কেমন আছেন বন্ধুরা? আজ স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালেও যেন এক বড় কঠিন সময়ের টানেলের ভিতরে ঢুকে পড়েছে আমাদের দেশ। কিন্তু মানব সভ্যতা শেষ পর্যন্ত সেই টানেলের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসবই, এই আত্মবিশ্বাস আমাদের রয়েছে। আবারও এক রৌদ্রস্নাত পৃথিবীতে দেখা হবে। আপাতত অপেক্ষা আর সাবধানতা অবলম্বন করা ছাড়া উপায় নেই।

     ১০,০০০ বছর আগে মানুষ কৃষিজীবী হয়। আর তখনই [আরো পড়ুন]

Read more →

অনুবাদ, মৌলিক গল্প ও প্রবন্ধের সমাহার

শ্যাতোয়ান্ত
১. শ্যাতোয়ান্ত
সকালটা প্রায় শেষ যাচ্ছিল যখন মিস্টার শ্যাতোয়ান্ত বলল, “জানালার পর্দা খুলে দাও।”
     এতক্ষণ যা মনে হয়েছিল দেয়াল­— যাতে সাঁটা ছিল বহু বিমূর্ত ছবি— তা মিলিয়ে গিয়ে দেখা দিল জানালার বাইরে পেঁজা
স্বাধীনতার সাধ
(১)
সাঁই! ঠাং!...ধড়াম!
     তিনটে শব্দ, তারপর কয়েক সেকেন্ডের পিন ড্রপ সাইলেন্স, আর এরপরই তুমুল হুল্লোড় আর উচ্ছ্বাসের বিস্ফোরণ! আর সঙ্গে সঙ্গে চলছে বিজেতার জয়ধ্বনি— “স্টিংগার! স্টিংগার! স্টিংগার!” এরিনার
ঊর্মিলা
একটা সুদৃশ্য কার্ডবোর্ড আর প্লাস্টিকের তৈরি বাক্সের মধ্যে শুয়ে ঘুমোচ্ছিল সে। টানা আট ঘণ্টা চার্জ দেওয়ার পরে সে যখন আস্তে আস্তে তার কৃত্রিম অক্ষিপল্লব তুলল, আমি তাকালাম তার নীলমণি চোখের দিকে। সেই চোখে ভাষা সেই,
মা
মিসেস ত্রিনিতা হাতের ভেজা প্লেটটা মুছতে মুছতে জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন। রাস্তায় ইদানীং আর তেমন কেউ থাকে না। নিরাপত্তা রোবটগুলো শুধু নিয়ম করে চৌকি দেয়। গায়ে থাকে স্টাইরোফোমের তৈরি শিল্ড। দেখতে সার্কাসের সঙের মতো হাস্যকর
ফাংগাস
প্রথম পর্ব: ওরা ছড়িয়ে পড়ল
 
এক
কলকাতা, মঙ্গলবার, সন্ধে পাঁচটা কুড়ি মিনিট
বাড়ি ফেরার পর সঞ্জয় সেন আচমকা ধাক্কার কথাটা ভুলেই গেছিল। এসপ্ল্যানেডের মোড়ে ধাক্কাটা লেগেছিল ভদ্রমহিলার সঙ্গে। ধাক্কা না
প্রথম বাংলা তথা ভারতীয় কল্পবিজ্ঞানের সন্ধানে
কল্পবিজ্ঞানের আলোচনায় অবশ্যই যে দুটি প্রশ্ন আজও বন্ধুবিচ্ছেদের কারণ হয়, তার একটি যদি হয়— প্রোফেসর শঙ্কু কল্পবিজ্ঞান কিনা, অন্যটি অবশ্যই হবে— প্রথম বাংলা কল্পবিজ্ঞানের নাম।
কর্কটকাল
“পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন;
মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে।”
সেই কোনকালে জীবনানন্দ ‘সুচেতনা’ কবিতায় এই কথাগুলো বলে গেছিলেন! কথাটা কিন্তু খুব সত্যি। যতবারই ধ্বংসের মুখোমুখি হই না কেন আমরা— বেঁচে থাকার মতো প্রাণশক্তি

