এখন

সম্পাদকীয়

টাইমস দে আর আ চেঞ্জিং।      সময় বদলাচ্ছে। এবং দ্রুত। ২০১৬ সালে ‘কল্পবিশ্ব’-এর আত্মপ্রকাশ। তার পর থেকে একটু একটু

আয়নার ঠান্ডা কাচ ও অষ্টাদশীর স্বপ্ন

রাতের এই সব জনহীন রাস্তা আর আধো-অন্ধকার বাড়ির রহস্যময় জানলার দিকে তাকালে আমার মনে হয়, আজ তোমার সঙ্গে দেখা হবে।

ফ্রাঙ্কেনস্টাইন– কল্পনার অন্তরালে বাস্তব বিজ্ঞান

১৮১৮ সালে প্রকাশ পায় মেরি শেলীর লেখা ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন অর মডার্ন প্রমিথিউস’ এর প্রথম খসড়া। তাঁর গল্পের প্রধান চরিত্র এক ডাক্তার,

অর্থতৃষ্ণা

য়ুরোপের যুদ্ধের সময় নানা টানাপোড়েনের দরুন কলকাতায় দ্রব্যমূল্য অত্যধিক বৃদ্ধি পায়। তার উপর আবার চাকরির বাজারেও মন্দার ভাঁটা লেগে অনেক

প্রহরণ

১২ মার্চ , ২০১৭, কলকাতা     বাইপাসের মুখটায় একটা স্পিড ব্রেকারের সামনে লোকটা মোটরবাইকে আচমকা ব্রেক কষল। সুহানির নরম

কালচক্র

একটু দেরি হয়ে গেল মার্কের। তবে বেশি নয়, সকালে রাস্তা খালি থাকার কথা; তাহলেই মেক আপ হয়ে যাবে। অ্যাপে ম্যাপটা

কল্পহাস্য

আপনি কি আধুনিক হতে চান? তাহলে আজই বাড়িতে নিয়ে আসুন “ঘোষ এন্ড দে এন্টারপ্রাইজ” এর জম্বিচালিত হাওয়াকল…      গরমের

কল্পবিজ্ঞান বিষয়ে সত্যজিৎ রায়ের সাক্ষাৎকার

প্রাক কথন: ঋদ্ধি গোস্বামী কল্পবিজ্ঞান বিষয়ে সত্যজিৎ রায় বরাবরই গভীর আগ্রহী ছিলেন। তাঁর সাহিত্যসৃষ্টি ও অন্যান্য লেখালিখির মধ্যে তার অজস্র নিদর্শন

প্রহর শেষের আলো

“It is a subject also of additional interest to the author that this story was begun in the majestic region

মেরি শেলী : সৃষ্টির ছায়ায় স্রষ্টা

আজ থেকে দু’শ বছর আগে ইউরোপের জেনেভা লেকের ধারে এক বাড়ীতে বসে এক উনিশ বছরের মেয়ে লিখে ফেলেছিল পৃথিবীর প্রথম

ফ্রাঙ্কেনস্টাইন – রুপোলী পর্দার রূপকথা

ফ্রাঙ্কেনস্টাইন। এই নামটির সাথে আমরা কমবেশি সকলেই পরিচিত, কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার এই যে, সেই দৈত্যের নাম আদৌ ফ্রাঙ্কেনস্টাইন নয় বরং

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের ‘দানব’ এর বিবর্তন

“I saw the dull yellow eye of the creature open; it breathed hard, and a convulsive motion agitated its limbs.”

