সম্পাদকীয়

প্রিয় কল্পবিশ্বের বন্ধুরা,

     আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে – গ্রীষ্মের নির্মম দাবদাহের শেষে শান্তির আশ্বাস নিয়ে আসে বর্ষাকাল। কিন্তু আজকাল যেন ঋতুগুলির গতিপ্রকৃতি বোঝা ভার। কখনও রেকর্ড ভাঙা তাপমাত্রা, আবার কখনও অকালবৃষ্টি! শীতের পরশ কখন যে আমাদের ফাঁকি দিয়ে চলে যায় বোঝা দায়। প্রবীণরা প্রায়ই বলেন, দেশের আবহাওয়া যেন আগের মতো আর নেই। তবে এটা কিন্তু [আরো পড়ুন]

Read more

আমাদের ভবিষ্যৎ – নতুন তুষারযুগ নাকি জলমগ্ন পৃথিবী?

মাদের ধারণা পৃথিবীতে তুষারযুগ আসলেও তা আসবে খুব ধীরে ধীরে। কল্পবিজ্ঞান গল্প কিংবা সিনেমায় যেরকম নাটকীয় ভঙ্গিতে দেখান হয়, সেভাবে কখনওই নয়। কিন্তু অনেক বিজ্ঞানীই মনে করেন আবহাওয়ার বিস্ময়কর এবং দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে, বিশেষ করে মানুষ যদি পৃথিবীর আবহাওয়া পরিবর্তনে অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করে।

     পৃথিবীর প্লাইস্টোসিন যুগ, যা শুরু হয়েছিল আজ থেকে প্রায় পঁচিশ [আরো পড়ুন]

Read more

মীরজাফর

“ড্যাম! হাউ দিস ক্যুড হ্যাপেন?”

     “সর‍ি স্যার- ইট ওয়স মাই ফল্ট, বাট-বাট আই ডিড রেক্টিফাই ইট উইদিন সেকেন্ডস।”

     “দ্যাট ডাসন’ট চেঞ্জ এনিথিং!! ইউ অয়্যার অ্যাবাউট টু জিওপারডাইস মাই এন্টায়ার লাইফ’স ওয়ার্ক – ইউ!! লাল, ইউ দেয়ার??”

     “ইয়েস স্যার।”

     “শ্যুট দিস বাস্টার্ড রাইট নাউ! আই ওয়ান্ট টু হিয়ার হিস স্ক্রিম!”

     একটা তীক্ষ্ণ শব্দ শোনা গেল – যুগপত বন্দুকের এবং মৃতপ্রায় মানুষের গলার।

[আরো পড়ুন]

Read more

গ্রন্থ সমালোচনা – নিউ ইয়র্ক ২১৪০ – কিম স্ট্যানলি রবিনসন

উপন্যাস নিউ ইয়র্ক ২১৪০

লেখককিম স্ট্যানলি রবিনসন

জঁরসায়েন্স ফিকশন

সাব-জঁরক্লাইমেট ফিকশন (ক্লাই-ফাই)

উপন্যাসটি ২০১৮ ইউগো পুরষ্কারের জন্য মনোনীত।

ফিস টাইম। স্কাইব্রিজ দিয়ে মানুষগুলো এগিয়ে চলেছে কর্মস্থলের দিকে। বাতাসে ভাসছে সমুদ্রের সোঁদা গন্ধ। লঞ্চে বড্ড ভীড়। বড়লোকদের স্পীডবোটগুলো পাশ দিয়ে ঢেউ তুলে এগিয়ে চলেছে। শহরটা জলমগ্ন [আরো পড়ুন]

Read more

এক ডজন কল্পবিজ্ঞান লিমেরিক

(১)

নিছকই বাঙালি প্রায়। রোজ চাই মাছ ভাত শুক্তো।
আবাস? নিকট অতি। গ্রহ তার এ’ গ্যালাক্সিভুক্ত।
সে হলে ভ্যালেন্টাইন
রুখবে কোন সে’ আইন?
লেজ আছে? থাকুক না। চিন্তা তো স্বাধীন আর মুক্ত।

(২)

যানটি বিগড়ে গেছে, পালাবার স্কোপও নেই।
শ্বাসবায়ু মিলছে না? তবে শোনো গোপনেই,
একটি উপায়ই আর
আছে প্রাণ বাঁচাবার,
শেষ আশা পৃথিবীতে জেনো গাছ রোপনেই।

(৩)

সস্তা নতুন মাছের চালান। টাটকা [আরো পড়ুন]

Read more

প্রলয়

প্রলয় উপস্থিত।

     এভারেস্ট এর মাথার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা মন্দিরের মতো বিল্ডিং ও তার পাশের রকেটের দিকে তাকিয়ে মায়ের কথা মনে পড়ে গেল রাজের।

     দুইদিন আগেই মা মারা গিয়েছেন। তারপর অন্যরাও একে একে, এখন শুধু ওই বেঁচে আছে।

     আকাশের দিকে মুখ তুলে তাকিয়েই খুশি হল রাজ। বাঃ, মায়ের কাছে যাওয়ার সময় এসে গিয়েছে।