অসামান্য প্রচ্ছদ এঁকে সংখ্যাটিকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তুলেছেন শ্রী গৌতম মণ্ডল (রনিন)।

ফাংগাস

প্রথম পর্ব: ওরা ছড়িয়ে পড়ল

 

এক

কলকাতা, মঙ্গলবার, সন্ধে পাঁচটা কুড়ি মিনিট

বাড়ি ফেরার পর সঞ্জয় সেন আচমকা ধাক্কার কথাটা ভুলেই গেছিল। এসপ্ল্যানেডের মোড়ে ধাক্কাটা লেগেছিল ভদ্রমহিলার সঙ্গে। ধাক্কা না বলে তাকে ‘কলিশন’ বলা উচিত। যা ভিড় জায়গাটায়। ক্যাসেটের একফালি দোকান থেকে ভেসে আসছে উৎকট গানবাজনা। মাথা ঠিক রাখা যায় না। 

     মেজাজ খিঁচড়ে [আরো পড়ুন]

রবিকিরণ দাশগুপ্তের কেস-ডায়েরি

কেস এন্ট্রি: ১৮

মে, ২০৯১

ঘরে ঢুকে দেখলাম কর্নেল আয়ার বসে আছেন মেরুদণ্ড সোজা করে। তাঁর মুখ দেখে মনে হচ্ছিল তিনি একটু বিরক্ত। সেটা অস্বাভাবিক নয়; উচ্চপদস্থ অফিসার তিনি; আমার জন্য পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করাকেও তিনি সময় নষ্ট মনে করতেই পারেন।

     আমাকে দেখে কর্নেল আয়ার বললেন, “এই যে দাশগুপ্তা। মেল পেয়েছেন নিশ্চয়ই। রেডি তো?”

     আমি বললাম, “হুঁ, রেডি তো হয়েই আছি। গাড়ি এনেছেন?”

[আরো পড়ুন]

স্বাধীনতার সাধ

(১)

সাঁই! ঠাং!…ধড়াম!

     তিনটে শব্দ, তারপর কয়েক সেকেন্ডের পিন ড্রপ সাইলেন্স, আর এরপরই তুমুল হুল্লোড় আর উচ্ছ্বাসের বিস্ফোরণ! আর সঙ্গে সঙ্গে চলছে বিজেতার জয়ধ্বনি— “স্টিংগার! স্টিংগার! স্টিংগার!” এরিনার চারটে জায়ান্ট স্ক্রিনে বারবার দেখানো হচ্ছে যে কিছুক্ষণ আগে স্টিংগার কীভাবে অভাবনীয় ক্ষিপ্রতার সঙ্গে তার প্রতিপক্ষকে ‘স্টিং’ দিয়ে গেঁথে মাটিতে [আরো পড়ুন]

ছাল

এখন কেমন লাগছে বলুন তো?

     মনীষার হাতের উপর নখ দিয়ে হালকা আঁচড় দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলেন ডক্টর অমিতাভ সেন। কলকাতা তথা ভারতের অন্যতম সেরা ডার্মাটোলজিস্ট। সাদা বাংলায় যাকে বলে স্কিনের ডাক্তার।

     না স্যার, কোনও সেন্স পাচ্ছি না তো!— বলল মনীষা।

     স্ট্রেঞ্জ! এরকম কেস তো দেখিনি আমি আগে! স্কিন তো নর্মাল লাগছে। তাও সেন্স কেন আসছে না?— অনেকটা যেন নিজেরই [আরো পড়ুন]

Read more →

অগোচরে

“তুমি তো নিশ্চয়ই কফি খেতে যাবে না?”

