পাস, অলিম্পাস…

        না, সে পাগল নয়। পাড়াগাঁয়ে থাকা [আরো পড়ুন]

Read more →

অভিজ্ঞান রায়চৌধুরীর সাথে কল্পবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা

বর্তমান বাংলা সাহিত্যের সবথেকে সফল ও ধারাবাহিক কল্পবিজ্ঞান রচয়িতা অভিজ্ঞান রায়চৌধুরীর সাথে কল্পবিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা

অনুলিখনঃ দীপ ঘোষ ও সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায় 

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

বাংলা কল্পবিজ্ঞান নিয়ে সাম্প্রতিক একটা উৎসাহ বেশ চোখে পড়ছে। নানা ধারা উপধারার থিম বা প্লট নিয়ে এক স্বকীয় বৈশিষ্ট্য বা সিগনেচার সে খুঁজে পেয়েছে [আরো পড়ুন]

Read more →

বিতর্কঃ হুগো কি আজ আমেরিকান রাজনীতির ক্রীড়াক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে?

অনুলিখন – দীপ ঘোষ

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

অংশগ্রাহকঃ দীপ ঘোষ, ঋজু গাঙ্গুলী, বোধিসত্ত্ব চট্টোপাধ্যায়, কুনাল কর্মকার ও সোহম গুহ

পরিচয়ঃ

দীপ – কল্পবিশ্ব পত্রিকার সম্পাদক ও পাঠক।

ঋজু – কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সমালোচক।

বোধিসত্ত্ব – কল্পবিজ্ঞানের আন্তর্জাতিক স্তরের গবেষক ও সমালোচক।

কুনাল – কল্পবিজ্ঞান উৎসাহী পাঠক।

সোহম – তরুণ কল্পবিজ্ঞান লেখক ও পাঠক।

[আরো পড়ুন]

Read more →

কল্পবিজ্ঞান পরিভাষা কোষ

কল্পবিজ্ঞান পরিভাষা কোষ

সংকলক – সন্তু বাগ

ন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে আমাদের কল্পবিজ্ঞান গ্রুপে একটি খেলার আয়োজন করা হয়েছিল। খেলাটি আয়োজন করেছিলেন কল্পবিশ্বের অন্যতম সম্পাদক দীপ ঘোষ। খেলাটি হল বিভিন্ন প্রচলিত ইংরেজি কল্পবিজ্ঞান শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ তৈরির খেলা। ৩০টি ইংরেজি শব্দ দেওয়া হয়েছিল প্রতিশব্দ [আরো পড়ুন]

Read more →

ইনফোগ্রাফিক

পৃথিবীর গড় তাপমাত্রার একটি সময় সরণী

বাংলা অনুবাদ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য অক্ষরবিন্যাস – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

কমিকস

অদ্বিতীয় ঘনাদার কাহিনি – তেল

কমিকস

মানব চেয়ার

কমিকস

স্টার ওয়ার্স – দ্য ফ্রোজেন ওয়ার্ল্ড অব ওটা

কমিকস

চরম রসিকতা

   

কমিকস

সংকেত

প্রোফেসর শঙ্কুর অ্যাডভেঞ্চার – ড্রেক্সেল আইল্যান্ডের ঘটনা

লেখক – সত্যজিৎ রায় ও সুদীপ দেব

অলংকরণ – কল্যাণী রায়

 

৬ই অক্টোবর

     

     আজ আমার পঁচাত্তর বছর পূর্ণ হল। সকালে অবিনাশবাবু এসেছিলেন, আমার হাত দুটোধরে ঝাঁকুনি দিয়ে বললেন, ‘মেনি হ্যাপি ডেজ অফ দ্য রিটার্ন।’ ভদ্রলোকের হাবভাবএতই আন্তরিকতাপূর্ণ ছিল যে আমি আর ইংরেজিটা সংশোধন করলাম না।

     দেশবিদেশ থেকে বহু বিজ্ঞানী বন্ধুরা আমায় অভিনন্দন জানিয়েছে। আমার সামনেই [আরো পড়ুন]

