প্রথম বাংলা তথা ভারতীয় কল্পবিজ্ঞানের সন্ধানে

কল্পবিজ্ঞানের আলোচনায় অবশ্যই যে দুটি প্রশ্ন আজও বন্ধুবিচ্ছেদের কারণ হয়, তার একটি যদি হয়— প্রোফেসর শঙ্কু কল্পবিজ্ঞান কিনা, অন্যটি অবশ্যই হবে— প্রথম বাংলা কল্পবিজ্ঞানের নাম। এই প্রবন্ধে উপযুক্ত তথ্য ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা দ্বিতীয় প্রশ্নটির উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছি।

     এই আলোচনায় কল্পবিজ্ঞান না হলেও প্রথমেই উঠে আসবে কৈলাস চন্দ্র দত্তের [আরো পড়ুন]

Read more

ছাল

এখন কেমন লাগছে বলুন তো?

     মনীষার হাতের উপর নখ দিয়ে হালকা আঁচড় দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলেন ডক্টর অমিতাভ সেন। কলকাতা তথা ভারতের অন্যতম সেরা ডার্মাটোলজিস্ট। সাদা বাংলায় যাকে বলে স্কিনের ডাক্তার।

     না স্যার, কোনও সেন্স পাচ্ছি না তো!— বলল মনীষা।

     স্ট্রেঞ্জ! এরকম কেস তো দেখিনি আমি আগে! স্কিন তো নর্মাল লাগছে। তাও সেন্স কেন আসছে না?— অনেকটা যেন নিজেরই [আরো পড়ুন]

Read more

সম্পাদকীয়

কেমন আছেন বন্ধুরা? আজ স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালেও যেন এক বড় কঠিন সময়ের টানেলের ভিতরে ঢুকে পড়েছে আমাদের দেশ। কিন্তু মানব সভ্যতা শেষ পর্যন্ত সেই টানেলের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসবই, এই আত্মবিশ্বাস আমাদের রয়েছে। আবারও এক রৌদ্রস্নাত পৃথিবীতে দেখা হবে। আপাতত অপেক্ষা আর সাবধানতা অবলম্বন করা ছাড়া উপায় নেই।

     ১০,০০০ বছর আগে মানুষ কৃষিজীবী হয়। আর তখনই [আরো পড়ুন]

Read more

অতিমারী ও মানবসভ্যতা: ভূত ও ভবিষ্যৎ

১১ মার্চ, ২০২০: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গ্যানাইজেশন বা সংক্ষেপে হু) ঘোষণা করল পৃথিবীতে এক এমন ভাইরাসের দাপট শুরু হয়ে গেছে, যার কোনও প্রতিষেধক মেডিকেল সায়েন্সে এখনও নেই। অর্থাৎ এই ভাইরাসকে অকেজো করে দেওয়ার মতো ভ্যাকসিন বা ওষুধ দুটোই আপাতত মানুষের অধরা। সাধারণত কোনও দেশে বা বিশেষ কোনও গোষ্ঠী কিংবা ভূখণ্ডে এধরনের কোনও অজানা [আরো পড়ুন]

Read more

ফাংগাস

প্রথম পর্ব: ওরা ছড়িয়ে পড়ল

 

এক

কলকাতা, মঙ্গলবার, সন্ধে পাঁচটা কুড়ি মিনিট

বাড়ি ফেরার পর সঞ্জয় সেন আচমকা ধাক্কার কথাটা ভুলেই গেছিল। এসপ্ল্যানেডের মোড়ে ধাক্কাটা লেগেছিল ভদ্রমহিলার সঙ্গে। ধাক্কা না বলে তাকে ‘কলিশন’ বলা উচিত। যা ভিড় জায়গাটায়। ক্যাসেটের একফালি দোকান থেকে ভেসে আসছে উৎকট গানবাজনা। মাথা ঠিক রাখা যায় না। 

     মেজাজ খিঁচড়ে [আরো পড়ুন]

Read more

অগোচরে

“তুমি তো নিশ্চয়ই কফি খেতে যাবে না?”

     প্রশ্নটার মধ্যেই উত্তরটা লুকানো আছে যেন। একটু হেসে মাথা নেড়ে “নাহ্” বলল শিরিন। সিনিয়ররা চারজন ওর জন্যে অপেক্ষা না করে বেরিয়ে গেল ল্যাবরেটরির কাচের দরজা ঠেলে।

     শুক্রবার রাত আটটা। ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ইনফেকশাস ডিজ়িজ়ের বারান্দাগুলো এমনিতে সুনসান হয়ে যেত এতক্ষণে। ইটালির ত্রিয়েস্তে শহরের [আরো পড়ুন]

Read more

প্রহর

(১)