     আকাশে জমাট বাধা কালচে লাল রক্তের মতো মেঘ করেছে। অন্যন্য [আরো পড়ুন]

Read more

উপসংহার

দুপুর থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে আজ। ঠিক পাহাড়ি বৃষ্টি নয়, তবে কেমন যেন আকাশটা ধরে আছে। আজ দ্বাদশী, দুদিন হল আনুষ্ঠানিক ভাবে দুর্গাপূজা শেষ হয়ে গেছে, অবশ্য পশ্চিম বাংলায় বেশীরভাগ জায়গায় পুজোর মরশুমটা লক্ষ্মী পুজো পর্যন্ত থাকে। আর সাধারণত লক্ষ্মী পুজো পর্যন্ত স্কুল কলেজ, অফিস এমনিতেই বন্ধ থাকে, তাই আরো কিছু দিন আনন্দ উপভোগ করা, এই আর কি? দোষ নেই, [আরো পড়ুন]

Read more

অগ্নিপথ ৮ : অগ্নিযোগ

স্থানঃ ভবিষ্যৎ

কালঃ অজ্ঞাত

পাত্রঃ সুমন

সুমনার নোটবইতে আর কোনও গল্প লেখা ছিল না। সেইবার ওর সামনে দাঁড়িয়ে আর কোনও কথা হয়নি। সময় ফুরিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমায় ফিরে আসতে হয় কথা অসমাপ্ত রেখে। ডায়রীতে এই কথাগুলো বাদেও রয়ে যায় কিছু নোটস… সেগুলো সংক্ষেপে লেখা। আর সঙ্গে কিছু ছবি… আমি সেগুলোই পড়তে শুরু করলাম…

|| ৮ক ||

        প্রায় দুই হাজার খ্রীষ্টপূর্বাব্দে [আরো পড়ুন]

Read more

পরিবেশ কাহিনি

ঠাণ্ডা! শৈত্য! শীতল! মস্তিষ্কের কেন্দ্রস্থলে এই একটাই সংকেত পোঁছাচ্ছে আপাতত। স্নায়ু-জালের শাখা-প্রশাখা গুলো এখনো অচেতনতায় আচ্ছন্ন। হঠাৎ একটা যান্ত্রিক সংকেত সচল হয়ে উঠল। একটা নির্দিষ্ট ক্রমে পরিমিত বৈদ্যুতিক প্রবাহ এসে সটান আঘাত করল হৃদযন্ত্রে। সঙ্গে সঙ্গে অজস্র তারের জট বেয়ে জাগরণ বার্তা ধেয়ে এল শরীরটার সমস্ত প্রয়োজনীয় বৃত্তীয় [আরো পড়ুন]

Read more

ক্লাই-ফাই সিনেমা – রূপোলী আলোয় শেষের সেদিন

সয়লেন্ট গ্রিন ছায়াছবির এক আইকনিক ফ্রেম

Det. Thorn: Ocean’s dying, plankton’s dying… it’s people. *Soylent Green is made out of people.* They’re making our food out of people. Next thing they’ll be breeding us like cattle for food. You’ve gotta tell them. You’ve gotta tell them!

Hatcher: I promise, Tiger. I promise. I’ll tell the Exchange.

Det. Thorn: You tell everybody. Listen to me, Hatcher. You’ve gotta tell them! Soylent Green is people! We’ve gotta stop them somehow!  

                                                                                  — Soylent Green (1973)    

০২২ এর পৃথিবী যেখানে প্রযুক্তির [আরো পড়ুন]

Read more

ইনটু দ্য স্টর্ম

র্মির পায়ের শব্দ পেয়েই আনোয়ার সচকিত হয়ে উঠলেন। অবশ্য সেটাই স্বাভাবিক। কারণ এই সময়ে হয় তারা আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করতেই আসছে, নয়তো তার সঙ্গে যোগ দিতে!

     মস্ত জানলার ওপরে তুষারঝড় আর বৃষ্টিপাতের অবিশ্রান্ত শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। কাচের শার্সির বাইরে তাকালেই চোখে পড়ে আকাশ ফালাফালা করে দেওয়া বজ্রপাত। দূরের পাহাড়ের ওপরে কুণ্ডলী পাকানো মেঘ, বিদ্যুতের আলোয় তার [আরো পড়ুন]

Read more

সাক্ষাতে ড্যান ব্লুম : আবহ-কল্পনা এবং ভবিষ্য-শহরের রূপরেখা

সাম্প্রতিককালে ‘স্ট্রর্ম-টেলার’ উপন্যাসের লেখক ডেভিড থ্রর্প স্মার্ট-সিটি-ড্রাইভ পত্রিকার পক্ষ থেকে একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন, ক্লাই-ফাই ধারার পিতৃপুরুষ ড্যান ব্লুমের।