মহাদ্রুম

লেখক – সাগরিকা রায়

অলংকরণ – সুমন দাস

পালঙ্কের সূক্ষ কারুকাজের দিকে তাকিয়ে সময় কেটে যায়। ইদানিং বাড়ির লোকজন সময় পায় না। এ ঘরে এসে তার সঙ্গে দেখা করার মতো সময় কোথায়? সবারই কাজকর্ম আছে। পড়াশোনা আছে। মাঝে মধ্যে বড় ছেলে এসে দেখা করে যায়। ক্লান্ত গলায় কৈফিয়ত দেয়—অফিসে যা কাজের চাপ! বলে পকেট থেকে রুমাল বের করে ‘এঃ হেঃ’ শব্দ করে ঘাড় গলা মুছতে [আরো পড়ুন]

বিষ পাহাড়

বিষ পাহাড়

লেখক – অরিন্দম দেবনাথ

অলংকরণ – সুদীপ্ত রায়

 

রুনিত পাহাড়ের খাড়া পাকদণ্ডী বেয়ে মহারাজ রভিরান বর্মা একাকী চলেছেন পায়ে হেঁটে। আকাশে উজ্জ্বল হোলির চাঁদ। প্রায় ন্যাড়াপাহাড়ে মহারাজ রভিরানের পূর্বপুরুষরা পাথরের গায়ে সিঁড়ির মতো ধাপ কাটিয়েছিলেন বহু যুগ আগে। এই পাথুরে সিঁড়ি গিয়েছে পাহাড় শীর্ষে এক গুহা পর্যন্ত। এই গুহার অভ্যন্তরে [আরো পড়ুন]

যতিচিহ্ন

যতিচিহ্ন

লেখক – সোহম গুহ

অলংকরণ – সুপ্রিয় দাস 

 

ভাষা একটা দুস্তর ব্যবধান হওয়ায় মাওরী সর্দারের কথা ক্যাপ্টেন জেমস কুক বুঝতে পারছিলেন না। কিন্তু গ্রামের মাঝে গোটা রাত জ্বলা অগ্নিকুণ্ডের থেকে উঠে আসা পোড়া মাংসের গন্ধ তাঁকে একটা কথাই বলছিল। এখানে মানুষের মাংস মানুষ খায়। গ্রামের আদিম পরিবেশের থেকেও তাঁর মনোযোগ বেশি আকৃষ্ট করেছিল সর্দারের গায়ের বিচিত্র উল্কি।

[আরো পড়ুন]

বৃত্ত

বৃত্ত

লেখক – দেবলীনা পন্ডা 

অলংকরণ – তৃষা আঢ্য

স্টিয়ারিং-এর ওপর হাত রেখে ঘড়িটা দেখল মেহুল। সাতটা দশ। বাইরে টিপটিপ বৃষ্টিটা হয়েই চলেছে, ধরার কোনও নাম নেই। আর হবে নাই বা কেন, আজ তেরই অগাস্ট হয়ে গেল। কলকাতাটা এইসময় ঘ্যানঘেনে বৃষ্টি, রাস্তায় উপচে আসা নর্দমার জল আর প্যাচপেচে কাদায় ভরে থাকারই কথা! তাদের কপালটাই খারাপ। কোথায় ভেবেছিল ডিসেম্বরে [আরো পড়ুন]

ইলোভাক

ইলোভাক

লেখক – অমিতাভ রক্ষিত

অলংকরণ – সুপ্রিয় দাস 

 

মাদের ‘দূরপাল্লার জাহাজ’টা ওয়ার্ম হোল থেকে বেরিয়ে স্পিড কমাল একটু। তারপরে সেটা ডানদিকে সামান্য একটু কাত হয়ে যেতেই ছবিতে হাজার বার দেখা, নীল-সবুজে মেশানো ‘ইলোভাক’-এর গোলাকার অবয়বটা চোখে এল। কী অপূর্ব দৃশ্য! এখানে মহাকাশ আমাদের মতন অত কালো দেখায় না। ‘ইলোভাক’-এর কাছাকাছি অঞ্চলে গ্রহ-নক্ষত্রের [আরো পড়ুন]

পোকা

পোকা

লেখক – রাজকুমার রায়চৌধুরী

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

 

