এখন

সম্পাদকীয়

কল্পবিশ্বের বন্ধুরা, সবে মাঘের শুরু অথচ শীত প্রায় পালাই পালাই করছে কলকাতা থেকে। সেদিন এক বন্ধু মজা করে বলছিলেন এ

তৃতীয় বর্ষ চতুর্থ সংখ্যা প্রচ্ছদ

  অসামান্য প্রচ্ছদ এঁকে সংখ্যাটিকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তুলেছেন শ্রীমতী তৃষা আঢ্য।

পাঙ্ক কল্পবিজ্ঞান: সাহিত্যের বিপ্লব না অপচয় ?

The future is already here – it’s just not very evenly distributed                 

স্টীমপাঙ্ক কথা

স্টীম ইঞ্জিন? ইয়েস! স্টীম রোলার? ইয়েস! স্টীম সন্দেশ? সেও ইয়েস, ইয়েস, একবারে চাকুম চুকুম ইয়েস! কিন্তু স্টীমপাঙ্ক? নো স্যার, কভি

বাংলার প্রথম কল্পবিজ্ঞান সম্মেলন – একটি রিপোর্ট

প্রথম দিন বিগত ২০১৮ সালের ২২শে নভেম্বর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ এবং কল্পবিশ্ব ওয়েবজিনের যৌথ প্রচেষ্টায় ইউ. জি. আর্টসের অনিতা

কল্পবিশ্ব আর এল-ডোরাডো’র কথামালা

গত বছরের আলাপচারিতায় এক বিনিসুতোর বাঁধন তৈরি হয়েছিল কল্পবিশ্বের শুভানুধ্যায়ী শ্রদ্ধেয় শ্রী সন্দীপ রায়ের সঙ্গে কল্পবিশ্ব টিমের, যার পরিচয় কল্পবিশ্বের

ডে-ভি

কিউব, হাভেন, এখন “আগে আমাদের পরিচয়গুলো দিই?” নরম, একটু স্নেহময় গলাটা বলে উঠল, “আমি ডক্টর আলতাফ হোসেন, চিফ অ্যানালিস্ট। আমার

ক্লোরোপ্লাস্টিক মেসেজ

এক ক্লাসে অনেক যত্ন নিয়ে পড়ান প্রফেসর তোফাজ্জল হোসেন, পারতপক্ষে ভাল ছাত্রছাত্রীরা এই বিষয় পড়তে চায় না, নিতান্ত বাধ্য হয়ে

বৃক্ষোভ

চুপচাপ বসে আকাশ দেখছিল সে। নীল আকাশটাকে খুবই অদ্ভুত লাগে তার। এইজন্য সময় পেলেই আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে ও। অবসর

বিশ্বপ্রাণ

–১– আজ এখন ধীরে জ্ঞান ফিরে আসছিল লুসিফারের। মাথার পিছন দিকে প্রচণ্ড ব্যথা। তার চোখ বাঁধা, হাত-পাগুলো নাড়ানোর প্রশ্নই নেই,

রক্তে রাঙানো

(১) প্রায় বছর পনেরো আগের কথা, জলের দরে মফঃস্বলে এই বিরাট বাড়িটা কিনে নিয়েছিলেন আমার বাবা, জন্মে অবধি ভাড়া বাড়িতে

নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ

[১] প্রায় আট নয় বছর পরে নির্ঝরকে দেখে সেদিন আমার চিনতে এতটুকু অসুবিধা হয়নি। নির্ঝরকে আমি লাস্ট দেখেছি সেই জেলাস্কুল

ফাঁদ

চারিদিক অন্ধকার। কিন্তু তার মধ্যেই তিনি দেখতে পেলেন এক নারীর অবয়ব। শুয়ে আছে চুপ করে। দেখে মনে হয় সে মারা

শেরু (দ্য পেপার মেনাজেরি)

আমার নাম জ্যাক। জ্যাক লিউ। আমার বাবার বাপ-ঠাকুর্দারা চীনদেশের ক্যান্টন-প্রদেশ থেকে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন বহুকাল আগে। আমার মা কিন্তু বিয়ের

ঘাতক

“হে সর্বশক্তিমান থরের বংশধর, হে মহাধিপতি হেরন, তবে কি আমরা বসে বসে মার খাব? যুগযুগ ধরে বরফ গলার সময় ওরা

৩০২২-এর দিনগুলি

“পার্থপ্রতিম রায়চৌধুরী” –  এই নামটাই রাখছেন শেষমেষ?” “আজ্ঞে হ্যাঁ, আর ওই পেশাটা করুন ডাক্তারবাবু।” “কেন মশাই? সাধ করে বাঁশ দিতে

প্রতিবিম্ব

১ নতুন বাড়িটা বেশ ভালো লেগে গেল অভয়ের। অভয় একজন পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র, ও এই শহরে এসেছে ওর পি.এইচ.ডি কমপ্লিট করতে।

নরকোচিত

১ রোদের তীব্রতায় চোখ মেলে তাকানো যায় না। হাত দিয়ে চোখ আড়াল করে রাখতে হয়। আকাশ ভয়াবহ নীল। বউ বাচ্চা

মায়াবতী

চরিত্র (ষ্টেজে আবির্ভাবের ক্রমানুযায়ী) নেপথ্য                           পুরুষ অথবা নারী

অপার্থিব মেধার সন্ধানে

পর্ব – ৫ আন্তঃনক্ষত্র পরিযান সবে সূর্যাস্ত হয়েছে। পশ্চিম আকাশে প্রহর শেষের আলোয় রাঙা মেঘ। বারান্দায় বসে চা খাচ্ছি। কলিং

error: Content is protected !!