ভলতেয়ারের ভিনগ্রহী

ভলতেয়ারের ভিনগ্রহী

লেখক – সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়

অলংকরণ – সন্দীপন গঙ্গোপাধ্যায়

“There are truths which are not for all men, nor for all times.”

-–- Voltaire’s Letter to François-Joachim de Pierre, cardinal de Bernis (23 April 1764)

ষ্টাদশ শতাব্দীর প্রারম্ভিক অধ্যায়, সময়টা ছিল যুক্তি তর্কের বদলে প্রজন্মান্তরের জগদ্দল চিন্তার ভার বয়ে চলার। চার্চ এবং রাষ্ট্র তাদের পেশীশক্তির আস্ফালনে তখনও টুঁটি টিপে রেখেছে সাধারণ মানুষের। ঠিক সেই সময়টাতেই ফ্রান্স তথা সমগ্র ইউরোপ বা বলা ভালো সামগ্রিকভাবে পাশ্চাত্য অক্সিডেন্ট দর্শণের ভিত্তিভূমিতে যে কয়েকজন ক্রান্তদর্শী চিন্তানায়কেরা জাগিয়ে তুলেছিলেন এক স্পষ্ট প্রতিস্বর তাঁদের মধ্যে এক অগ্রগণ্য নাম ফ্রাঁসোয়া-মারি আরুয়ে (১৬৯৪ – ১৭৭৮), ইতিহাস তাঁকে তাঁর ছদ্মনাম ‘ভলতেয়ার’ এর অভিধায় আজও গভীরভাবে স্মরণ করে। ভলতেয়ার ছিলেন এক বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী রেনেসাঁস পলিম্যাথ। অসংখ্য লেখার মধ্যে দিয়ে তাঁর মুক্ত চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছিল যেখানে আমাদের বোধের গভীরে হানা দিয়ে যুক্তির আলোয় তিনি বিচার করতে বলেছেন প্রচলিত যে কোনও মতামত এবং বৈজ্ঞানিক এষণার পরিপন্থী হলে প্রয়োজনে সেই মতামত বাতিল করার পরামর্শও দিয়েছেন। কর্তৃত্ববাদী সমাজের ধ্যান ধারণার কাছে এমন মনোভাব ছিল রীতিমতো বিপদের। তাঁর লেখার বিষয় বৈচিত্র্য এবং পরিমাণ দুইই ছিল বিরাট মাপের আর সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় তাঁর ছিল স্বচ্ছন্দ যাতায়াত। বলবিজ্ঞানের সমকালীন সূত্র আর নিউটনিয়ান মডেল সম্পর্কে তিনি ছিলেন রীতিমতো ওয়াকিবহাল। বিশেষ করে স্যার আইজ্যাক নিউটনের ভাগ্নী ক্যাথরিন বার্টন এবং প্রখ্যাত ফরাসী মহিলা গণিতজ্ঞ এমিলি দু স্যাতিলির সংস্পর্শে এসে তিনি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় গণিত অধ্যয়ন করেছিলেন গভীরভাবে। ১৭৩৮ সালে ভলতেয়ার সাধারণ ফরাসী জনসাধারণের কাছে নিউটনের গতিসূত্র ব্যাখ্যা করার জন্য একটা বইও লিখেছিলেন।

প্রখ্যাত শিল্পী নিকোলাস ডি লার্জিল্যের আঁকা ফ্রাঁসোয়া-মারি আরুয়ে ওরফে ভলতেয়ার (১৬৯৪ – ১৭৭৮) এর প্রতিকৃতি

কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে স্থিতি আর গতি সম্পর্কিত ধারণা তাঁর যে ফ্যান্টাসিধর্মী লেখার মধ্যে দিয়ে সবচেয়ে সাবলীলভাবে প্রতিফলিত হয় তা ছিল ১৭৫২ সালে প্রকাশিত ‘মাইক্রোমেগাস’ নামে এক ছোট উপন্যাস বা নভেলা যার মধ্যে আধুনিক ধারার কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের প্রায় সব পূর্বলক্ষণই উপস্থিত ছিল। তাত্ত্বিকেরা যদিও এই লেখার শৈলীর মধ্যে একটা রূপকধর্মী দার্শনিক অভিধার ছায়া দেখেছেন যেখানে পাশ্চাত্য দর্শনের কাঠামো সম্পর্কে অনভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে লেখক প্রশ্ন তুলেছেন এর অন্তর্গত নানা অসংগতির বিরূদ্ধে। এই উপন্যাসের নায়ক মাইক্রোমেগাস, সিরিয়াস নক্ষত্রের চারিদিকে ঘুরতে থাকা কোনও এক গ্রহের একজন অধিবাসী যে শনি গ্রহের আরেক অধিবাসীর সঙ্গে পৃথিবী পরিভ্রমণে এসেছিল।