     প্রশ্নটার মধ্যেই উত্তরটা লুকানো আছে যেন। একটু হেসে মাথা নেড়ে “নাহ্” বলল শিরিন। সিনিয়ররা চারজন ওর জন্যে অপেক্ষা না করে বেরিয়ে গেল ল্যাবরেটরির কাচের দরজা ঠেলে।

     শুক্রবার রাত আটটা। ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইনফেকশাস ডিজ়িজ়ের বারান্দাগুলো এমনিতে সুনসান হয়ে যেত এতক্ষণে। ইটালির ত্রিয়েস্তে শহরের [আরো পড়ুন]

Read more →

প্রহর

(১)

আমার সামনে একদিকে দিগন্তবিস্তৃত সফেন নীল জলরাশি, অপর প্রান্তে ধূসর সবুজ স্থলভাগের ক্ষীণ রেখা। আমার জন্মভূমি, আমার স্বদেশ। প্রায় ছ-টি মাসের সুদীর্ঘ জলবাসের পর একটাই প্রতীক্ষা থাকে সবার মনে, ঠিক কবে বাড়ি ফিরতে পারব। শেষের কয়েকটি দিনের অন্তহীন অপেক্ষার প্রহর যেন ফুরাতেই চায় না। আমরা সমুদ্র যাত্রীরা, একে অপরকে এই বলে আশ্বাস দিই যে আর তো মাত্র [আরো পড়ুন]

Read more →

মা

মিসেস ত্রিনিতা হাতের ভেজা প্লেটটা মুছতে মুছতে জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন। রাস্তায় ইদানীং আর তেমন কেউ থাকে না। নিরাপত্তা রোবটগুলো শুধু নিয়ম করে চৌকি দেয়। গায়ে থাকে স্টাইরোফোমের তৈরি শিল্ড। দেখতে সার্কাসের সঙের মতো হাস্যকর লাগে। কিন্তু কিছু করার নেই। ম্যাগনেটারের ভয়ংকর চৌম্বক তরঙ্গের হাত থেকে বাঁচতে হবে। সেজন্যই এই শিল্ড।

     রাস্তায় দুটো [আরো পড়ুন]

Read more →

শ্রমিক ধাবা

গ্রাম: চারিদা, পুরুলিয়া, পশ্চিমবঙ্গ

এপ্রিল, ২০২০

পৃথিবী ধুঁকছে এক ভয়ানক মৃত্যুব্যাধিতে। পুরুলিয়ার এই প্রত্যন্ত গ্রামে করোনা অতিমারী এখনও মানুষের শরীরে থাবা বসায়নি। সে আসলে থাবা বসিয়েছে দরিদ্র মানুষের মনের গভীরে। কিছু কিছু ঘরে বিদ্যুৎ নেই বহুদিন। কালো ছায়া আর ঘেমো গন্ধ সেখানে জড়াজড়ি করে বেঁচে আছে। গ্রামের পোড়ো শিবমন্দিরটাও অন্ধকারে ভূতের [আরো পড়ুন]

Read more →

ঊর্মিলা

একটা সুদৃশ্য কার্ডবোর্ড আর প্লাস্টিকের তৈরি বাক্সের মধ্যে শুয়ে ঘুমোচ্ছিল সে। টানা আট ঘণ্টা চার্জ দেওয়ার পরে সে যখন আস্তে আস্তে তার কৃত্রিম অক্ষিপল্লব তুলল, আমি তাকালাম তার নীলমণি চোখের দিকে। সেই চোখে ভাষা সেই, নেই প্রাণোচ্ছাস। তারপর, সম্পূর্ণ সচল হয়ে সে বলল, “শুভ রাত্রি, প্রবাল। আমি ঊর্মিলা।’’ তার ঠোঁটের নীচে লুকনো একটা স্পিকার থেকে বেরিয়ে [আরো পড়ুন]

