প্রিয় বন্ধুরা, বেশ কিছুদিন পরে আপনাদের কাছে ফিরে এলাম কল্পবিশ্বের নতুন সংখ্যা নিয়ে। কিন্তু এই নতুন সংখ্যা প্রকাশের মধ্যেও আনন্দিত হতে পারছি কই? শুধু আমাদের দেশ নয়, সমগ্র মানব সভ্যতা আজ এসে দাঁড়িয়েছে এক অভূতপূর্ব বিপদের সামনে। আমাদের বাসগ্রহে মারী সংক্রমণ আজ, সেই গভীর অসুখে তথাকথিত সভ্যতার পিঠ আক্ষরিক ভাবে ঠেকে গিয়েছে এক অকল্পনীয় জগতের দেয়ালে। [আরো পড়ুন]

Read more →

অনুবাদ, মৌলিক গল্প ও প্রবন্ধের সমাহার

ক্যালাইডোস্কোপ - রে ব্র্যাডবেরি
যেন কোনও এক অদৃশ্য দানবের কোপ। তারই প্রথম ঝটকায় উপর থেকে ফর্দাফাঁই হয়ে গেল রকেটটা! আর ভিতরের মানুষগুলো খলবলে রঙিন মাছের ঝাঁকের মতো ছড়িয়ে পড়ল মহাকাশের শূন্যতায়। অন্ধকারের এক নিঃসীম সমুদ্রের
বিধুশেখর
সুমন্তবাবুর মন খারাপ। আজ বিকেলে বাস থেকে নামতে গিয়ে পড়ে গেলেন। চোট খুব একটা লাগেনি। কিন্তু বুঝতে পারছেন একটু সাবধানে চলাফেরা করা দরকার। সুমন্তবাবু থাকেন বেহালা চৌরাস্তার কাছে। আজকাল এখানে রাস্তায় চলাফেরা করাই
ফস্কা গেরো - আর্থার সি. ক্লার্ক
মাননীয় সম্পাদক মহাশয়,
সম্মিলিত বৈজ্ঞানিক পর্ষদ
     আপনার পাঠানো সংবাদ থেকে জানতে পারলাম যে পৃথিবীর বাসিন্দারা পারমাণবিক শক্তি নিষ্কাশনে সমর্থ হয়েছে এবং তারা রকেট-উৎক্ষেপণ নিয়েও গবেষণা
শতাব্দীর সেরা সাক্ষাৎকার
শতবর্ষ সংখ্যা, ১৬ই মাঘ, ১৫২২ বঙ্গাব্দ
কল্পবিশ্বের এই শতবর্ষ সংখ্যার সাক্ষাৎকারে আমরা নিয়ে এসেছি একজন নয়, তিনজন জাঁদরেল সম্পাদককে। আজকের সাক্ষাৎকারটা চলবে কিছুটা আড্ডার ছলেই—হলোডেকে এই মুহূর্তে
কল্পবিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ? ভাবনায়, আঙ্গিকে
“There are but two ways of forming an opinion in science. One is the scientific method; the other, the scholastic. One can judge from experiment, or one can blindly accept authority.
গোল্ডেন এজ অব সায়েন্স ফিকশনের কয়েকজন ইলাস্ট্রেটর
সায়েন্স ফিকশন বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে অসম্ভব সব জগতের ছবি, অদ্ভুত যত ভিনগ্রহী, গ্র্যান্ড স্পেস এক্সপ্লোরেসন, দুর্দান্ত সব মহাকাশযান, নানা রঙের ভবিষ্যতের পৃথিবী, অথবা
গোল্ডেন এজ সায়েন্স ফিকশন - আইজাক আসিমভ
১৯৩৮ সালটা সায়েন্স ফিকশনের ইতিহাসে এক সন্ধিক্ষণ। ১৯২৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল কল্পবিজ্ঞান ম্যাগাজিন গার্নসব্যাকের অ্যামেজিং। তারপর থেকে এত ভালো সময় আর আসেনি।
     ১৯৩৭ সালে অ্যাস্টাউন্ডিং
ক্যাম্পবেলের সঙ্গে একটি দুপুর - ফ্রেড লারনার
The FANAC FAN HISTORY PROJECT PRESENTS
জন ক্যাম্পবেলের সাক্ষাৎকার
ফ্রেড লার্নার
সৌজন্যে - দ্য প্রিন্টেড ওয়ার্ড। বইয়ের দুনিয়ার বিভিন্ন খোঁজখবর সংক্রান্ত একটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান।
ফ্রেড
ঈশ্বরের গণিত
অধ্যায় এক
১৭ এপ্রিল, ২০৬৪ স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন; ইউএস, ক্যালিফোর্নিয়া
 