আমার সামনে একদিকে দিগন্তবিস্তৃত সফেন নীল জলরাশি, অপর প্রান্তে ধূসর সবুজ স্থলভাগের ক্ষীণ রেখা। আমার জন্মভূমি, আমার স্বদেশ। প্রায় ছ-টি মাসের সুদীর্ঘ জলবাসের পর একটাই প্রতীক্ষা থাকে সবার মনে, ঠিক কবে বাড়ি ফিরতে পারব। শেষের কয়েকটি দিনের অন্তহীন অপেক্ষার প্রহর যেন ফুরাতেই চায় না। আমরা সমুদ্র যাত্রীরা, একে অপরকে এই বলে আশ্বাস দিই যে আর তো মাত্র [আরো পড়ুন]

Read more

রবিকিরণ দাশগুপ্তের কেস-ডায়েরি

কেস এন্ট্রি: ১৮

মে, ২০৯১

ঘরে ঢুকে দেখলাম কর্নেল আয়ার বসে আছেন মেরুদণ্ড সোজা করে। তাঁর মুখ দেখে মনে হচ্ছিল তিনি একটু বিরক্ত। সেটা অস্বাভাবিক নয়; উচ্চপদস্থ অফিসার তিনি; আমার জন্য পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করাকেও তিনি সময় নষ্ট মনে করতেই পারেন।

     আমাকে দেখে কর্নেল আয়ার বললেন, “এই যে দাশগুপ্তা। মেল পেয়েছেন নিশ্চয়ই। রেডি তো?”

     আমি বললাম, “হুঁ, রেডি তো হয়েই আছি। গাড়ি এনেছেন?”

[আরো পড়ুন]

Read more

স্পন্দন সিরিজ – প্রথম প্রাণের স্পন্দন ও আমরা (পর্ব ২)

ক্যামেরার লেন্সটা অ্যাডজাস্ট করতে করতে সোমেশ বলল, ‘স্যার, আপনি রেডি তো? আমরা কিন্তু আর তিন মিনিটের মধ্যে শুরু করব।’

     অধ্যাপক সূর্যশেখর তাঁর চশমাটা ঠিক করে নিলেন। বললেন, ‘হ্যাঁ, আমি রেডি, তোমরা শুরু করো।

     সোমেশ গার্গীর দিকে চেয়ে বলল, ‘তুই বরং ইন্টারভিউ এর স্ক্রিপ্টে একবার ফাইনাল চোখ বুলিয়ে নে, আমি টেকনিক্যাল ব্যাপারটা দেখছি।’ গার্গী ‘ওকে’ [আরো পড়ুন]

Read more

মা

মিসেস ত্রিনিতা হাতের ভেজা প্লেটটা মুছতে মুছতে জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন। রাস্তায় ইদানীং আর তেমন কেউ থাকে না। নিরাপত্তা রোবটগুলো শুধু নিয়ম করে চৌকি দেয়। গায়ে থাকে স্টাইরোফোমের তৈরি শিল্ড। দেখতে সার্কাসের সঙের মতো হাস্যকর লাগে। কিন্তু কিছু করার নেই। ম্যাগনেটারের ভয়ংকর চৌম্বক তরঙ্গের হাত থেকে বাঁচতে হবে। সেজন্যই এই শিল্ড।

     রাস্তায় দুটো [আরো পড়ুন]

Read more

শ্রমিক ধাবা

গ্রাম: চারিদা, পুরুলিয়া, পশ্চিমবঙ্গ

এপ্রিল, ২০২০

পৃথিবী ধুঁকছে এক ভয়ানক মৃত্যুব্যাধিতে। পুরুলিয়ার এই প্রত্যন্ত গ্রামে করোনা অতিমারী এখনও মানুষের শরীরে থাবা বসায়নি। সে আসলে থাবা বসিয়েছে দরিদ্র মানুষের মনের গভীরে। কিছু কিছু ঘরে বিদ্যুৎ নেই বহুদিন। কালো ছায়া আর ঘেমো গন্ধ সেখানে জড়াজড়ি করে বেঁচে আছে। গ্রামের পোড়ো শিবমন্দিরটাও অন্ধকারে ভূতের [আরো পড়ুন]

Read more

অপার্থিব মেধার সন্ধানে

আন্তঃনক্ষত্র যোগাযোগ

আজ সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় রবিবার। আগামী শুক্রবার প্রফেসর মহাকাশ ভট্ট ফিলাডেলফিয়া চলে যাচ্ছেন। আগে ঠিক ছিল সামনের বছর মার্চ-এপ্রিলে ফিরে আসবেন। এখন নিজেই বুঝতে পারছেন না কবে নাগাদ ফিরতে পারবেন।

     আমি যখনই আসি স্যারের সঙ্গে হয় লাঞ্চ নয় ডিনার করতেই হয়। আজকের লাঞ্চে মেনু ছিল পোলাও, মাছের চপ, কষা মাংস, আমসত্ত্বের চাটনি [আরো পড়ুন]