Read more →

এল ডোরাডো

অরিজিৎ যখন ক্যানেল পার থেকে ফিরছিল তখন রাত এগারোটা বেজে গেছে। রোহনের বাড়িতে এতটা রাত হয়ে যাবে ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি সে। আসলে রোহন কালই কলকাতা চলে যাচ্ছে। একটা নিউজ চ্যানেলের ওয়েব ডিজাইনিং-এর কাজ পেয়েছে সে। এমটেক করেও এতদিন বসেছিল স্রেফ একটা ভালো মনমতো কাজ পাওয়ার জন্যই। নয়তো অনেক ক’টা জবের অফার রোহন পেয়েছিল। যে কাজটা এখন পেয়েছে তার চেয়েও বড় কোম্পানিতে [আরো পড়ুন]

Read more →

শ্যাতোয়ান্ত

১. শ্যাতোয়ান্ত

সকালটা প্রায় শেষ যাচ্ছিল যখন মিস্টার শ্যাতোয়ান্ত বলল, “জানালার পর্দা খুলে দাও।”

     এতক্ষণ যা মনে হয়েছিল দেয়াল­— যাতে সাঁটা ছিল বহু বিমূর্ত ছবি— তা মিলিয়ে গিয়ে দেখা দিল জানালার বাইরে পেঁজা তুলোর মতো বাতাসে তুষার কণার বিচলন। ঘরের ভেতর বাজছিল জোহান সেবাস্টিয়ান বাখের ‘বাতাস’। রাস্তার ওপাড়ে এক বহুতল বাড়ির ২৬তম তলা। ফ্রিজ খুলে কমলার [আরো পড়ুন]

Read more →

অতিমারী ও মানবসভ্যতা: ভূত ও ভবিষ্যৎ

১১ মার্চ, ২০২০: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গ্যানাইজেশন বা সংক্ষেপে হু) ঘোষণা করল পৃথিবীতে এক এমন ভাইরাসের দাপট শুরু হয়ে গেছে, যার কোনও প্রতিষেধক মেডিকেল সায়েন্সে এখনও নেই। অর্থাৎ এই ভাইরাসকে অকেজো করে দেওয়ার মতো ভ্যাকসিন বা ওষুধ দুটোই আপাতত মানুষের অধরা। সাধারণত কোনও দেশে বা বিশেষ কোনও গোষ্ঠী কিংবা ভূখণ্ডে এধরনের কোনও অজানা [আরো পড়ুন]

Read more →

প্রথম বাংলা তথা ভারতীয় কল্পবিজ্ঞানের সন্ধানে

কল্পবিজ্ঞানের আলোচনায় অবশ্যই যে দুটি প্রশ্ন আজও বন্ধুবিচ্ছেদের কারণ হয়, তার একটি যদি হয়— প্রোফেসর শঙ্কু কল্পবিজ্ঞান কিনা, অন্যটি অবশ্যই হবে— প্রথম বাংলা কল্পবিজ্ঞানের নাম। এই প্রবন্ধে উপযুক্ত তথ্য ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছি।

     এই আলোচনায় কল্পবিজ্ঞান না হলেও প্রথমেই উঠে আসবে কৈলাস চন্দ্র দত্তের [আরো পড়ুন]

Read more →

কর্কটকাল

“পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন;

মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে।”

সেই কোনকালে জীবনানন্দ ‘সুচেতনা’ কবিতায় এই কথাগুলো বলে গেছিলেন! কথাটা কিন্তু খুব সত্যি। যতবারই ধ্বংসের মুখোমুখি হই না কেন আমরা— বেঁচে থাকার মতো প্রাণশক্তি ঠিক পেয়ে যাই কোনও না কোনও সূত্র থেকে। এই অক্সিজেনের জোগান দেওয়ার কাজে মস্ত ভূমিকা নেয় বইপত্রও। ঘরবন্দি অবস্থায় গত কয়েকমাসে [আরো পড়ুন]