মাইক্রোমেগাস উপন্যাসের দ্বিতীয় সংস্করণের শিরোনাম

     বিশালত্বের ধারণার একটা দিকচিহ্ন বা নির্ধারক হয়ে আছে এই বইতে বর্ণিত স্কেলের মাপকাঠি। মাইক্রোমেগাস (যার আক্ষরিক মানে ‘ছোটবড়ো’), যে গ্রহের বাসিন্দা সেই গ্রহের পরিধি আমাদের পৃথিবীর প্রায় ২২ মিলিয়ন গুণ। মাইক্রোমেগাস নিজেও ১২০,০০০ ফুট বা প্রায় ৩৭ কিলোমিটার লম্বা যা তার গ্রহের বাসিন্দাদের দৈর্ঘ্যের মাপে নেহাতই মাঝারি। তবে তার চেহারা নাকি এক সার্থক মডেল হিসেবে যে কোনও ভাস্কর বা চিত্রশিল্পীর কাছেই ঈর্ষণীয়। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভাল যে সিরিয়ানদের (সিরিয়াস নক্ষত্রের গ্রহমণ্ডলের অধিবাসীদের সম্পর্কে বলা, সিরিয়া দেশ সংক্রান্ত নয়) কোমরের মাপ গড়ে প্রায় ৫০,০০০ ফুট আর তাদের নাক (যদি তা বেশ টিকালো হয়) মোটামুটি ভাবে ৫,৭১৪ ফুটের মতো। মাইক্রোমেগাস এক অনুসন্ধিৎসু মনোভাবাপন্ন যুবক(!!)। যখন তার বয়স ২৫০ বছরও পেরোয়নি মানে নিতান্ত ছাত্রজীবন তখনই সে ইউক্লিডের জ্যামিতির প্রায় ৫০ টা প্রতিজ্ঞা বা প্রপোজিশন হেলায় সমাধান করেছিল যা মহামতি ব্লেইজ পাস্কেলের চেয়েও প্রায় ১৮ টা বেশী। ৪৫০ বছর বয়স নাগাদ যখন সে সদ্য যুবক সেই সময় সে তার গ্রহের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কীট পতঙ্গদের জীবন নিয়ে গভীরভাবে আগ্রহী হয়ে একটা বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালায়। এই পোকাদের মাপ ১০০ ফুটের কাছাকাছি যারা নাকি এতোই ‘ছোট’ যে সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কিছুতেই তাদের দেখা যাবে না। সেই কীটদের দেহ ব্যবচ্ছেদ করে এক শক্তিশালী অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে তাদের নানা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করে মাইক্রোমেগাস। আর এই গবেষণার ফলাফল সে একটা বইতে লিপিবদ্ধ করে। কিন্তু ওই গ্রহের মূল গ্রহাধ্যক্ষ আর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তারা এই বই লেখার জন্য মাইক্রোমেগাসের ওপর খুবই ক্ষেপে ওঠে কারণ তাদের প্রচলিত ধর্মগ্রন্থে লেখা কিছু তথ্যের ঠিক বিপ্রতীপ ছিল মাইক্রোমেগাসের পর্যবেক্ষণ। এর ফলে তার বিরুদ্ধে মামলা হয় আর ২২০ বছর (পৃথিবীর হিসেবে) ধরে চলা বিচারের শেষে শাস্তি হিসেবে তার ৮০০ বছরের নির্বাসন দণ্ড জোটে। এই বিচারকেরা কিন্তু কেউই তার লেখা বইটা পড়েও দেখেননি। তবে এই শাস্তি পেয়েও হতোদ্যম না হয়ে মাইক্রোমেগাস স্থির করে যে এই পুরো নির্বাসনপর্বে সে মহাজাগতিক ভ্রমণ করে বেড়াবে আর নানা অজানা প্রজাতির জীবের সঙ্গে পরিচিত হয়ে তার জ্ঞানের সঞ্চয়কে বাড়িয়ে তুলবে। শূন্য আকাশপথে এই ভ্রমণ করতে করতে কোনও একসময় শনি গ্রহে পৌঁছলে তার সঙ্গে আলাপ হয় ওই গ্রহের এক বাসিন্দার সঙ্গে যিনি ছিলেন স্থানীয় অ্যাকাডেমির সম্পাদক। এই মানুষটা লম্বায় মাইক্রোমেগাসের প্রায় কুড়ি ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ মোটে ৬০০০ ফুট বা ১.৮ কিলোমিটার যাকে স্বচ্ছন্দে ‘বামন’ বলা চলে। যাইহোক না কেন, এই দুজনের মধ্যে বেশ একটা ভালো সখ্য গড়ে ওঠে এবং যার ফলে তারা তাদের নিজেদের গ্রহের বৈশিষ্ট্য নিয়ে তুলনামূলক আলোচনায় মেতে ওঠে। শনি গ্রহের বাসিন্দা বা স্যাটার্নিয়ানদের ছিল ৭২ টা ইন্দ্রিয় যেখানে সিরিয়ানদের  ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ছিল ১০০০। আবার স্যাটার্নিয়ানদের আয়ুষ্কাল প্রায় ১৫,০০০ বছর পৃথিবীর হিসেবে যেখানে সিরিয়ানরা এক প্রায় অসীম ১০.৫ মিলিয়ন বছর বেঁচে থাকতে পারে। এই আলোচনার শেষে তারা দুজনে মিলে সৌরজগৎ ভ্রমণে বেরোয়। শনির বলয়, বৃহস্পতি ইত্যাদি জায়গা বেশ খুঁটিয়ে পর্যবেক্ষণ করে দুজনেই। বৃহস্পতিবার ছেড়ে যাওয়ার সময়, এই মহাজাগতিক পর্যটকেরা প্রায় ১০০,০০০,০০০ লীগের (১ লীগ প্রায় সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার) দূরত্ব অতিক্রম করে এবং মঙ্গল গ্রহের উপকূলবর্তী অঞ্চলে পৌঁছয়। সেখান থেকে তখন মঙ্গলের দুটো উপগ্রহ বা চাঁদকেই দেখা যাচ্ছিল। এ ছাড়া আরও একটা গ্রহের অস্পষ্ট আভাস দেখতে পাওয়া যায় যাকে তারা তাদের পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে বেছে নেয়। পরের সেই গন্তব্যই ছিল আমাদের পৃথিবী। পৃথিবীতে পৌঁছে তারা এই গ্রহকে একবার জলপথে প্রদক্ষিণ করে নেয় ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে। এর ফলে শনির বাসিন্দার হাঁটু অবধি ডুবে গিয়েছিল এই গ্রহের গভীরতম মহাসমুদ্র হেঁটে পাড়ি দিতে গিয়ে পাশাপাশি মাইক্রোমেগাসের শুধুমাত্র গোড়ালিটুকুই তখন ভিজেছিল। ওই সময় মহাসমুদ্রের নীচে নানা প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে তারা শুধুমাত্র তিমিকেই দেখতে পায় আর তার আরও পরে তাদের দৃষ্টিযোগ্য অনুভূতির নাগালের মধ্যে পড়ে মানুষেরা। যদিও পৃথিবীর প্রায় ‘আণবিক’ মাপের মানুষদের আদৌ বোধ-বুদ্ধি থাকতে পারে তা তাদের দুজনেরই ধারণার বাইরে ছিল। তবে ধীরে ধীরে তারা অনুধাবন করতে পারে যে এই গ্রহের তথাকথিত উন্নত প্রজাতির প্রাণী এই মানুষেরা কিন্তু চিন্তাশক্তিতে অনেকটাই বলীয়ান। এর ফলে এই গ্রহের সংস্কৃতি, কৃষ্টি প্রভৃতি সভ্যতার সব ধরণের প্রকাশ চিহ্নগুলোতে তারা দুজনেই আগ্রহী হয়ে পড়ে।