“এমিলি, কফি খাবে?” পেছনের সারি থেকে বলে ওঠে মাইক।
     “একটু পর, একটা মজার জিনিস পেয়েছি। চাইলে তুমি একা খেয়ে আসতে পারো,

অসামান্য প্রচ্ছদ এঁকে সংখ্যাটিকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তুলেছেন শ্রীমতী তৃষা আঢ্য।

ঈশ্বরের গণিত

অধ্যায় এক

১৭ এপ্রিল, ২০৬৪ স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন; ইউএস, ক্যালিফোর্নিয়া

 

“এমিলি, কফি খাবে?” পেছনের সারি থেকে বলে ওঠে মাইক।

     “একটু পর, একটা মজার জিনিস পেয়েছি। চাইলে তুমি একা খেয়ে আসতে পারো, আসার সময় আমার জন্যে এক কাপ নিয়ে এসো।”

     এমিলি, নতুন জয়েন করেছে এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের জুনিয়র পর্যবেক্ষক হিসাবে। নতুন নতুন সবারই এমন উৎসাহ উদ্দীপনা একটু [আরো পড়ুন]

শিশুটি – সাইমন রিচ

এ তো জানাই ছিল, শিশুটি এলে বেনের অফিস খানা নার্সারি হয়ে উঠবে।

     সাধের লেখালেখির রুমটিকে মিস করবে বেন, কিন্তু সে জানে, তুলনামূলকভাবে ওটা একখানা ছোট বলিদান। ওর স্ত্রী সু গত দু’বছর ধরে পেট ফাঁপিয়ে গ্যাস হওয়া সব ভিটামিন নিচ্ছে আর যোনিতে এক বুড়ো পোলিশ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের খোঁচাখুঁচি সহ্য করে যাচ্ছে। বেচারিকে এমনকী বেনাড্রিল আর ভোদকা মার্টিনিও [আরো পড়ুন]

Read more →

কাল-করোটি – ফিলিপ কে. ডিক

“কাজটা কী? সেরকম হলে ভেবে দেখতে পারি।” কনজার নড়েচড়ে বসল।

     নিস্তব্ধ ঘরে অপেক্ষমান মানুষগুলির প্রতি জোড়া চোখ এখন কয়েদীদের আধময়লা পোশাক চাপানো কনজারের ওপর নিবদ্ধ।

     বক্তা একটু ঝুঁকে বসলেন।

     “জেলে ঢোকার আগে তোমার বেআইনি কাজগুলো থেকে তো ভালোই কামাচ্ছিলে। আপাতত এখন তোমার কাছে ফুটো কড়িও নেই। তা ছাড়া, এখনও প্রায় বছর ছয়েক হাজতবাস বরাদ্দ আছে তোমার।”

[আরো পড়ুন]

Read more →

চোখের আলোয় – আইজাক আসিমভ

অ্যাডাম ওর বিগত ট্রিলিয়ন বছর ধরে সঞ্চিত স্মৃতিকে একটু একটু করে মনে করার চেষ্টা করছিল। কাজটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। অসাধারণ একটা পরিকল্পনা খেলা করছে মাথায়। যদি… যদি নতুন কিছু করা যায়! একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণহীন এক চেতনার স্রোত নিরন্তর ছড়িয়ে দিচ্ছিল মহাশূন্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। আইভি এখনও সাড়া দিচ্ছে না কেন?

‘হ্যাঁ, অ্যাডাম বল। তুমি কি প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছ?’