Read more →

গোরস্থান হল পৃথিবী

মৃত্যু আর কি এমন খারাপ? আসলে এর প্রচারটাই ঠিকমতো হয়নি কখনও।

     সমস্যার সূত্রপাত হিসেব রাখার নতুন যন্ত্রটা থেকেই হয়েছিল। একটা ট্রানজিসটর পুড়ে গেছিল বা ওই দাঁতওয়ালা চাকতিটা দু’ঘর পিছলে গেছিল। তাতেই ভুলটা হল, দশমিকটাও দু’ঘর পরে গিয়েই বসল। এটাই বিচিত্র যে পশ্চিমের অত বড় কফিন প্রস্তুতকারী সংস্থা হয়েও ভুলটা কিন্তু কীভাবে যেন এতগুলো মানুষের চোখ [আরো পড়ুন]

Read more →

যুগলবন্দি

অডিটোরিয়ামে আজ তিল ধারণের জায়গা নেই! সমস্ত সিট ভরতি, সিটের সারির মাঝের প্যাসেজের মেঝেতেও লোক বসে রয়েছে ঠাসাঠাসি করে। এমনকী ওপরের ব্যালকনিতে উপচে পড়ছে ভিড়। মানুষের মাথার ওপর দিয়ে রোটরের শব্দ তুলে ওড়ে ক্যামেরা ড্রোনের ঝাঁক, স্টেজের সামনে বকের মতন লম্বা পায়ে হেঁটে পজিশন ঠিকে করে অটো-ক্যামেরার দল।

     একসঙ্গে এত মানুষের ভিড় এ শহর বোধহয় বিগত কয়েক [আরো পড়ুন]

Read more →

স্পন্দন সিরিজ – প্রথম প্রাণের স্পন্দন ও আমরা (পর্ব ২)

ক্যামেরার লেন্সটা অ্যাডজাস্ট করতে করতে সোমেশ বলল, ‘স্যার, আপনি রেডি তো? আমরা কিন্তু আর তিন মিনিটের মধ্যে শুরু করব।’

     অধ্যাপক সূর্যশেখর তাঁর চশমাটা ঠিক করে নিলেন। বললেন, ‘হ্যাঁ, আমি রেডি, তোমরা শুরু করো।

     সোমেশ গার্গীর দিকে চেয়ে বলল, ‘তুই বরং ইন্টারভিউ এর স্ক্রিপ্টে একবার ফাইনাল চোখ বুলিয়ে নে, আমি টেকনিক্যাল ব্যাপারটা দেখছি।’ গার্গী ‘ওকে’ [আরো পড়ুন]

Read more →

অপার্থিব মেধার সন্ধানে

আন্তঃনক্ষত্র যোগাযোগ

আজ সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় রবিবার। আগামী শুক্রবার প্রফেসর মহাকাশ ভট্ট ফিলাডেলফিয়া চলে যাচ্ছেন। আগে ঠিক ছিল সামনের বছর মার্চ-এপ্রিলে ফিরে আসবেন। এখন নিজেই বুঝতে পারছেন না কবে নাগাদ ফিরতে পারবেন।

     আমি যখনই আসি স্যারের সঙ্গে হয় লাঞ্চ নয় ডিনার করতেই হয়। আজকের লাঞ্চে মেনু ছিল পোলাও, মাছের চপ, কষা মাংস, আমসত্ত্বের চাটনি [আরো পড়ুন]

Read more →

পুস্তক পরিচিতি – চারটি অতিমারী থিমের উপন্যাস

এবারের আলোচিত গল্পগুলির থিম অতিমারী বা মহামারী৷

 

১) দ্য মাস্ক অ রেড ডেথ এডগার অ্যালান পো

শহরে মড়ক লেগেছে মড়ক৷ রেড ডেথ৷ আধঘণ্টার মধ্যে অতিযন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু৷ শহরাধিপতি প্রিন্স প্রস্পেরো-র অবশ্য তাতে কিছু যায় আসে না৷ তিনি তার সভাসদরা এবং শহরের ধনিক-শ্রেণী একটি মঠের দখল নিয়ে,বাইরের জগতের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন৷ খাবার, বিলাস-ব্যসন কোনও [আরো পড়ুন]

Read more →

error: Content is protected !!