প্রোফেসর শঙ্কুর অ্যাডভেঞ্চার – ড্রেক্সেল আইল্যান্ডের ঘটনা

লেখক – সত্যজিৎ রায় ও সুদীপ দেব

অলংকরণ – কল্যাণী রায়

 

৬ই অক্টোবর

     

     আজ আমার পঁচাত্তর বছর পূর্ণ হল। সকালে অবিনাশবাবু এসেছিলেন, আমার হাত দুটোধরে ঝাঁকুনি দিয়ে বললেন, ‘মেনি হ্যাপি ডেজ অফ দ্য রিটার্ন।’ ভদ্রলোকের হাবভাবএতই আন্তরিকতাপূর্ণ ছিল যে আমি আর ইংরেজিটা সংশোধন করলাম না।

     দেশবিদেশ থেকে বহু বিজ্ঞানী বন্ধুরা আমায় অভিনন্দন জানিয়েছে। আমার সামনেই [আরো পড়ুন]

Read more

প্রফেসর শঙ্কু ও কারপেথীয় আতঙ্ক

ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক সত্যের সঙ্গে কল্পনার রঙ মিশিয়ে রচিত এই কাহিনি উৎসর্গিত হল সত্যজিৎ রায়ের অমর স্মৃতির উদ্দেশ্যে।

৩০শে নভেম্বর, গিরিডি

        আজ আমার বৈজ্ঞানিক জীবনের এক স্মরণীয় দিন। বোধহয় স্মরণীয়তমও বলা চলে। আমার বিজ্ঞানচর্চার এই সুদীর্ঘ কাল ধরে অসংখ্য সম্মান আর পুরষ্কার আমি পেয়েছি সারা বিশ্ব থেকে। কিন্তু আজ আমার নিজের দেশ থেকে আমাকে যে সম্মান দেওয়া [আরো পড়ুন]

Read more

মোমের মিউজিয়াম

নিছক কৌতূহলের বশেই করঞ্জাক্ষের মিউজিয়ামে এসেছিল শান্তনু। কার মুখে ও শুনেছিল, করঞ্জাক্ষের এই বিচিত্র সংগ্রহশালায় মোমের তৈরি যেসব বস্তু আছে, তার তুলনা নাকি সচরাচর দেখা যায় না। কল্পনার বিভীষিকা শিল্পীর হাতে যে কী ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে—করঞ্জাক্ষের মিউজিয়ামই তার নিদর্শন।

     তাই শান্তনু এসেছিল গুজবের মধ্যে মিথ্যার পরিমাণ কতটা তা যাচাই করে নিতে। [আরো পড়ুন]

Read more

অনন্তের খিলান

প্রথম অধ্যায়

দুয়ারের ভ্রাতৃসঙ্ঘ

“ওই দুয়ার কোথায় পথ দেখায়?”

“চেনাশোনা এই দুনিয়ার কিনারায়”।

“কাহারা শেখান পূর্বজদের দুয়ার খোলার কল?”

“খিলান ওপারে বসত তাদের, কোর নাকো কোলাহল”।

“দান করি মোরা অর্ঘ্য কাদের, বড় ভয় ভীত মনে?”

“ওঁদের, যারা ওধারে থাকেন, তাঁদেরই সম্মানে”।

“খিলানের দ্বার খুলে রাখিবার আছে কি গো প্রয়োজন?”

“থাকিতে দাও অবারিত এ দুয়ার, কেন বৃথা বন্ধন”।

[আরো পড়ুন]

Read more

চব্বিশ ঘন্টার জন্য খোলা – এডওয়ার্ড ম্যাকিওয়েন

মেডাকালা মিউজিয়াম অফ অ্যান্টিক্সএর ধুলো জমে থাকা বারান্দা দিয়ে কিউরেটরের অফিসের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলো টারস বোকারা। রোগা এই তরুণটির ভাগ্য শুধু এই কারনেই বিচ্ছিরী নয় যে সে কোল ট্র্যাকসিস তিন নম্বর সেক্টরের অন্তর্গত হাজারেরও বেশী মিউজিয়ামের একটিতে [আরো পড়ুন]