মপিউটার টেবিলের তলা পরিষ্কার করতে গিয়ে অংশুমান বাবু পোকাটা প্রথম লক্ষ করেন৷ বিটল্‌ জাতীয় পোকা৷ অংশুমান প্রথমে ভেবেছিলেন লেডিবার্ড জাতীয় বিটল্‌৷ কিন্তু লেডিবার্ডের স্পট এটার গায়ে নেই৷ ঝাঁটা দিয়ে পোকাটা তাড়াবার কথা মনে হলেও ভাবলেন থাক৷ পোকাটা দেখতে বেশ টকটকে লাল, [আরো পড়ুন]

রোহিণী

রোহিণী

লেখক – পার্থ সেন

অলংকরণ – সুপ্রিয় দাস

 

বাক্যহীন প্রাণীলোক-মাঝে

এই জীব শুধু

ভালো মন্দ সব ভেদ করি

দেখেছে সম্পূর্ণ মানুষেরে;

দেখেছে আনন্দে যারে প্রাণ দেওয়া যায়

যারে ঢেলে দেওয়া যায় অহেতুক প্রেম,

অসীম চৈতন্যলোকে

পথ দেখাইয়া দেয় যাহার চেতনা।

বারেলি থেকে দুধওয়া পৌঁছতে আমার সন্ধ্যে হয়ে গেল। আমার হোটেলটা পালিয়াকালান বলে একটা জায়গায়। অপূর্ব [আরো পড়ুন]

ডরোথি

ডরোথি

লেখক – অর্ণব দাস

অলংকরণ – সুমিত রায় 

 

জকাল একদম ভালো লাগছে না শান্তনুর ব্যবহার। যখন তখন জড়িয়ে ধরে। তখন শরীরের প্রতিটা খাঁজে ওর হাত আর ঠোঁট খেলা করে। প্রতিটা রাতে শরীরটাকে ছিঁড়ে-খুঁড়ে নিজেকে অত্যন্ত গভীরে প্রোথিত করতে চায় শান্তনু। হ্যাঁ, সময় সময় ভালো লাগে ব্যাপারটা। কি এক অজানা শিহরন খেলা করে যায় রন্ধ্রে রন্ধ্রে। কিন্তু তাই বলে [আরো পড়ুন]

কে তুমি

কে তুমি

লেখক – রণেন ঘোষ

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

 

শ্রী রণেন ঘোষ                                                                                                     জানুয়ারী ১, ১৯৮১ 

১৫, লিন্টন ষ্ট্রীট,

কলকাতা – ৭০০০১৪

মহাশয়,

        আপনার লেখা ‘সময়ের রূপ’ ফেরত পাঠালাম। গল্প হিসেবে ছাপার উপযুক্ত বটে, কিন্তু তবুও ছাপা গেল না। কারণ গল্পটা ঠিক বোধহয় আপনার নয়। ১৯৬২ সালে ‘আশ্চর্য’ পত্রিকায় প্রথম [আরো পড়ুন]

আগন্তুক

আগন্তুক

লেখক – অনির্বাণ সরকার

অলংকরণ – অনির্বাণ সরকার

৩ মে, সাল ২০৪০, রাত ১২ : ৪০ এ.এম। হয়তো আজই আমার শেষ দিন। কাকতালীয়ভাবে আজ আমার জন্মদিনও। দু’বছর আগে পৃথিবী থেকে আমরা তিনজন নভশ্চর ইসরোর এই অত্যাধুনিক মহাকাশযানে রওনা হয়েছিলাম। এখন আমাদের মহাকাশযানটি বৃহস্পতির কাছে এক অজ্ঞাত ভয়ঙ্কর বিপদের সম্মুখীন। সৌরঝড় ও তা প্রতিহত করার বৈজ্ঞানিক [আরো পড়ুন]

রোঁয়া

রোঁয়া

লেখক – শাম্ব চ্যাটার্জী

অলংকরণ – সুমন দাস 

 