Read more

ঊর্মিলা

একটা সুদৃশ্য কার্ডবোর্ড আর প্লাস্টিকের তৈরি বাক্সের মধ্যে শুয়ে ঘুমোচ্ছিল সে। টানা আট ঘণ্টা চার্জ দেওয়ার পরে সে যখন আস্তে আস্তে তার কৃত্রিম অক্ষিপল্লব তুলল, আমি তাকালাম তার নীলমণি চোখের দিকে। সেই চোখে ভাষা সেই, নেই প্রাণোচ্ছাস। তারপর, সম্পূর্ণ সচল হয়ে সে বলল, “শুভ রাত্রি, প্রবাল। আমি ঊর্মিলা।’’ তার ঠোঁটের নীচে লুকনো একটা স্পিকার থেকে বেরিয়ে [আরো পড়ুন]

Read more

কর্কটকাল

“পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন;

মানুষ তবুও ঋণী পৃথিবীরই কাছে।”

সেই কোনকালে জীবনানন্দ ‘সুচেতনা’ কবিতায় এই কথাগুলো বলে গেছিলেন! কথাটা কিন্তু খুব সত্যি। যতবারই ধ্বংসের মুখোমুখি হই না কেন আমরা— বেঁচে থাকার মতো প্রাণশক্তি ঠিক পেয়ে যাই কোনও না কোনও সূত্র থেকে। এই অক্সিজেনের জোগান দেওয়ার কাজে মস্ত ভূমিকা নেয় বইপত্রও। ঘরবন্দি অবস্থায় গত কয়েকমাসে [আরো পড়ুন]

Read more

পুস্তক পরিচিতি – চারটি অতিমারী থিমের উপন্যাস

এবারের আলোচিত গল্পগুলির থিম অতিমারী বা মহামারী৷

 

১) দ্য মাস্ক অ রেড ডেথ এডগার অ্যালান পো

শহরে মড়ক লেগেছে মড়ক৷ রেড ডেথ৷ আধঘণ্টার মধ্যে অতিযন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু৷ শহরাধিপতি প্রিন্স প্রস্পেরো-র অবশ্য তাতে কিছু যায় আসে না৷ তিনি তার সভাসদরা এবং শহরের ধনিক-শ্রেণী একটি মঠের দখল নিয়ে,বাইরের জগতের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন৷ খাবার, বিলাস-ব্যসন কোনও [আরো পড়ুন]

Read more

গোরস্থান হল পৃথিবী

মৃত্যু আর কি এমন খারাপ? আসলে এর প্রচারটাই ঠিকমতো হয়নি কখনও।

     সমস্যার সূত্রপাত হিসেব রাখার নতুন যন্ত্রটা থেকেই হয়েছিল। একটা ট্রানজিসটর পুড়ে গেছিল বা ওই দাঁতওয়ালা চাকতিটা দু’ঘর পিছলে গেছিল। তাতেই ভুলটা হল, দশমিকটাও দু’ঘর পরে গিয়েই বসল। এটাই বিচিত্র যে পশ্চিমের অত বড় কফিন প্রস্তুতকারী সংস্থা হয়েও ভুলটা কিন্তু কীভাবে যেন এতগুলো মানুষের চোখ [আরো পড়ুন]

Read more

স্বাধীনতার সাধ

(১)

সাঁই! ঠাং!…ধড়াম!

     তিনটে শব্দ, তারপর কয়েক সেকেন্ডের পিন ড্রপ সাইলেন্স, আর এরপরই তুমুল হুল্লোড় আর উচ্ছ্বাসের বিস্ফোরণ! আর সঙ্গে সঙ্গে চলছে বিজেতার জয়ধ্বনি— “স্টিংগার! স্টিংগার! স্টিংগার!” এরিনার চারটে জায়ান্ট স্ক্রিনে বারবার দেখানো হচ্ছে যে কিছুক্ষণ আগে স্টিংগার কীভাবে অভাবনীয় ক্ষিপ্রতার সঙ্গে তার প্রতিপক্ষকে ‘স্টিং’ দিয়ে গেঁথে মাটিতে [আরো পড়ুন]

Read more

এল ডোরাডো

অরিজিৎ যখন ক্যানেল পার থেকে ফিরছিল তখন রাত এগারোটা বেজে গেছে। রোহনের বাড়িতে এতটা রাত হয়ে যাবে ঘুণাক্ষরেও ভাবেনি সে। আসলে রোহন কালই কলকাতা চলে যাচ্ছে। একটা নিউজ চ্যানেলের ওয়েব ডিজাইনিং-এর কাজ পেয়েছে সে। এমটেক করেও এতদিন বসেছিল স্রেফ একটা ভালো মনমতো কাজ পাওয়ার জন্যই। নয়তো অনেক ক’টা জবের অফার রোহন পেয়েছিল। যে কাজটা এখন পেয়েছে তার চেয়েও বড় কোম্পানিতে [আরো পড়ুন]