     ড্যান ব্লুম। ফ্রিলান্স লেখক। ১৯৯১ সাল থেকে টোকিয়ো এবং তাইপেই-তে বসবাস করছেন। ইনিই প্রথম আবহাওয়া-কল্পকাহিনি (সংক্ষেপে আবহ-কল্পনা/ক্লাই-ফাই) নামে কল্পবিজ্ঞানের এই নতুন ধারাটিকে [আরো পড়ুন]

Read more

এস. এফ.-এর রূপান্তর: বাংলায় কল্পবিজ্ঞান এবং সাম্রাজ্যিক টেকনো-সায়েন্স

Abstract in English

In this paper, I look at current theories on global science fiction (sf) that are alert to the role of imperialism in sf literature. Examining the work of Istvan Csicsery-Ronay, Jr., John Rieder, and Patricia Kerslake, among others, I describe how these theories, which deal primarily with sf produced by former colonial powers, may be extended in the context of sf produced by writers from the colonies during the colonial period and after independence.  While little attention had been paid to sf produced by countries outside the Anglo-American and European world in early sf historiography, current sf criticism is investigating these in a larger global context (for instance Eastern European, Latin American, African, West and South Asian). In this paper, I do not attempt a historical telling, as has been done in most of these approaches (some of which I have reviewed). Instead, using the lens [আরো পড়ুন]

Read more

অপার্থিব মেধার সন্ধানে

পর্ব ৩

আকাশবাণী

“‘১৯৫৯ সালের এক বসন্তের দিনে’ – হ্যাঁ, আমেরিকার কর্ণেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ফিলিপ মরিসন কথাগুলো ঠিক এ ভাবেই বলেছিলেন – ‘আমার প্রতিভাধর বন্ধু জিউসেপি ককোনি আমার অফিসে এসে এক দুর্ঘট প্রশ্ন করে বসল – গামা রশ্মি কী তারাদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হতে পারে না?’ মরিসন সহমত পোষণ করে পরামর্শ [আরো পড়ুন]

Read more

২০৩০ : স্বগতোক্তি

কাং… ঠক… ঠকাং… ঠক… ঠকাং…

     একটা আশ্চর্য ছন্দ ওই শব্দে। ভয়ানক বিরক্তিকর এবং একঘেয়ে সুর। যেন কোনও বিপদের পূর্বাভাস।

     ওরা এসে গেছে। এখানেও। আমার পিছু নিয়ে, আমাকে তাড়া করে। ওদের ধাতব পদশব্দ বলছে ওরা আমায় ছাড়বে না সহজে। প্রতিমুহূর্তে আমার ঘরে ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হচ্ছে। কিন্তু উপায়?

     আচ্ছা, একবার মাথা ঘুরিয়ে দেখে নিই ঠিক কতদূরে [আরো পড়ুন]

Read more

পরিবেশগত বিপর্যয়

১) Aral সাগরকে কেন পরিবেশ সংক্রান্ত বিপর্যয়ের আদর্শ উদাহরণ বলা হয় কেন?

     মধ্য এশিয়ার মধ্যে Aral সাগর, কিন্তু আসলে সাগর নয় এশিয়ার মধ্যে এইটিই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম লেক। আয়তনে ৬৮,০০০ বর্গ কিলোমিটার।

     আসলে এতই বিশাল এর আয়তন যে লোকের কাছে সাগরের রূপ নেয়। তাই সকলে এর নাম দিয়েছে Aral সাগর। মিষ্টি জলের লেক। এই জলাধারকে নিয়ত পুষ্ট করে চলেছে মধ্য এশিয়ার দুটি [আরো পড়ুন]

Read more

নতুন পৃথিবী

জালের থেকে বুড়ো আঙ্গুলের মতো বড় একটা পোকাকে ছাড়িয়ে নিল হিলা। হ্রদের জলে ডুবিয়ে আঠাটা ছাড়িয়ে নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘খাবে নাকি?’

        পোকাটা তখনো মরে নি। আমার গা গুলিয়ে উঠল। কোনো প্রাণীর মৃতদেহই কোনোদিন খাইনি। আমাদের সব প্রোটিন কৃত্রিমভাবে তৈরি। কোনোক্রমে বললাম, ‘না। কী এটা?’