॥১॥

ক্রিং…ক্রিং…। রাতের নিস্তব্ধতা খানখান করে থানার ফোনটা পরিত্রাহি চিৎকার আরম্ভ করলো। হেডকনস্টেবল রামহরি সেই শব্দে টুল থেকে টাল খেয়ে পড়ার মুখে কোনওমতে সামলে নিয়ে, তড়িঘড়ি ফোনের কাছে গিয়ে রিসিভার তুলতে ওপাশ থেকে ত্রস্তস্বরে এক পুরুষকণ্ঠ ভেসে এলো, “হ্যালো, এটা কি শিলিগুড়ি থানা? [আরো পড়ুন]

জানালা

জানালা

লেখক – যশোধরা রায়চৌধুরী

অলংকরণ – সুমিত রায় 

নীরজার ঘুম ভাঙল একদম নতুন একটা জায়গায়। আগে পিছে আশেপাশে কোথাও কিচ্ছুটি নেই। আধখোলা চোখে মিটিমিটি চেয়েও একটা কোনও জিনিস চোখে পড়েনি। তাছাড়া নীরজা তো নীরজার জিনিসদের জানে, চেনে। ও তো জানে ওর সব জিনিস এলোমেলো থাকে। লাট খেয়ে খাটের একপাশে থাকে বিছানার চাদরটা। শুতে যাবার আগে কোনওওমতে সরিয়ে [আরো পড়ুন]

বীজ

 বীজ

লেখক – অরুনাভ গঙ্গোপাধ্যায়

অলংকরণ – সুপ্রিয় দাস 

 

যদি একটি চিত্রনাট্যের মতন দৃশ্যের পরে দৃশ্য দিয়ে আমরা সাজিয়ে নিই পরপর ঘটতে থাকা ঘটনাগুলিকে তাহলে প্রথমেই দেখব…

স্কাইস্কেপ জুড়ে ওরা দাঁড়িয়ে। সার বেঁধে। ওরা ঘুমোচ্ছে। রাত ঘন। এখন অন্ধকার চাপ বেঁধে আছে। খন্ডিত মৃতদেহ থেকে বেরিয়ে আসা রক্তের মতো। চাপ বেঁধে আছে। চারিদিকে নৈঃশব্দের [আরো পড়ুন]

অ্যালিবাই

অ্যালিবাই

লেখক – পরাগ ভূঞ্যা

অলংকরণ – সুমিত রায় 

 

এক

ব্দটা অনেকক্ষণ ধরে কানে বাজছে। টেবিলের ওপর ঘন ঘন আঙ্গুল চাপড়ানোর শব্দ।

     সিলিং থেকে ঝুলন্ত ল্যাম্পের আলো এসে গোল হয়ে টেবিলের ওপর পড়ে ম্রিয়মাণ হয়েছে অন্ধকারে।

     উফফ… শব্দটা ক্রমশ বিরক্তিকর হয়ে উঠছে। ইচ্ছে করছে টেবিলের ওপর রাখা পেনটা নিয়ে ঢুকিয়ে দিই সামনে বসে থাকা লোকটার মেদভর্তি ঘাড়ে। খুব [আরো পড়ুন]

ওরা হারিয়ে যায়

ওরা হারিয়ে যায়

লেখক – অয়ন অধিকারী

অলংকরণ – তৃষা আঢ্য

 

বৃষ্টিটা একটু ধরেছে এই বিকেল থেকে। লাগাতার দু-দিন ধরে এক নাগাড়ে হচ্ছে তো হচ্ছেই। মুষলধারে নয়, টিপ টিপ করে কিন্তু বিরামহীন ভাবে। এইরকম প্যাচ প্যাচে ওয়েদারে শরীরটাও ভীষণ ম্যাজ ম্যাজ করছে শিউলির। ম্যাদা মেরে বিছনায় গা এলিয়ে পরে থাকতে মন চায়। তবে মন চাইলেই তো হবে না, পেটের টান যে বড় টান। [আরো পড়ুন]

পিঁপড়ে

 পিঁপড়ে

লেখক – অদ্রীশ বর্ধন

অলংকরণ – তৃষা আঢ্য 

 