[আরো পড়ুন]

Read more →

ফস্কা গেরো – আর্থার সি. ক্লার্ক

মাননীয় সম্পাদক মহাশয়,

সম্মিলিত বৈজ্ঞানিক পর্ষদ

     আপনার পাঠানো সংবাদ থেকে জানতে পারলাম যে পৃথিবীর বাসিন্দারা পারমাণবিক শক্তি নিষ্কাশনে সমর্থ হয়েছে এবং তারা রকেট-উৎক্ষেপণ নিয়েও গবেষণা শুরু করেছে। আমার অনুরোধ এটিকে অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা হিসেবে গণ্য করুন। অবিলম্বে এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠান। তবে দয়া করে বেশি বড় করবেন না ।

রাষ্ট্রপতি
কে. ক. ৪র্থ

 

 

[আরো পড়ুন]

Read more →

ক্যালাইডোস্কোপ – রে ব্র্যাডবেরি

যেন কোনও এক অদৃশ্য দানবের কোপ। তারই প্রথম ঝটকায় উপর থেকে ফর্দাফাঁই হয়ে গেল রকেটটা! আর ভিতরের মানুষগুলো খলবলে রঙিন মাছের ঝাঁকের মতো ছড়িয়ে পড়ল মহাকাশের শূন্যতায়। অন্ধকারের এক নিঃসীম সমুদ্রের গভীরে ছড়িয়ে যাচ্ছিল ওরা। আর ওদের মহাকাশযানের লক্ষ কোটি টুকরো ভেসে যাচ্ছিল এমনভাবে, দেখে মনে হবে নিরুদ্দেশ কোনও সূর্যের সন্ধানে চলেছে উল্কার ঝাঁক।

     ‘‘বার্কলে, বার্কলে, তুমি কোথায়?’’

[আরো পড়ুন]

Read more →

রাতের প্রহরী – জেমস ইঙ্গলেশ

অতি তীব্র শক্তির স্রোতে মুহূর্তে সৃষ্টি হল সত্ত্বা। জড় পদার্থ থেকে সম্পূর্ণ জেগে উঠে সে চেয়ে দেখল নিজের অন্তরের ও চারপাশের জগৎটার দিকে। কিছুক্ষণ নিজের অতল স্মৃতির গভীরে তলিয়ে গেল সে। বুঝল যে এটা তার জন্মমুহূর্ত নয়, আসলে বহু যুগ ঘুমিয়ে থাকার পর এখন তার ঘুম ভেঙেছে। তার বিশাল স্মৃতির ভাণ্ডারের অধিকাংশের মানে সে বুঝল না গোড়াতে, ক্রমশ সে বোঝবার [আরো পড়ুন]

Read more →

মেশিন লার্নিং

প্রধান শিক্ষকের ঘরের সামনে এসে দাঁড়াল সহ-শিক্ষকটি। উঁকি মেরে দেখল ভেতরে তিনি ছাড়া আর কেউ নেই। এই বিদ্যালয়ে একদম নতুন এসেছে সে। আর আজকেই এই বিপত্তি।

     ‘ভেতরে আসতে পারি স্যার?’ সে বলল।

     ‘আসুন’ প্রধান শিক্ষকের গম্ভীর স্বর ভেসে এল। ‘কী ব্যাপার?’

     কীভাবে ব্যাপারটা বলবে একটু ভেবে নিল সহ-শিক্ষকটি, তারপর বলল, ‘আজ নবম শ্রেণির প্রথম পিরিয়ডটা আমার ছিল।’

     ‘জানি।’

[আরো পড়ুন]

Read more →

পাঁচটি গোল্ডেন এজ সায়েন্স ফিকশন

দ্য মার্সি়য়ান ওয়ে – আইজাক আসিমভ

১৯৫২-র নভেম্বর মাসের Galaxy Science fiction পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল উপন্যাসিকাটি৷ আসিমভ, ম্যাকার্থির কম্যুনিস্টবিরোধী অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ লিখেছিলেন গল্পটি৷

     পৃথিবী ও মঙ্গলের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে৷ জন হিল্ডার নামের এক রাজনৈতিক নেতার মতে শুক্র, মঙ্গল ও চাঁদের কলোনীগুলো, পৃথিবীর [আরো পড়ুন]

Read more →

“ভূমিকম্প” – একটি  সময়োপযোগী নিবন্ধ  

আপনার বাড়ির বিড়ালটি কি হঠাৎই অদ্ভুত আচরণ করছে? পালাতে চাইছে বাড়ি ছেড়ে? ইঁদুরগুলি কি গর্ত থেকে বেরিয়ে ইতস্ততভাবে ছোটাছুটি শুরু করেছে বিনা কারণেই? নদীর মাছ প্রাণভয় বিসর্জন দিয়ে কি ডাঙায় উঠে পড়েছে? এমন সব অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে থাকলে বুঝতে হবে লক্ষণ ভাল নয়, হতে পারে ভয়াবহ ভূমিকম্প! ‘এডুকেশন ফোরাম’ থেকে প্রকাশিত, অবিশ্বাস্য সব তথ্যে ঠাসা, “ভূমিকম্প” [আরো পড়ুন]