     এই বইয়ের শেষ পরিচ্ছদে দেখা যায় যে এই পৃথিবীর জ্ঞানী বিদ্বজ্জনেরা অতীত দিনের মহান দার্শনিক যেমন অ্যারিস্টটল, ডেকার্তে, লিবনিৎস প্রমুখদের প্রস্তাবিত নানা সূত্র বা তত্ত্বের নিরিখে ওই মহাজাগতিক ভ্রমণকারীদের বুদ্ধিমত্তাকে মাপার চেষ্টা করেছে। এই আলোচনার সময় পৃথিবীর জ্ঞানী মানুষদের ভাষণে উঠে আসে ক্যাথলিক দার্শনিক সেন্ট টমাস অ্যাকুইনাসের লেখা ‘সামা থিয়োলজিকা’ বইয়ের মূল সূত্র যা বলে যে এই মহাজগৎ শুধুমাত্র মানুষের জন্যেই তৈরী হয়েছে। এটা শুনে ওই দুজন ‘অপার্থিব’ পর্যটকই ভয়ানক আহ্লাদে হাসতে শুরু করে আর পৃথিবীর মানুষজনের ‘সীমাহীন’ অজ্ঞতা দেখে তাদের ওপর কিছুটা করুণা করেই ওরা দুজন ঠিক করে যে একটা বইতে তারা বহির্বিশ্বের জ্ঞান লিপিবদ্ধ করে যাবে তাদের জন্য। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই বই যখন প্যারিসের অ্যাকাডেমিতে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানকার সম্পাদক বইটা খুলে শুধুমাত্র খালি পাতা ছাড়া আর কিছুই দেখতে পান না।