        নির্বিকার ভাবে পোকাটাকে মুখের মধ্যে পুরে চিবোতে চিবোতে হিলা [আরো পড়ুন]

Read more

ভিত্তি

ব্যাঙের ছাতার মত মেঘগুলো পর পর আকাশে উঠছিল।

     রাষ্ট্রনায়কদের আঙুলগুলো কোনো অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা ছিল কিনা কেউ জানে না। পর পর পিয়ানোর রীড টেপার মত ছন্দে সুইচগুলোয় চাপ পড়েছিল।

     মস্কো,দুবাই, টোকিও, নিউ ইয়র্ক, লণ্ডন, সিডনি, দিল্লি, বেজিং…

     অশান্তি ঘনিয়ে এসেছিল বহুকাল আগে থেকেই। যুগের পর যুগ কোন দেশের রাষ্ট্রনায়কই জনসংখ্যা প্রতিরোধের কথা সিরিয়াসলি ভাবেনি। [আরো পড়ুন]

Read more

পরিত্রাতা

২০৩৬ সালঃ

স্টাডি সিস্টেম পাল্টেছে এখন। এখন আর জোর করে স্টুডেন্টদের অপ্রিয় বিষয়গুলো নিয়ে পড়াশোনা করতে হয় না। এখন প্রতি বছর স্কুলে কাউন্সিলিং হয় এবং ফলাফল হিসেবে যে স্টুডেন্টের যে সাবজেক্টে বেশি মনযোগ, তাকে সেই নিয়েই পড়াশোনা করতে দেওয়া হয় স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে।

     মায়ের মুখে শুনেছে নিতাই, কোনও একটা সময় ছিল, যখন টেনথ স্ট্যান্ডার্ড-এর পর ‘মাধ্যমিক’ [আরো পড়ুন]

Read more

কৌটো

(তন্ময় পুরকায়স্হর জবানবন্দি, অনুলিখন রাজকুমার রায়চৌধুরী)

প্রথমেই বলে রাখি আমার নাম তন্ময় পুরকায়স্থ৷ আমি কেমিস্ট্রিতে এমএসসি পাশ করে একটা মোটামুটি নামী কোম্পানিতে চাকরি করি৷ বাঁকুড়া জেলার একটি গ্রামে আমাদের বাড়ি৷ বাড়িতে বাবা-মা আর এক বোন থাকে৷ তবে কাজের চাপে বছরে দু-একবারের বেশি গ্রামে যাওয়া হয়ে ওঠে না৷ আমি বিয়ে করিনি৷ যাদবপুরের কাছে [আরো পড়ুন]

Read more

পেন্ডুলাম

সে ছিল কালের কয়েদি। জীবন ও মৃত্যু থেকে বহিষ্কৃত, এক আশ্চর্য বিষণ্ন জীব। সে তার সামনে দেখেছে সময়ের অনবরত আসা যাওয়া, আর ভীত ভাবে অপেক্ষা করেছে শুধু…অনন্তের?

     “আমার মনে হয়”, এরহাস তীক্ষ্ণ স্বরে বলে “আমরা যতগুলো গ্রহে গিয়েছি তার মধ্যে এই আবিষ্কারটি সব থেকে কৌতূহলজনক।” তার চওড়া সবুজ চকচকে ডানা কাঁপে, পুঁতির মতো চোখে বিদ্যুতের ঝলকানি। তার অনেক সাথীই তাদের মাথা নেড়ে [আরো পড়ুন]

Read more

সবুজের হাতছানি

লো ঝলমল মেট্রো স্টেশনের কাঁচের দরজার ওপারে ট্রেন এসে প্রতিদিনের মতোই দাঁড়াল। ঘড়িতে তখন বাজে সকাল সাতটা দশ। ট্রেনের সিটে স্কুল ব্যাগ নামিয়ে দিয়ে অন্যদিনের মতো বাবাকে সেই পুরনো প্রশ্নটাই করে বসল গুড্ডু, “বাবা, মাটির উপরে খোলা আকাশের নিচে আমাকে কবে নিয়ে যাবে?”

        অন্যমনস্ক হওয়ার ভান করতে করতে গুড্ডুর বাবা বলল, “বলেছি তো নিয়ে যাব। এখন বইতে একবার চোখ [আরো পড়ুন]

Read more

রা-চীন

বিস্ফোরণের প্রবল শব্দে ঘুম ভেঙে ধড়মড় করে উঠে বসে কমল। মোবাইলের ঘড়িতে দেখে রাত তখন বারোটা তেত্রিশ। টেনে টেনে কয়েকটা বড়ো শ্বাস নেওয়ার পরও বুক ধড়ফড়ানিটা কমতে চাইছে না কিছুতেই। শব্দের উৎসের সন্ধানে বিছানা ছেড়ে জানলার সামনে এসে দাঁড়াতেই নাকটা কুঁচকে ওঠে কমলের – বাতাসে মিশে আছে বারুদের গন্ধ!

     দিনটা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ডে-ওয়ান। কেউ জানতেও পারেনি যে চুপিচুপি [আরো পড়ুন]

Read more

হুয়ানের বইটা

কুয়াশায় চারদিক জড়িয়ে থাকলেও সকাল সকাল প্লেন ধরবার তাড়া ছিল। ঘুম থেকে উঠেই তৈরী হয়ে ছুটলাম। ঘুম চোখেই এয়ারপোর্টের তিন নম্বর টার্মিনালের গেট ঠেলে ঢোকবার আগে মনে হল পুরো জায়গাটা আবছা সাদা পর্দায় কেউ ঢেকে দিয়েছে। গেটে আইডেন্টিটি চেক-এর পর ঢুকে পড়লাম ভেতরে। সিকিওরিটি চেক, লাগেজ ফাগেজের ঝামেলা মিটিয়ে লাউঞ্জের দিকে এগোতে থাকলাম। এখন একটা কড়া কফি চাই। ঘুম ঘুম ভাবটা কাটাতে হবে।