Read more

যুগলবন্দি

অডিটোরিয়ামে আজ তিল ধারণের জায়গা নেই! সমস্ত সিট ভরতি, সিটের সারির মাঝের প্যাসেজের মেঝেতেও লোক বসে রয়েছে ঠাসাঠাসি করে। এমনকী ওপরের ব্যালকনিতে উপচে পড়ছে ভিড়। মানুষের মাথার ওপর দিয়ে রোটরের শব্দ তুলে ওড়ে ক্যামেরা ড্রোনের ঝাঁক, স্টেজের সামনে বকের মতন লম্বা পায়ে হেঁটে পজিশন ঠিকে করে অটো-ক্যামেরার দল।

     একসঙ্গে এত মানুষের ভিড় এ শহর বোধহয় বিগত কয়েক [আরো পড়ুন]

Read more

শ্যাতোয়ান্ত

১. শ্যাতোয়ান্ত

সকালটা প্রায় শেষ যাচ্ছিল যখন মিস্টার শ্যাতোয়ান্ত বলল, “জানালার পর্দা খুলে দাও।”

     এতক্ষণ যা মনে হয়েছিল দেয়াল­— যাতে সাঁটা ছিল বহু বিমূর্ত ছবি— তা মিলিয়ে গিয়ে দেখা দিল জানালার বাইরে পেঁজা তুলোর মতো বাতাসে তুষার কণার বিচলন। ঘরের ভেতর বাজছিল জোহান সেবাস্টিয়ান বাখের ‘বাতাস’। রাস্তার ওপাড়ে এক বহুতল বাড়ির ২৬তম তলা। ফ্রিজ খুলে কমলার [আরো পড়ুন]

Read more

শিশুটি – সাইমন রিচ

এ তো জানাই ছিল, শিশুটি এলে বেনের অফিস খানা নার্সারি হয়ে উঠবে।

     সাধের লেখালেখির রুমটিকে মিস করবে বেন, কিন্তু সে জানে, তুলনামূলকভাবে ওটা একখানা ছোট বলিদান। ওর স্ত্রী সু গত দু’বছর ধরে পেট ফাঁপিয়ে গ্যাস হওয়া সব ভিটামিন নিচ্ছে আর যোনিতে এক বুড়ো পোলিশ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের খোঁচাখুঁচি সহ্য করে যাচ্ছে। বেচারিকে এমনকী বেনাড্রিল আর ভোদকা মার্টিনিও [আরো পড়ুন]

Read more

ক্যাম্পবেলের সঙ্গে একটি দুপুর – ফ্রেড লারনার

The FANAC FAN HISTORY PROJECT PRESENTS

জন ক্যাম্পবেলের সাক্ষাৎকার

ফ্রেড লার্নার

সৌজন্যে – দ্য প্রিন্টেড ওয়ার্ড। বইয়ের দুনিয়ার বিভিন্ন খোঁজখবর সংক্রান্ত একটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান।

ফ্রেড লার্নার: আজ আমাদের অতিথি কল্পবিজ্ঞান লেখক ও সম্পাদক বিখ্যাত জন ক্যাম্পবেল জুনিয়র। মিস্টার ক্যাম্পবেলের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘who goes there’। এর থেকে সাম্প্রতিককালে একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্রও [আরো পড়ুন]

Read more

গোল্ডেন এজ সায়েন্স ফিকশন – আইজাক আসিমভ

১৯৩৮ সালটা সায়েন্স ফিকশনের ইতিহাসে এক সন্ধিক্ষণ। ১৯২৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল কল্পবিজ্ঞান ম্যাগাজিন গার্নসব্যাকের অ্যামেজিং। তারপর থেকে এত ভালো সময় আর আসেনি।

     ১৯৩৭ সালে অ্যাস্টাউন্ডিং স্টোরিজের পুরোনো সম্পাদক মিস্টার ওরলিন ম্যাগাজিনের দায়িত্ব ছাড়লেন। সম্পাদক হলেন জন ক্যাম্পবেল জুনিয়র। এতদিনে পাঠককুল কল্পবিজ্ঞানের এক নতুন দিগন্ত [আরো পড়ুন]