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনঃ আধুনিক যুগের এক আলেখ্য

শুরুটা করা যাক একটি সিনেমার একটা অংশ দিয়ে। ইংল্যান্ডে ঘুরতে এসেছেন এক বাঙালী দম্পতি। করপাস ক্রিস্টী কলেজে এক অদ্ভুত ঘড়ি

মোমের মিউজিয়াম

নিছক কৌতূহলের বশেই করঞ্জাক্ষের মিউজিয়ামে এসেছিল শান্তনু। কার মুখে ও শুনেছিল, করঞ্জাক্ষের এই বিচিত্র সংগ্রহশালায় মোমের তৈরি যেসব বস্তু আছে,

প্রফেসর শঙ্কু ও কারপেথীয় আতঙ্ক

ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক সত্যের সঙ্গে কল্পনার রঙ মিশিয়ে রচিত এই কাহিনি উৎসর্গিত হল সত্যজিৎ রায়ের অমর স্মৃতির উদ্দেশ্যে। ৩০শে নভেম্বর,

পুনর্জন্ম – র‍্যামসে ক্যাম্পবেল

অন্ধকার! উঃ! আবার সেই শ্বাসরোধী অন্ধকার আমায় ঘিরে ধরছে! তবুও আমি নিশ্চিত কেউ আমার দিকে নজর রাখছিল! আচ্ছা, আমি কি

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন আর্মি

৭ই সেপ্টেম্বর, ১৮১৮ স্থানঃ রবার্ট ওয়াল্টনের জাহাজ, যা ব্যর্থ উত্তর মেরু অভিযানের শেষে ফিরে চলেছে লন্ডনের দিকে      রবার্ট

ডাইস

ট্যান, রাত সোয়া আটটা      হাভেন শহরটা যেখান থেকে মরুভূমিতে মিশে গেছে, সেটা একটা চৌমাথা।      সেন্ট্রাল রোড

না-মানুষ

ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরি থেকে বেরিয়ে বাইরের পার্কটায় এসে বসল কৃষ্ণেন্দু। পার্কটা বেশ ফাঁকা ফাঁকা, গুটিকয় স্টুডেন্ট এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে

দ্রোণাচার্য্য

টুটুলদের ছাতের পাঁচিলে একটা ছোট্ট নীল রঙের পাখী এসে বসল। গরমকালের বিকেল। টুটুলের এবার ক্লাস নাইন হবে। এখন টুটুলের গরমের

সময়ের আতঙ্কে

ছোটোছোটো বাচ্চাদের কম্পিউটার শেখায় মৃদুল। পড়াশুনা বেশিদূর করতে পারেনি সে। কোনও রকমে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে পড়াশুনা ছেড়ে দিয়েছিল। ভাগ্যিস কম্পিউটারের

গিফ্টকার্ড

  উত্তমবাবু এবং ক্লাস এইটের ভূগোল সবুজ রঙের গোল্লাটার ভিতর একটা টেলিফোন রিসিভারের ছবি। গোল্লাটার বাইরেটাও সবুজ। শুভজিৎ তার মোবাইল

অন্ধকারের অবয়ব – রাসকিন বন্ড

পেশায় স্কুল মাস্টার অলিভারবাবু একজন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। এক সন্ধ্যায় তিনি সিমলা স্টেশনের গা ঘেঁষা পথ দিয়ে স্কুলের দিকে ফিরছিলেন। সাধারণত

এক ডজন কল্পবিজ্ঞান লিমেরিক

(১) দূরবীন তাক করে চৈনিক প্রাচীরে চাঁদ থেকে দেখি… সেথা আমিও যে আছি রে! মনে ওঠে কলরব। কী ভাবে তা’

ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের জন্ম বৃত্তান্ত

মহাকাশ কল্পবিজ্ঞান ডিটেকটিভ

অপার্থিব মেধার সন্ধানে – পর্ব ২

গোল্ডিলক জোন   পরের রবিবার যথারীতি উৎসাহী ছাত্রের মতন হাজির হলাম প্রফেসর মহাকাশ ভট্টের বাড়িতে। আমি আসতেই স্যার জলখাবার আনতে বললেন।

অগ্নিপথ ৭ – অগ্নিকন্দুক

স্থানঃ হালিশহর কালঃ ২০১৮ পাত্রঃ সুমন ও সুমনা || ৭ক ||      -কে তুমি?      আমার সামনে যে

ফ্রাঙ্কেনস্টাইন সম্বন্ধীয় কুইজ – ৯

(১) মেরি শেলি তাঁর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসের দানবীয় চরিত্রটি সৃষ্টির সময় Elements of Chemical Philosophy নামক একটি গ্রন্থের সাহায্য নেন। এই