[আরো পড়ুন]

Read more

জেমস পটার অ্যান্ড দ্য হল অফ এল্ডারস ক্রসিং – পার্ট ১৩

ত্রয়োদশ অধ্যায়

পোশাকের রহস্য

ইদিন রাতে ডিনারের পর তিন বন্ধু আবার চলল গ্রিফিন্ডোরের শয়নকক্ষের দিকে। জেমস একবার থামল একটা ছবির কাছে। ছবিতে অতিরিক্ত মোটাসোটা এক গরুর দুধ দোয়াচ্ছে কিছু মহিলা। ছবি থেকে এক মহিলা ওর দিকে তাকিয়ে আছে। তখন জেমস ওই লম্বা এবং কুৎসিত দর্শন মহিলার কাছে জানতে চাইল উনি কী দেখছেন। তিরিশ সেকেন্ড কেটে যাওয়ার পর কোনও [আরো পড়ুন]

Read more

মঙ্গলগ্রহের মিঃ স্কাইগেক

“মঙ্গলগ্রহের মিঃ স্কাইগেক” কমিক স্ট্রিপটির প্রথম আবির্ভাব ১৯০৭ সালের অক্টোবর মাসে সিয়াটেল স্টার (Seattle Star) পত্রিকায়। লেখক ফ্রেড স্কেফের আর কার্টুনিস্ট আরমুন্ড ডি কন্ডের হাতে গড়ে উঠেছিল বিশ্বের প্রথম কল্পবিজ্ঞান কমিক স্ট্রিপ।

     প্রায় এক শতাব্দী আগে একটি নিরীহ ভদ্র ভিনগ্রহী মিঃ স্কাইগেক পৃথিবীতে এসেছিল। সাথে এনেছিল শুধুমাত্র একটি নোটবই। সে পৃথিবীর [আরো পড়ুন]

Read more

শেষের সেই দিন (Days of Doom!)

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider
Read more

জেমস পটার অ্যান্ড দ্য হল অফ এল্ডারস ক্রসিং – পার্ট ৮

অষ্টম পরিচ্ছেদ

লুকিয়ে থাকা দ্বীপ

জ্যান, জেমস আর হার্ডক্যাসল গ্র্যাপের কাঁধে চেপে চলল মাগল অভিযানে। জ্যান আর জেমস দুহাতে শক্ত করে ধরে রাখল গ্র্যাপের ছিন্ন জামার অংশ।মিঃ হার্ডক্যাসল বাচ্চারা যে ভাবে বাবা বা মায়ের গলা আঁকড়ে পিঠে ঝোলে সেই ভাবে এক হাত দিয়ে ধরে ঝুলে আছেন। অন্য হাতে উঁচিয়ে ধরে আছেন নিজের প্রজ্জ্বলিত জাদুদন্ড। সেই আলোতে নিচের [আরো পড়ুন]

Read more

প্রহরণ

১২ মার্চ , ২০১৭, কলকাতা

    বাইপাসের মুখটায় একটা স্পিড ব্রেকারের সামনে লোকটা মোটরবাইকে আচমকা ব্রেক কষল। সুহানির নরম বুকটা লোকটার পিঠে লেপটে গেল। মনে মনে হাসল সুহানি। হেবি হারামি লোক তো! তবে লোকটাকে মনে ধরেছে তার। শট নেওয়ার আগেই তাকে দু হাজার টাকা অ্যাডভান্স দিয়েছে! কাজ শেষ হলে বলেছে আরও তিন হাজার টাকা দেবে। বাইকের পিছনে বসে সুহানি লোকটাকে আরও নিবিড় করে [আরো পড়ুন]

Read more

না-মানুষ

উনিভার্সিটির লাইব্রেরি থেকে বেরিয়ে বাইরের পার্কটায় এসে বসল কৃষ্ণেন্দু। পার্কটা বেশ ফাঁকা ফাঁকা, গুটিকয় স্টুডেন্ট এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আছে। সামার ভ্যাকেশন শেষ হ’তে এখনও প্রায় একমাস বাকি আছে। বেশিরভাগই ছুটিতে যে যার বাড়ি চলে গেছে। সেপ্টেম্বর থেকে ফল সেমিস্টার শুরু হলেই পিলপিল করে নতুন পুরনো স্টুডেন্টে ভরে যাবে সারা চত্বরটা। 

     টেক্সাসের [আরো পড়ুন]