Read more

গোল্ডেন এজ অব সায়েন্স ফিকশনের কয়েকজন ইলাস্ট্রেটর

সায়েন্স ফিকশন বললেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে অসম্ভব সব জগতের ছবি, অদ্ভুত যত ভিনগ্রহী, গ্র্যান্ড স্পেস এক্সপ্লোরেসন, দুর্দান্ত সব মহাকাশযান, নানা রঙের ভবিষ্যতের পৃথিবী, অথবা বৃহৎ রোবট। এগুলির মূল উৎস মনের আয়নায় প্রতিফলিত হওয়া নানাবিধ সায়েন্স ফিকশন বই, পত্র-পত্রিকার প্রচ্ছদে ছাপা ছবি। এই ছবিগুলির অধিকাংশই ছাপা হয়েছে গত শতাব্দীর নানান দশকে – স্থান [আরো পড়ুন]

Read more

সম্পাদকীয়

প্রিয় বন্ধুরা, বেশ কিছুদিন পরে আপনাদের কাছে ফিরে এলাম কল্পবিশ্বের নতুন সংখ্যা নিয়ে। কিন্তু এই নতুন সংখ্যা প্রকাশের মধ্যেও আনন্দিত হতে পারছি কই? শুধু আমাদের দেশ নয়, সমগ্র মানব সভ্যতা আজ এসে দাঁড়িয়েছে এক অভূতপূর্ব বিপদের সামনে। আমাদের বাসগ্রহে মারী সংক্রমণ আজ, সেই গভীর অসুখে তথাকথিত সভ্যতার পিঠ আক্ষরিক ভাবে ঠেকে গিয়েছে এক অকল্পনীয় জগতের দেয়ালে। [আরো পড়ুন]

Read more

দ্য মিউজিক অফ এরিক জান – এইচ পি লাভক্র্যাফট

previous arrow
next arrow
previous arrownext arrow
Slider
Read more

কল্পবিজ্ঞানের স্বর্ণযুগ? ভাবনায়, আঙ্গিকে

“There are but two ways of forming an opinion in science. One is the scientific method; the other, the scholastic. One can judge from experiment, or one can blindly accept authority. To the scientific mind, experimental proof is all important and theory is merely a convenience in description, to be junked when it no longer fits. To the academic mind, authority is everything and facts are junked when they do not fit theory laid down by authority.”

— Lifeline, Robert A. Heinlein (First Published in August, 1939 Issue of the Astounding Stories of Super-Science)

 

সাহিত্যে এবং সমাজের অন্তর্নিহিত মিথোস্ক্রিয়া এক বহতা নদীর মতো চলমান। তার নানা বাঁকে সমাজ বীক্ষণের নতুন আঙ্গিক অপেক্ষা করে [আরো পড়ুন]

Read more

শতাব্দীর সেরা সাক্ষাৎকার

শতবর্ষ সংখ্যা, ১৬ই মাঘ, ১৫২২ বঙ্গাব্দ

কল্পবিশ্বের এই শতবর্ষ সংখ্যার সাক্ষাৎকারে আমরা নিয়ে এসেছি একজন নয়, তিনজন জাঁদরেল সম্পাদককে। আজকের সাক্ষাৎকারটা চলবে কিছুটা আড্ডার ছলেই—হলোডেকে এই মুহূর্তে কল্পবিশ্বের সম্পাদকের সামনে হাজির হয়েছেন—সায়েন্স ফিকশনের পিতা হুগো গার্নসব্যাক, আধুনিক সায়েন্স ফিকশনের নির্মাতা জন ক্যাম্পবেল, বাংলা কল্পবিজ্ঞানের [আরো পড়ুন]

Read more

ঈশ্বরের গণিত

অধ্যায় এক

১৭ এপ্রিল, ২০৬৪ স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশন; ইউএস, ক্যালিফোর্নিয়া

 

“এমিলি, কফি খাবে?” পেছনের সারি থেকে বলে ওঠে মাইক।

     “একটু পর, একটা মজার জিনিস পেয়েছি। চাইলে তুমি একা খেয়ে আসতে পারো, আসার সময় আমার জন্যে এক কাপ নিয়ে এসো।”

     এমিলি, নতুন জয়েন করেছে এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের জুনিয়র পর্যবেক্ষক হিসাবে। নতুন নতুন সবারই এমন উৎসাহ উদ্দীপনা একটু [আরো পড়ুন]

Read more

অপার্থিব মেধার সন্ধানে – পর্ব ৮

আন্তঃনক্ষত্র পরিভ্রমণ – ২

সাধারণত ইদানিং রবিবার দুপুরের আগেই প্রফেসর মহাকাশ ভট্টের বাড়ি যাই। এই রবিবার স্যার ফোনে সন্ধের পরে আসতে বললেন। স্যারের পরিচিত ফিলাডেলফিয়ার একটি বাঙালি পরিবার সম্প্রতি কলকাতায় এসেছে—দেখা করতে আসবে। সন্ধে সাতটা নাগাদ স্যারের বাড়ি এলাম। স্টাডিরুমেই যথারীতি বসা হল।