Read more

ভীনগ্রহের স্বর্ণঝঞ্ঝা

রাত বারোটায় আহারের পর ছাদে ঘুরে বেড়ানো টঙ্কার অনেকদিনের অভ্যাস। আজও তার ব্যতিক্রম হয় নি।

     ‘সত্যি, দাদু কলকাতা ছেড়ে এই ফ্যাচাংপুরে বাড়ি না করলে এইরকম প্রাকৃতিক পরিবেশ কোথাও পেতাম?’ মনের আনন্দে আপনমনে বলে উঠলেন ফ্যাচাংপুরের বিখ্যাত পাটের ব্যবসায়ী টঙ্কা, মানে টঙ্কেশ্বর গুপ্ত! আসলে এই টঙ্কেশ্বর নামেরও একটা ইতিহাস আছে।

     ‘নাতি [আরো পড়ুন]

Read more

ইনটেলেকট্রন

এপ্রিল ৩

     অনেকদিন পরে একটা নতুন জিনিস তৈরি করলাম। একটা যন্ত্র, যাতে মানুষের বুদ্ধি মাপা যায়। বুদ্ধি বলতে অবশ্য অনেক কিছুই বোঝায়। জ্ঞান, পাণ্ডিত্য [আরো পড়ুন]

Read more

বাতাসে মৃত্যুর ফাঁদ – অ্যালফ্রেড বেস্টার

যেদিন আমরা পালিয়েছিলাম প্যারাগন ৩ থেকে, ঠিক সেই সন্ধেবেলাই সেখানে হাজির হল এক সশস্ত্র সৈন্যর দল। এদের দেখলে মনে হবে যেন পাথর দিয়ে কোঁদা। একই ছন্দে চলেছে সবকটা। অথচ প্রত্যেকেরই অভিপ্রায় যেন এক। প্রত্যেক সৈন্যরই সঙ্গে আছে বন্দুক, ওয়াকিটকি, কানে লাগানো স্পিকার বাটন, গলায় মাইক্রোফোন, হাতে চকচকে সবুজ ভিউস্ক্রিনওলা ঘড়ি।

[আরো পড়ুন]

Read more

একটি অসমাপ্ত কাব্য

নাঃ কবিতা লেখা আমার দ্বারা আর হোল না। অথচ এত ভালবাসি আমি কবিতা লিখতে। এই তো আমাদের প্রবীর কবিতা লেখায় কত নাম ডাক। ফি বছর স্কুলের ম্যাগাজিনে ওর কবিতা প্রথমেই থাকে। আমাদের বাংলার স্যার রমাপ্রসাদ [আরো পড়ুন]

Read more

পুতুলবাড়ি আরোগ্যনিকেতন

তারক মণ্ডল ছেলে হিসেবে অতি চমৎকার তো ছিলই, তদুপরি তার একটা আশ্চর্য গুণ ছিল, সব জায়গায় সে ভূত দেখতে পেতো, আর সেটাই শেষ পর্যন্ত ….

     ঘটনাটা গোড়া থেকেই খুলে বলি। 

     তারক মণ্ডল, আগেই বলেছি [আরো পড়ুন]

Read more

এখনও বৃষ্টি হয়!

কুণাল তাঁর চশমাটা খুললেন। মাঝে মাঝেই ঝাপসা হয়ে আসে কাচ। অনেকসময়ই বিশেষ কোনও কারণ ছাড়াই। অন্যমনস্কভাবে হাত লাগিয়ে ফেলেন, তারপর বিরক্তিকর কাচ পরিষ্কার! [আরো পড়ুন]

Read more

কুহকিনী কিন্নরী

হু অজানা অবিশ্বাস্য বিস্ময়ের অন্দরমহল মহাশূন্য থেকে আচমকা আবির্ভূত হয়েছে এক মহাকাশপোত আকারে আয়তনে তাকে উড়ুক্কু মহাদেশ বললেই চলে হাজার হাজার আলোকবর্ষ পথ পেরিয়ে কল্পনাতীত এই যন্ত্রযান নিয়ে রাডাগ্ৰহে পৌঁছেছিল এক মহাসুন্দরী ... উদ্দেশ্য? পৃথিবী-পুত্র বিক্ৰমজিতের বধূ হওয়া … নয়তো তাকে [আরো পড়ুন]

Read more
error: Content is protected !!