Read more

পুনর্জন্ম – র‍্যামসে ক্যাম্পবেল

ন্ধকার! উঃ! আবার সেই শ্বাসরোধী অন্ধকার আমায় ঘিরে ধরছে! তবুও আমি নিশ্চিত কেউ আমার দিকে নজর রাখছিল! আচ্ছা, আমি কি অন্ধ হয়ে গেছি? তবে যে মনে হচ্ছিল কেউ আমার উপর ঝুঁকে পড়ে দেখছে? তা কি তবে স্বপ্ন? যেন অনেকগুলো স্বচ্ছ পর্দার ওপারে দাঁড়িয়ে থাকা এক মানবমূর্তি, যার মুখটা তৈরি শুধু জমাট অন্ধকার দিয়ে।

     ঘন পলির মত অন্ধকার আমার চোখের উপরে জমে আছে, যেন কত জন্মের ঘুম [আরো পড়ুন]

Read more

কালচক্র

কটু দেরি হয়ে গেল মার্কের। তবে বেশি নয়, সকালে রাস্তা খালি থাকার কথা; তাহলেই মেক আপ হয়ে যাবে। অ্যাপে ম্যাপটা আরেকবার দেখে নিল সে। আরও সাতাশ কিলোমিটার, মানে প্রায় চল্লিশ মিনিট। এক ঘণ্টা লাগলেও ঠিক আছে। ওখানে গিয়ে মিঃ দত্তর সঙ্গে কাজ সাকুল্যে দশ মিনিটের, যদিও আধ ঘণ্টা ধরেছে সে। ভারতে কিছুই বলা যায়না, বরং সে যদি তাড়াতাড়ি পৌঁচে যায় এয়ারপোর্টে, অতিরিক্ত সময়টা বই হাতে কাটিয়ে দেবে সে।

[আরো পড়ুন]

Read more

ডাইস

ট্যান, রাত সোয়া আটটা

     হাভেন শহরটা যেখান থেকে মরুভূমিতে মিশে গেছে, সেটা একটা চৌমাথা।

     সেন্ট্রাল রোড ধরে এগোতে থাকা সবুজ গাছ আর রঙিন বাক্সবাড়ির ঝাঁক ছোটো আর গরিব হতে-হতে চৌমাথার এক প্রান্তে থেমে গেছে। অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে ফিলিং স্টেশনটা। মোটেল, রেস্টুরেন্ট, আর ক্যাসিনো রয়েছে আরেক প্রান্তে।

     অবশিষ্ট কোণটা কোনও এক সময় হাউজিং হয়ে ওঠার স্বপ্ন [আরো পড়ুন]

Read more

ফ্রাঙ্কেনস্টাইন সম্বন্ধীয় কুইজ – ৯

(১) মেরি শেলি তাঁর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসের দানবীয় চরিত্রটি সৃষ্টির সময় Elements of Chemical Philosophy নামক একটি গ্রন্থের সাহায্য নেন। এই গ্রন্থটি কোন বিখ্যাত বিজ্ঞানীর লেখা? 

(২) ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয় ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের প্রথম চিত্ররূপ। ওই ছবিতে ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের সৃষ্ট দানবের ভূমিকায় কে অভিনয় করেন? 

(৩) হিন্দিতেও নির্মিত হয় ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের ওপর ভিত্তি করে বানানো একটি [আরো পড়ুন]

Read more

এক ডজন কল্পবিজ্ঞান লিমেরিক

(১)

দূরবীন তাক করে চৈনিক প্রাচীরে
চাঁদ থেকে দেখি… সেথা আমিও যে আছি রে!
মনে ওঠে কলরব।
কী ভাবে তা’ সম্ভব?
দুই জায়গায়ই থাকা, সময়কে না চিরে?

(২)

বেদ থেকে চুরি করা তথ্যের জোয়ারে
আইনস্টাইনের খ্যাতি। যাচ্ছে তা’ ছোঁয়া রে।
প্রমাণ রয়েছে ঢের
বেদে লেখা সুক্তের
সাঁটে বলা …ই সমান এম সি স্কোয়ারে।

(৩)

মৎস্য ধরেছি প্রভু, কী খাবেন, ল্যাজা নাকি মুড়ো?
মহাকাশ [আরো পড়ুন]

Read more

ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের জন্ম বৃত্তান্ত

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider
Read more

মেরি শেলী : সৃষ্টির ছায়ায় স্রষ্টা

জ থেকে দু’শ বছর আগে ইউরোপের জেনেভা লেকের ধারে এক বাড়ীতে বসে এক উনিশ বছরের মেয়ে লিখে ফেলেছিল পৃথিবীর প্রথম সায়েন্স ফিকশন নভেল। দু’শ বছর ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন কোণায় মানুষ চর্চা করে এসেছে তাঁর রচনা নিয়ে। কত থিসিস পেপার, কত সিনেমা, কত ফ্যান ফিকশন, এমনকি আজও সেই গথিক সায়েন্স ফিকশনের কালো দুনিয়া আমাদের পিছু ছাড়েনি। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন দানব আজও [আরো পড়ুন]

Read more

অগ্নিপথ ৭ – অগ্নিকন্দুক

স্থানঃ হালিশহর

কালঃ ২০১৮

পাত্রঃ সুমন ও সুমনা

|| ৭ক ||

     -কে তুমি?