Read more →

কমিকস

কমিকস

দ্য মিউজিক অফ এরিক জান – এইচ পি লাভক্র্যাফট

কল্পবিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ? ভাবনায়, আঙ্গিকে

“There are but two ways of forming an opinion in science. One is the scientific method; the other, the scholastic. One can judge from experiment, or one can blindly accept authority. To the scientific mind, experimental proof is all important and theory is merely a convenience in description, to be junked when it no longer fits. To the academic mind, authority is everything and facts are junked when they do not fit theory laid down by authority.”

— Lifeline, Robert A. Heinlein (First Published in August, 1939 Issue of the Astounding Stories of Super-Science)

 

সাহিত্যে এবং সমাজের অন্তর্নিহিত মিথোস্ক্রিয়া এক বহতা নদীর মতো চলমান। তার নানা বাঁকে সমাজ বীক্ষণের নতুন আঙ্গিক অপেক্ষা করে [আরো পড়ুন]

Read more →

শতাব্দীর সেরা সাক্ষাৎকার

শতবর্ষ সংখ্যা, ১৬ই মাঘ, ১৫২২ বঙ্গাব্দ

কল্পবিশ্বের এই শতবর্ষ সংখ্যার সাক্ষাৎকারে আমরা নিয়ে এসেছি একজন নয়, তিনজন জাঁদরেল সম্পাদককে। আজকের সাক্ষাৎকারটা চলবে কিছুটা আড্ডার ছলেই—হলোডেকে এই মুহূর্তে কল্পবিশ্বের সম্পাদকের সামনে হাজির হয়েছেন—সায়েন্স ফিকশনের পিতা হুগো গার্নসব্যাক, আধুনিক সায়েন্স ফিকশনের নির্মাতা জন ক্যাম্পবেল, বাংলা কল্পবিজ্ঞানের [আরো পড়ুন]

Read more →

নাল হাইপোথিসিস

‘বুদ্ধিটা কেমন?’ মুচমুচে করে ভাজা ভুট্টার প্লেটটা টেবিলের ওপরে রাখতে রাখতে বলে চার্লি ডিক্সন। শব্দ করে সোডার ক্যানটা খুলে তাতে আয়েশ করে একটা চুমুক দেয় সে, বিশ্রী শব্দে একটা ঢেঁকুর তুলে উত্তরের আশায় তাকিয়ে থাকে পাশে বসে থাকা রিচি গার্নারের দিকে।

     পাগলাটে স্বভাবের চার্লি হঠাৎ করেই ছোটখাটো একটি সামাজিক পরীক্ষা করে দেখবে বলে ঠিক করেছে। পরীক্ষাটা [আরো পড়ুন]

বিধুশেখর

সুমন্তবাবুর মন খারাপ। আজ বিকেলে বাস থেকে নামতে গিয়ে পড়ে গেলেন। চোট খুব একটা লাগেনি। কিন্তু বুঝতে পারছেন একটু সাবধানে চলাফেরা করা দরকার। সুমন্তবাবু থাকেন বেহালা চৌরাস্তার কাছে। আজকাল এখানে রাস্তায় চলাফেরা করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। একই রাস্তায় মানুষ, সাইকেল, বাস, রিকশা, অটো নিয়ে নিত্য যানজট লেগেই আছে। বাড়ি ফেরার সময় মনে মনে ভাবতে থাকলেন, পড়ে গেলেন [আরো পড়ুন]

কৃত্রিম

ক্যাফেতে পৌঁছে একটু এদিক ওদিক তাকাতেই মেয়েটিকে দেখতে পেয়ে গেলেন আসিফা। যতটা কমবয়সি মনে হয়েছিল ফোনে, ততটা নয়। অন্তত তিরিশ বছর বয়স তো হবেই। চেহারায় কোনও চটক নেই, তবে দেখতে সুশ্রী। ওঁকে দেখে উঠে দাঁড়িয়ে হাত বাড়িয়ে দিল জ্যোতি। হ্যান্ডশেকের পর ছোট্ট টেবিলটার দুদিকের চেয়ার দখল করল দুজনে।