     স্যার বললেন, “হ্যাঁ, আগের দিন যেটা বলছিলাম—আন্তঃনক্ষত্র [আরো পড়ুন]

Read more

কাল-করোটি – ফিলিপ কে. ডিক

“কাজটা কী? সেরকম হলে ভেবে দেখতে পারি।” কনজার নড়েচড়ে বসল।

     নিস্তব্ধ ঘরে অপেক্ষমান মানুষগুলির প্রতি জোড়া চোখ এখন কয়েদীদের আধময়লা পোশাক চাপানো কনজারের ওপর নিবদ্ধ।

     বক্তা একটু ঝুঁকে বসলেন।

     “জেলে ঢোকার আগে তোমার বেআইনি কাজগুলো থেকে তো ভালোই কামাচ্ছিলে। আপাতত এখন তোমার কাছে ফুটো কড়িও নেই। তা ছাড়া, এখনও প্রায় বছর ছয়েক হাজতবাস বরাদ্দ আছে তোমার।”

[আরো পড়ুন]

Read more

পাঁচটি গোল্ডেন এজ সায়েন্স ফিকশন

দ্য মার্সি়য়ান ওয়ে – আইজাক আসিমভ

১৯৫২-র নভেম্বর মাসের Galaxy Science fiction পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল উপন্যাসিকাটি৷ আসিমভ, ম্যাকার্থির কম্যুনিস্টবিরোধী অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ লিখেছিলেন গল্পটি৷

     পৃথিবী ও মঙ্গলের মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে৷ জন হিল্ডার নামের এক রাজনৈতিক নেতার মতে শুক্র, মঙ্গল ও চাঁদের কলোনীগুলো, পৃথিবীর [আরো পড়ুন]

Read more

“ভূমিকম্প” – একটি  সময়োপযোগী নিবন্ধ  

আপনার বাড়ির বিড়ালটি কি হঠাৎই অদ্ভুত আচরণ করছে? পালাতে চাইছে বাড়ি ছেড়ে? ইঁদুরগুলি কি গর্ত থেকে বেরিয়ে ইতস্ততভাবে ছোটাছুটি শুরু করেছে বিনা কারণেই? নদীর মাছ প্রাণভয় বিসর্জন দিয়ে কি ডাঙায় উঠে পড়েছে? এমন সব অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে থাকলে বুঝতে হবে লক্ষণ ভাল নয়, হতে পারে ভয়াবহ ভূমিকম্প! ‘এডুকেশন ফোরাম’ থেকে প্রকাশিত, অবিশ্বাস্য সব তথ্যে ঠাসা, “ভূমিকম্প” [আরো পড়ুন]

Read more

চোখের আলোয় – আইজাক আসিমভ

অ্যাডাম ওর বিগত ট্রিলিয়ন বছর ধরে সঞ্চিত স্মৃতিকে একটু একটু করে মনে করার চেষ্টা করছিল। কাজটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। অসাধারণ একটা পরিকল্পনা খেলা করছে মাথায়। যদি… যদি নতুন কিছু করা যায়! একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রণহীন এক চেতনার স্রোত নিরন্তর ছড়িয়ে দিচ্ছিল মহাশূন্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। আইভি এখনও সাড়া দিচ্ছে না কেন?

‘হ্যাঁ, অ্যাডাম বল। তুমি কি প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছ?’

[আরো পড়ুন]

Read more

কৃত্রিম

ক্যাফেতে পৌঁছে একটু এদিক ওদিক তাকাতেই মেয়েটিকে দেখতে পেয়ে গেলেন আসিফা। যতটা কমবয়সি মনে হয়েছিল ফোনে, ততটা নয়। অন্তত তিরিশ বছর বয়স তো হবেই। চেহারায় কোনও চটক নেই, তবে দেখতে সুশ্রী। ওঁকে দেখে উঠে দাঁড়িয়ে হাত বাড়িয়ে দিল জ্যোতি। হ্যান্ডশেকের পর ছোট্ট টেবিলটার দুদিকের চেয়ার দখল করল দুজনে।

     ভালো করে জ্যোতির দিকে তাকিয়ে দেখলেন আসিফা। রোগা ছিপছিপে [আরো পড়ুন]

Read more

স্পন্দন সিরিজ – প্রথম প্রাণের স্পন্দন ও আমরা (পর্ব-১)

শীতের সকাল। প্রোফেসর সূর্যশেখর সেনগুপ্ত গরম কফিতে সবে চুমুক দিয়েছেন, এমন সময় কলিংবেল বাজল। ‘হরি, কে এল দ্যাখ’ বলে কফিতে তিনি আবার মনোনিবেশ করলেন। প্রোফেসরের বহুদিনের গৃহভৃত্য হরি দরজা খুলেই‘আরে দেখুন, কতদিন পর উজানবাবু এল’ বলে একগাল হেসে উঠল। প্রোফেসর সেনগুপ্ত ভারি খুশি হলেন। বলে উঠলেন, ‘উজান আয়, তোর’তো আর দেখাই পাওয়া যায় না। [আরো পড়ুন]