পিঁপড়ে, শুধু পিঁপড়ে। মস্ত হলঘরের যেদিকে তাকানো যায়, কেবলই পিঁপড়ে। রঙীন পিঁপড়ে—বিরঙ পিঁপড়ে, রাক্ষুসে পিঁপড়ে—লিলিপুট পিঁপড়ে, নিরামিষপ্রিয় পিঁপড়ে—আমিষলোভী পিঁপড়ে, বিষাক্ত পিঁপড়ে—নির্বিষ পিঁপড়ে। কাচের শোকেসে পিঁপড়ে, তারের খাঁচায় পিঁপড়ে, জলঘেরা দ্বীপে বন্দী পিঁপড়ে, [আরো পড়ুন]

ছায়া-কায়া

ছায়া-কায়া

লেখক – লুৎফুল কায়সার

অলংকরণ – তৃষা আঢ্য 

 

বেশ আলো-আধাঁরিময় পরিবেশ। বিশাল ঘরটাতে হালকা হলুদ রঙয়ের ডিমলাইট জ্বলছে। পুরো ঘর জুড়ে অনেকগুলো পুরুষ ম্যানিকুইন দাঁড় করিয়ে রাখা। আবছা আলোতে এই ম্যানিকুইনগুলোর দিকে তাকালে শরীরটা কেমন যেন শিউরে ওঠে!

     এই আধো আলোতেই সমানে পিৎজা খেয়ে চলেছেন ওসমানী সাহেব। সামনে বসে থাকা পিৎজা-বয়টি একাধারে অবাক, বিরক্ত এবং কিছুটা ভীত!

[আরো পড়ুন]

অন্ধকারের উৎস হতে

অন্ধকারের উৎস হতে

লেখক – সৌম্য সুন্দর মুখোপাধ্যায়

অলংকরণ – সুদীপ্ত রায়

 

মাকে হাসতে দেখে ফকির আলি রেগেই গেল। বলল, “আপনারা এসবের কতোটুকু জানেন? এই শহরের অফিস আর বাড়ি আর টুকটাক দোকানপত্র আর ছুটিছাটায় পুরী কি সিমলা কি দার্জিলিং—আপনাদের দুনিয়া তো এইটুকুই।”

     তার ধমক খেয়ে আমি হাসি কমালাম। ফকির আলি লোকটি বেশ ভালো; আমাদের বাড়িতে তার যাতায়াত আছে। তার বদগুণ [আরো পড়ুন]

চোখের আলোয়

চোখের আলোয়

লেখক – দ্বৈতা হাজরা গোস্বামী

অলংকরণ – সুমিত রায় 

য়ানক একটা হুড়মুড় শব্দে কাকোর ঘুমটা ভেঙে গেল।

     কাকোদের পাড়ায় গাছ কাটা হচ্ছে। কাকো আর নিনি বস্তিতে থাকে। কাকোর বয়স সাত, কাকোর দিদি নিনির বয়স দশ। ওদের শহরের রাস্তাগুলো ঢেউ খেলানো। দূরে অনেক পাহাড় দেখা যায়। মাঝে মাঝে পাহাড়ের মাথায় গোলাপি মেঘ দেখা যায়। এখনও অনেক গাছ আছে শহরে কিন্তু কাকোর দিদি [আরো পড়ুন]

বৃষ্টি যেখানে একা

লেখক – পরীক্ষিৎ দাস

অলংকরণ – সুপ্রিয় দাস

ল্যান্ড রোভারের ভিতর আমার খুব প্রিয় একটা গান বাজছে। এখানে আসার সময়ে আমার পছন্দের বেশ কিছু গান একটা পেনড্রাইভে ভরে নিয়ে এসেছিলাম। শহর নিয়ে লেখা গানটার এই লাইনগুলো শুনলেই খালি মনে হয় এখানে সবকিছু আছে। নদী, পাহাড়, জঙ্গল, মরুভূমি — সব। শুধু শহরটাই নেই। সেই কাজেই আমার, থুড়ি আমাদের এখানে আসা।

     ওরাই পাঠিয়েছে এই ঢাউস [আরো পড়ুন]