     আমার সামনে যে আছে সে আমার দিকে বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে। চেয়ার উলটে পড়ে গেছে মেঝেতে। সে টেবিলের দিকে পিছন করে ঝুঁকে। আমি যদি তাকে এই মুহূর্তে আক্রমণ করি তাঁর বাধা দেওয়ার মত শক্তিও যে নেই সেটা বোঝাই যাচ্ছে। হত চকিত হওয়ার কারণ আছে। আমিও কম হত চকিত নই। কারণ আমার সামনে যে দাঁড়িয়ে আছে সে আমারই অতীত, [আরো পড়ুন]

Read more

সম্পাদকীয়

টাইমস দে আর আ চেঞ্জিং।

     সময় বদলাচ্ছে। এবং দ্রুত। ২০১৬ সালে ‘কল্পবিশ্ব’-এর আত্মপ্রকাশ। তার পর থেকে একটু একটু করে মানুষের ভালবাসা আর উৎসাহে এগিয়ে চলা। এগোতে এগোতেই বুঝতে পারা, দু’পাশের দৃশ্যও বদলাচ্ছে। কোনও যাত্রাপথেরই সবটুকুই শিশুর আঁকা সরল সিনারি হতে পারে না। তবু যখন দেখা যায়, মাঝে মাঝেই পথের পাশে ফুটে উঠছে সুন্দর, তখন বোঝা যায়, স্বপ্নের পথে হাঁটায় কোনও ভুল নেই। হতে পারে না।

[আরো পড়ুন]

Read more

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের ‘দানব’ এর বিবর্তন

“I saw the dull yellow eye of the creature open; it breathed hard, and a convulsive motion agitated its limbs.”

ন্ডন – ১৮১৮ সালের ১লা জানুয়ারী, প্রকাশ পেল এক নামহীন রচয়িতার উপন্যাস – “Frankenstein Or, The Modern  Prometheus”; যা কিনা প্রখ্যাত সায়েন্স ফিকশন লেখক Brian Aldiss এর মতে প্রথম প্রকৃত সায়েন্স ফিকশন গল্প। এই রচনা প্রকাশ পেয়েছিল খুবই ছোট প্রকাশনা Lackington, Hughes, Harding, Mavor, & Jones থেকে, মাত্র ৫০০ কপি।

     গত দুই শতাব্দী ধরে ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন এবং তাঁর [আরো পড়ুন]

Read more

ফ্রাঙ্কেনস্টাইন – রুপোলী পর্দার রূপকথা

ফ্রাঙ্কেনস্টাইন। এই নামটির সাথে আমরা কমবেশি সকলেই পরিচিত, কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার এই যে, সেই দৈত্যের নাম আদৌ ফ্রাঙ্কেনস্টাইন নয় বরং যিনি তার সৃষ্টিকর্তা তার পদবীই হলো ফ্রাঙ্কেনস্টাইন, ব্যারন ভিক্টর ফ্রাঙ্কেনস্টাইন। জার্মানির Ingolstadt এর ইউনিভার্সিটি থেকে বের হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই তার মায়ের মৃত্যু হয়; ভিক্টর নানান কাজের মধ্যে যুক্ত [আরো পড়ুন]

Read more

প্রহর শেষের আলো

It is a subject also of additional interest to the author that this story was begun in the majestic region where the scene is principally laid, and in society which cannot cease to be regretted. I passed the summer of 1816 in the environs of Geneva. The season was cold and rainy, and in the evenings we crowded around a blazing wood fire, and occasionally amused ourselves with some German stories of ghosts, which happened to fall into our hands. These tales excited in us a playful desire of imitation. Two other friends (a tale from the pen of one of whom would be far more acceptable to the public than anything I can ever hope to produce) and myself agreed to write each a story founded on some supernatural occurrence.

The weather, however, suddenly became serene; and my two friends left me on a journey among the Alps, and lost, in the magnificent scenes which they present, all memory of their ghostly visions. The following tale is the only one which has been completed.

[আরো পড়ুন]

Read more

কল্পহাস্য

পনি কি আধুনিক হতে চান? তাহলে আজই বাড়িতে নিয়ে আসুন “ঘোষ এন্ড দে এন্টারপ্রাইজ” এর জম্বিচালিত হাওয়াকল…

     গরমের দিনে স্ট্যান্ডফ্যান হিসাবে এর জুড়ি নেই..