Read more

ফস্কা গেরো – আর্থার সি. ক্লার্ক

মাননীয় সম্পাদক মহাশয়,

সম্মিলিত বৈজ্ঞানিক পর্ষদ

     আপনার পাঠানো সংবাদ থেকে জানতে পারলাম যে পৃথিবীর বাসিন্দারা পারমাণবিক শক্তি নিষ্কাশনে সমর্থ হয়েছে এবং তারা রকেট-উৎক্ষেপণ নিয়েও গবেষণা শুরু করেছে। আমার অনুরোধ এটিকে অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা হিসেবে গণ্য করুন। অবিলম্বে এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন পাঠান। তবে দয়া করে বেশি বড় করবেন না ।

রাষ্ট্রপতি
কে. ক. ৪র্থ

 

 

[আরো পড়ুন]

Read more

বিধুশেখর

সুমন্তবাবুর মন খারাপ। আজ বিকেলে বাস থেকে নামতে গিয়ে পড়ে গেলেন। চোট খুব একটা লাগেনি। কিন্তু বুঝতে পারছেন একটু সাবধানে চলাফেরা করা দরকার। সুমন্তবাবু থাকেন বেহালা চৌরাস্তার কাছে। আজকাল এখানে রাস্তায় চলাফেরা করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। একই রাস্তায় মানুষ, সাইকেল, বাস, রিকশা, অটো নিয়ে নিত্য যানজট লেগেই আছে। বাড়ি ফেরার সময় মনে মনে ভাবতে থাকলেন, পড়ে গেলেন [আরো পড়ুন]

Read more

নাল হাইপোথিসিস

‘বুদ্ধিটা কেমন?’ মুচমুচে করে ভাজা ভুট্টার প্লেটটা টেবিলের ওপরে রাখতে রাখতে বলে চার্লি ডিক্সন। শব্দ করে সোডার ক্যানটা খুলে তাতে আয়েশ করে একটা চুমুক দেয় সে, বিশ্রী শব্দে একটা ঢেঁকুর তুলে উত্তরের আশায় তাকিয়ে থাকে পাশে বসে থাকা রিচি গার্নারের দিকে।

     পাগলাটে স্বভাবের চার্লি হঠাৎ করেই ছোটখাটো একটি সামাজিক পরীক্ষা করে দেখবে বলে ঠিক করেছে। পরীক্ষাটা [আরো পড়ুন]

Read more

ক্যালাইডোস্কোপ – রে ব্র্যাডবেরি

যেন কোনও এক অদৃশ্য দানবের কোপ। তারই প্রথম ঝটকায় উপর থেকে ফর্দাফাঁই হয়ে গেল রকেটটা! আর ভিতরের মানুষগুলো খলবলে রঙিন মাছের ঝাঁকের মতো ছড়িয়ে পড়ল মহাকাশের শূন্যতায়। অন্ধকারের এক নিঃসীম সমুদ্রের গভীরে ছড়িয়ে যাচ্ছিল ওরা। আর ওদের মহাকাশযানের লক্ষ কোটি টুকরো ভেসে যাচ্ছিল এমনভাবে, দেখে মনে হবে নিরুদ্দেশ কোনও সূর্যের সন্ধানে চলেছে উল্কার ঝাঁক।

     ‘‘বার্কলে, বার্কলে, তুমি কোথায়?’’

[আরো পড়ুন]

Read more

রাতের প্রহরী – জেমস ইঙ্গলেশ

অতি তীব্র শক্তির স্রোতে মুহূর্তে সৃষ্টি হল সত্ত্বা। জড় পদার্থ থেকে সম্পূর্ণ জেগে উঠে সে চেয়ে দেখল নিজের অন্তরের ও চারপাশের জগৎটার দিকে। কিছুক্ষণ নিজের অতল স্মৃতির গভীরে তলিয়ে গেল সে। বুঝল যে এটা তার জন্মমুহূর্ত নয়, আসলে বহু যুগ ঘুমিয়ে থাকার পর এখন তার ঘুম ভেঙেছে। তার বিশাল স্মৃতির ভাণ্ডারের অধিকাংশের মানে সে বুঝল না গোড়াতে, ক্রমশ সে বোঝবার [আরো পড়ুন]

Read more

মেশিন লার্নিং

প্রধান শিক্ষকের ঘরের সামনে এসে দাঁড়াল সহ-শিক্ষকটি। উঁকি মেরে দেখল ভেতরে তিনি ছাড়া আর কেউ নেই। এই বিদ্যালয়ে একদম নতুন এসেছে সে। আর আজকেই এই বিপত্তি।

     ‘ভেতরে আসতে পারি স্যার?’ সে বলল।

     ‘আসুন’ প্রধান শিক্ষকের গম্ভীর স্বর ভেসে এল। ‘কী ব্যাপার?’