অমিতানন্দ দাশের সঙ্গে এক সান্ধ্য কল্প-আড্ডা

অনুলিখনঃ অঙ্কিতা

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

বাংলা সাহিত্যে কল্পবিজ্ঞান তখন সবে তার কৈশোর পেরিয়ে সাবালকত্ব অর্জনের পথে পা বাড়িয়েছে। সেই সময়টায় বিদেশী ক্লাসিক্যাল এবং গোল্ডেন এজ সাই ফাই থেকে প্রভাবিত এক ঝাঁক তরুণ তুর্কী আমাদের মাতৃভাষায় এই প্রায় আনকোরা ধারার সাহিত্যে নতুন প্লট এবং ফর্ম বা লেখনশৈলী আনার চেষ্টা করছিলেন। এদের [আরো পড়ুন]

Read more →

একটি অপরাহ্নে রাজেশ বসুর সঙ্গে

একটি অপরাহ্নে রাজেশ বসুর সঙ্গে

লেখা – প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

অলংকরণ – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য্য

 

দুপুর থেকে বিকেল গড়িয়েছে সবে। মুখোমুখি হলাম রাজেশ বসুর।

     তাঁর লেখা আমরা পড়েছি। ‘নেফ্রিখেফের কবল’ কিংবা ‘মহাকাশের মৃত্যুদূত’-এৱ মতো আরও কত বই! টানটান ভঙ্গিতে তাঁর লেখায় টেনে রাখেন রাজেশবাবু। মূলত কল্পবিজ্ঞানেই তাঁর উৎসাহ। তাই ‘কল্পবিশ্ব’-র তরফ থেকে তাঁর [আরো পড়ুন]

Read more →

গ্রন্থ সমালোচনা – অপার্থিব – অনিন্দ্য সেনগুপ্ত

অপার্থিব

লেখক – অনিন্দ্য সেনগুপ্ত

প্রকাশ – ২০১৭

প্রকাশক – বৈভাষিক

মূল্য – ১৮০

সাহিত্যের বিভিন্ন বিভাগগুলোর মধ্যে আমার ব্যক্তিগত পছন্দ হল – থ্রিলার। সে ফিকশন হোক বা নন-ফিকশন, পেলেই গোগ্রাসে গিলি। ‘অপার্থিব’-র ব্লার্বটা পড়ে আমার মনে হয়েছিল এটা একটা সায়েন্স ফিকশন থ্রিলার – যে বিষয়ে খুব বেশি বই আমি আজ অবধি পড়িনি। এই ব্যাপারটাই আমায় [আরো পড়ুন]

Read more →

সায়েন্স ফিকসনের সুলুক সন্ধান

লেখক – কুণাল কর্মকার

১। আন্ডারগ্রাউন্ড এয়ারলাইন্স – বেন এইচ উইন্টার্স

২০১৬ সালে প্রকাশিত।

পৃষ্ঠ সংখ্যা – ৩২৭

প্রকাশক – মালহলান্ড (হ্যাচেট)

Kindle বা অন্যান্য e-book format এ পাওয়া যাচ্ছে।

ভাবুন তো আজকের দিনে যদি ক্রীতদাস প্রথা থাকত তাহলে তার স্বরূপ কেমন হত? সন্ধান পাবেন এই উপন্যাসটিতে। Alternate History যেখানে আমেরিকার গৃহযুদ্ধ হয়নি।

উপন্যাসটি ২০১৬ সালে Sidewise Award for Alternate History [আরো পড়ুন]

Read more →

গ্রন্থ সমালোচনা – থ্রি-বডি সিরিজ-সিক্সিন লিউ

লেখক – গোপাল কৃষ্ণ বর্মণ

উপন্যাসদ্য থ্রি বডি প্রবলেম 

লেখক – সিক্সিন লিউ

জঁরসায়েন্স ফিকশন 

উপন্যাসটি ২০১৫ সালে হিউগো পুরষ্কার পেয়েছিল। 

 

উপন্যাসদ্য ডার্ক ফরেস্ট

লেখক – সিক্সিন লিউ

জঁরসায়েন্স ফিকশন 

 

উপন্যাসডেথ’স এন্ড

লেখক – সিক্সিন লিউ

জঁরসায়েন্স ফিকশন 

ঠাৎ করেই হাতে পেলাম এই থ্রি-বডি সিরিজ। সময় লাগলো পড়তে। তিনটে বই – তিনটেরই আয়তন বেশ ভালো।

[আরো পড়ুন]

Read more →

error: Content is protected !!