     ভালো করে জ্যোতির দিকে তাকিয়ে দেখলেন আসিফা। রোগা ছিপছিপে [আরো পড়ুন]

ক্যাম্পবেলের সঙ্গে একটি দুপুর – ফ্রেড লারনার

The FANAC FAN HISTORY PROJECT PRESENTS

জন ক্যাম্পবেলের সাক্ষাৎকার

ফ্রেড লার্নার

সৌজন্যে – দ্য প্রিন্টেড ওয়ার্ড। বইয়ের দুনিয়ার বিভিন্ন খোঁজখবর সংক্রান্ত একটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান।

ফ্রেড লার্নার: আজ আমাদের অতিথি কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক বিখ্যাত জন ক্যাম্পবেল জুনিয়র। মিস্টার ক্যাম্পবেলের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘who goes there’। এর থেকে সাম্প্রতিককালে একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্রও [আরো পড়ুন]

Read more →

গোল্ডেন এজ সায়েন্স ফিকশন – আইজাক আসিমভ

১৯৩৮ সালটা সায়েন্স ফিকশনের ইতিহাসে এক সন্ধিক্ষণ। ১৯২৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল কল্পবিজ্ঞান ম্যাগাজিন গার্নসব্যাকের অ্যামেজিং। তারপর থেকে এত ভালো সময় আর আসেনি।

     ১৯৩৭ সালে অ্যাস্টাউন্ডিং স্টোরিজের পুরোনো সম্পাদক মিস্টার ওরলিন ম্যাগাজিনের দায়িত্ব ছাড়লেন। সম্পাদক হলেন জন ক্যাম্পবেল জুনিয়র। এতদিনে পাঠককুল কল্পবিজ্ঞানের এক নতুন দিগন্ত [আরো পড়ুন]

Read more →

গোল্ডেন এজ অব সায়েন্স ফিকশনের কয়েকজন ইলাস্ট্রেটর

সায়েন্স ফিকশন বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে অসম্ভব সব জগতের ছবি, অদ্ভুত যত ভিনগ্রহী, গ্র্যান্ড স্পেস এক্সপ্লোরেসন, দুর্দান্ত সব মহাকাশযান, নানা রঙের ভবিষ্যতের পৃথিবী, অথবা বৃহৎ রোবট। এগুলির মূল উৎস মনের আয়নায় প্রতিফলিত হওয়া নানাবিধ সায়েন্স ফিকশন বই, পত্র-পত্রিকার প্রচ্ছদে ছাপা ছবি। এই ছবিগুলির অধিকাংশই ছাপা হয়েছে গত শতাব্দীর নানান দশকে – স্থান [আরো পড়ুন]

Read more →

অপার্থিব মেধার সন্ধানে – পর্ব ৮

আন্তঃনক্ষত্র পরিভ্রমণ – ২

সাধারণত ইদানিং রবিবার দুপুরের আগেই প্রফেসর মহাকাশ ভট্টের বাড়ি যাই। এই রবিবার স্যার ফোনে সন্ধের পরে আসতে বললেন। স্যারের পরিচিত ফিলাডেলফিয়ার একটি বাঙালি পরিবার সম্প্রতি কলকাতায় এসেছে—দেখা করতে আসবে। সন্ধে সাতটা নাগাদ স্যারের বাড়ি এলাম। স্টাডিরুমেই যথারীতি বসা হল।

     স্যার বললেন, “হ্যাঁ, আগের দিন যেটা বলছিলাম—আন্তঃনক্ষত্র [আরো পড়ুন]

Read more →

স্পন্দন সিরিজ – প্রথম প্রাণের স্পন্দন ও আমরা (পর্ব-১)

শীতের সকাল। প্রোফেসর সূর্যশেখর সেনগুপ্ত গরম কফিতে সবে চুমুক দিয়েছেন, এমন সময় কলিংবেল বাজল। ‘হরি, কে এল দ্যাখ’ বলে কফিতে তিনি আবার মনোনিবেশ করলেন। প্রোফেসরের বহুদিনের গৃহভৃত্য হরি দরজা খুলেই‘আরে দেখুন, কতদিন পর উজানবাবু এল’ বলে একগাল হেসে উঠল। প্রোফেসর সেনগুপ্ত ভারি খুশি হলেন। বলে উঠলেন, ‘উজান আয়, তোর’তো আর দেখাই পাওয়া যায় না। [আরো পড়ুন]

Read more →

error: Content is protected !!