     কীভাবে ব্যাপারটা বলবে একটু ভেবে নিল সহ-শিক্ষকটি, তারপর বলল, ‘আজ নবম শ্রেণির প্রথম পিরিয়ডটা আমার ছিল।’

     ‘জানি।’

[আরো পড়ুন]

Read more

সম্পাদকীয়

পৃথিবী বদলাচ্ছে। এবং দ্রুত। তারই মধ্যে কিছু জিনিস বদলে যেতে যেতেও বদলায় না। যেমন উৎসব। কেজো পৃথিবীর লোহালক্কড়-ব্যস্ততার ফাঁকে কখন যেন চুপিসারে উঁকি দিয়ে যায় অন্যমনস্ক কাশফুল। আপনাদের জন্য উৎসবের উপহার নিয়ে হাজির কল্পবিশ্বও। যদিও আপাত ভাবে মনে হবে, উৎসবের সময় এ নয়। জলে বাতাসে মিশে যাচ্ছে বিষ। আমাজনের জঙ্গলের দাউদাউ জতুগৃহের আঁচ আমাদের অস্তিত্বেও [আরো পড়ুন]

Read more

বাংলা কল্পবিজ্ঞান কোন পথে চলেছে?

তারপর আস্তে আস্তে এক নতুন সময়ে এসে পৌঁছেছে বাংলা কল্পবিজ্ঞান। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ লেখকরাও তুলে নিচ্ছেন কলম। কিন্তু ভবিষ্যৎ কোন পথ দেখাচ্ছে? বাংলার আরও অনেক সাহিত্যরীতির মতো কল্পবিজ্ঞানও এসেছে বিদেশি সাহিত্যের হাত ধরে। কিন্তু কল্পবিজ্ঞানের আত্মীকরণ কি বিশ্বসাহিত্যের সাইফিকে আত্মস্থ করেই সম্পূর্ণ হবে নতুন পথে? নাকি বিগত কয়েক দশক ধরে তৈরি হয়ে [আরো পড়ুন]

Read more

আদম ইভের প্রত্যাবর্তন

অনীশবাবু প্রতিদিন সকালবেলায় লেকে বেড়াতে যান। এটা অভ্যাস করেছেন শুধু শরীরচর্চার জন্যই নয়, ওখানে গেলে বেশ কিছু বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়। তারাও অনেকে তাঁরই বয়সী, সদ্য রিটেয়ার করেছে। দু’একজন অল্প বয়সীও আছে। তারাও বেশ ভালো, খুব সম্মান দেয়। যেহেতু কলেজে পড়াতেন, অনেকেই তাঁকে স্যার বলে সম্বোধন করে। এই তো গত টিচার্স ডে তে একজন একটা ব্লু টুথ হেডফোন উপহার দিয়েছে। [আরো পড়ুন]

Read more

ভাঙ্গা গড়ার খেলা

হঠাৎ ছুটতে শুরু করলাম। মহাশূন্যের ভেতর দিয়ে! কেন? জানি না। কোথায় যাচ্ছি তাও জানি না! শুধু এটুকু বুঝতে পারছি, গ্যালাক্সি কেন্দ্রের দিকে ছুটে চলেছি। ছুটছি তো ছুটছিই; অনিচ্ছা সত্ত্বেও ছুটছি!      

এবার শুরু হল এক প্রচণ্ড টান। সোজা ব্ল্যাকহোলের দিকে। কিন্তু সেখানে তো আমাদের প্রবেশ নিষেধ। গ্রন্থে পরিষ্কার নির্দেশ দেওয়া আছে, “তোমরা আমার সৃষ্টির সর্বত্র ভ্রমণ [আরো পড়ুন]

Read more

জিরো

প্রাককথন

 “এই কাহিনি শ’দুয়েক বছর পরের এক পৃথিবীর।

     ক্রমশ কমে আসা সবুজ আর নীলের প্রায় সবটাই তখন মুছে গেছে বিশ্বযুদ্ধের তাপ আর বিকীরণে। সেই সঙ্গেই পৃথিবীর এক মস্ত অংশ থেকে হারিয়ে গেছে জীবন। কিন্তু সর্বনাশা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে সেনাবাহিনীর একাংশ বুঝতে পারল, অন্য রাষ্ট্র বা ধর্ম-জাতি-ভাষার মানুষ নয়, এই যুদ্ধ চাইছে অতিবৃহৎ বাণিজ্যিক সংস্থাগুলো। [আরো পড়ুন]

Read more
error: Content is protected !!