প্রখ্যাত ফরাসী চিত্রশিল্পী শার্ল মনে (১৭৩২-১৮০৮)’ র আঁকা ছবিতে শিল্পীর কল্পনায় যেভাবে ধরা দিয়েছে মাইক্রোমেগাস আর তার স্যাটার্নিয়ান বন্ধু

     মাইক্রোমেগাস উপন্যাসের এই কাল্পনিক ভ্রমণকাহিনির মধ্যে সাই-ফি সাহিত্যের অনেকগুলো উপাদানই মজুদ ছিল। প্রকাশের কিছুদিনের মধ্যেই এই বইয়ের দ্বিতীয় সংস্করণ বের করতে হয়েছিল তার বিপুল জনপ্রিয়তার জন্য যদিও ফ্রান্সের রক্ষণশীল ধর্মীয় ক্যাথলিক আবহ একে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করেনি। এর কাহিনিভাগে বর্ণিত কল্পবিজ্ঞান সেই সময়কার সাহিত্যের অদ্ভুতরসের ভাঁড়ারে একটা অনন্য সংযোজন যা পরবর্তী শতাব্দীতে পূর্ণতর রূপ নিয়েছিল। এখানে ভলতেয়ার রূপকের আশ্রয়ে এক বিদ্রূপাত্মক আত্ম-সমালোচনা লিখেছিলেন যা পাশ্চাত্য দর্শনের কাছে একটা আয়নার কাজ করেছিল। আনুপাতিক হিসেবে এই উপন্যাসে বলা মাপগুলো যদিও আধুনিক ধারণায় খুবই হাস্যকর শোনায় কিন্তু মনে রাখতে হবে সময়টা অষ্টাদশ শতকের মধ্যভাগ। গ্যালিলিও গ্যালিলি বা যোহান কেপলারের যুগান্তকারী আবিষ্কারের পরেও সেসময়ের জ্যোতির্বিজ্ঞান তখনও ধর্মীয় অনুশাসন দিয়ে অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। সেই সময়ে দাঁড়িয়েও এই উপন্যাসের মূল চরিত্র মাইক্রোমেগাস সমসাময়িক প্রচলিত নানা সূত্রকে ব্যঙ্গ করে যায়। যেমন রেভারেন্ট উইলিয়াম ডারহাম (১৬৫৭-১৭৩৫) নামে এক জ্যোতিঃ-ধর্মতত্ববিদ বা অ্যাস্ট্রো-থিওলজিয়ানের ধারণা নিয়ে রীতিমতো বিদ্রূপ করা হয়েছে এই বইতে যিনি কিন্তু একজন সমসাময়িক স্কলার এবং চার্চের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন। এক্ষেত্রে ভলতেয়ারের ভূমিকা যেন এক ‘প্রথম আলো’র মতো। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল যে এই বইয়ের কাহিনির মধ্যে দিয়ে কতগুলো প্রশ্ন তোলা হয়েছে আমাদের প্রচলিত ধারণার সীমাবদ্ধতা নিয়ে যা নবজাগরণ বা এনলাইটমেন্ট এজ এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ধর্মীয় বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের থাবাকে উপেক্ষা করে প্রশ্ন করা আর প্রশ্ন তোলা আমাদের এই চিরাচরিত অচলায়তনের নানা অসংগতির বিরূদ্ধে যে দ্বান্দ্বিক যুক্তিবাদের কাঠামো মানুষের সামগ্রিক প্রজ্ঞাকে ক্রমে আরও উন্নত করেছে। আর এখানেই এই উপন্যাসের সার্থকতা। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: Content is protected !!