     প্রথমেই ক্রেতাকে একটি রানার্স জম্বি এবং ২টি লেগপিস বিনামূল্যে দেওয়া হবে, তারপরে মাত্র ১ মাস অন্তর আপনাকে জম্বি আর লেগপিস বদল করতে হবে…

     এখন আপনার যদি বিরিঞ্চিবাবার সাথে যোগাযোগ থাকে তাহলে [আরো পড়ুন]

Read more

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনঃ আধুনিক যুগের এক আলেখ্য

শুরুটা করা যাক একটি সিনেমার একটা অংশ দিয়ে। ইংল্যান্ডে ঘুরতে এসেছেন এক বাঙালী দম্পতি। করপাস ক্রিস্টী কলেজে এক অদ্ভুত ঘড়ি দেখা যায়, যা উল্টোদিকে ঘোরে আর যার মাথায় একটি দৈত্যাকার পোকা বসে যেন সময়কে খেয়ে ফেলে। সেই ঘড়ির সামনে এসে স্ত্রী অবাক হয়ে বলে ওঠেন একটি কথা – “ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন”!

     মেরী শেলির লেখা ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন উপন্যাসটির নাম পাঠক [আরো পড়ুন]

Read more

ফ্রাঙ্কেনস্টাইন– কল্পনার অন্তরালে বাস্তব বিজ্ঞান

৮১৮ সালে প্রকাশ পায় মেরি শেলীর লেখা ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন অর মডার্ন প্রমিথিউস’ এর প্রথম খসড়া। তাঁর গল্পের প্রধান চরিত্র এক ডাক্তার, যিনি বিভিন্ন মনুষ্যদেহাংশ জুড়ে এক দানব তৈরি করেন। তারপরে সেই দানবদেহটিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠাকরেন। পৃথিবীর বুকে জন্ম নেয় এক আধিভৌতিক দানব। মেরি শেলীর এই অনবদ্য কল্পনা কিন্তু শুধুই আকাশকুসুম নয়, এর পিছনে ছিল তৎকালীন বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি বিষয়।

[আরো পড়ুন]

Read more

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন আর্মি

৭ই সেপ্টেম্বর, ১৮১৮

স্থানঃ রবার্ট ওয়াল্টনের জাহাজ, যা ব্যর্থ উত্তর মেরু অভিযানের শেষে ফিরে চলেছে লন্ডনের দিকে

     রবার্ট ওয়াল্টন স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সেই দানবের দিকে, যে নিজের সৃষ্টিকর্তার এবং তার পরিবারের নির্মম ধ্বংসের জন্য দায়ী। দানবের থেকে অদূরে শোয়ানো রয়েছে ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের মরদেহ। রবার্ট ওয়াল্টন এবং ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের দানবের [আরো পড়ুন]

Read more

মহাকাশ কল্পবিজ্ঞান ডিটেকটিভ

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider
Read more

আয়নার ঠান্ডা কাচ ও অষ্টাদশীর স্বপ্ন

রাতের এই সব জনহীন রাস্তা আর আধো-অন্ধকার বাড়ির রহস্যময় জানলার দিকে তাকালে আমার মনে হয়, আজ তোমার সঙ্গে দেখা হবে। এই সব বাড়ির নির্জন কোনও কোণ কিংবা রাস্তার ধারেকাছের কোনও ঝোপ— কোথাও নিশ্চয়ই লুকিয়ে আছ তুমি। আছ কি?

     নাকি তুমি আমাদের রক্তমাংসের দুনিয়া ছেড়ে পাকাপাকি ভাবে স্বপ্নেই ফিরে গেছ? যে স্বপ্নের ভিতরে তোমার জন্ম। মনে আছে, কেমন তীব্র শীত পড়েছিল সেবার? [আরো পড়ুন]

Read more

গিফ্টকার্ড

 

উত্তমবাবু এবং ক্লাস এইটের ভূগোল

বুজ রঙের গোল্লাটার ভিতর একটা টেলিফোন রিসিভারের ছবি। গোল্লাটার বাইরেটাও সবুজ। শুভজিৎ তার মোবাইল ফোনের সবজে হয়ে থাকা স্ক্রীনটা মেলে ধরল উত্তম হালদারের চোখের সামনে। তারপর বুঝিয়ে বলল, “এটাকে বলে হোয়াটসঅ্যাপ। আর এর আগে নীল রঙের ইংরিজি অক্ষরের ‘এফ’ যেটা দেখালাম, ওটা হচ্ছে ফেসবুক। কী বুঝলে?”

     উত্তম হালদার গোমড়া মুখে [আরো পড়ুন]

Read more

অপার্থিব মেধার সন্ধানে – পর্ব ২

গোল্ডিলক জোন  

রের রবিবার যথারীতি উৎসাহী ছাত্রের মতন হাজির হলাম প্রফেসর মহাকাশ ভট্টের বাড়িতে। আমি আসতেই স্যার জলখাবার আনতে বললেন। খেতে খেতে কথা হতে লাগল। আজ লুচি তরকারি – স্যারের প্রিয় খাবার। আমার তো বটেই।

     স্যার বললেন – “হ্যাঁ তুমি যেন সেদিন কী প্রশ্নটা করেছিলে?”

     আমি বললাম – “এই যে অগুনতি কোটি কোটি তারা। তাদের কোন গ্রহে মানুষ আছে আর কোথায় নেই [আরো পড়ুন]

Read more
error: Content is protected !!