সূচীপত্র

রণেন ঘোষ (১৯৩৬-২০১৯) – বাংলা কল্পবিজ্ঞানের এক অন্যতম শেষ মোহিকান

রণেন ঘোষ (১৯৩৬-২০১৯) রণেন ঘোষ আর নেই। রবিবারের সকালে মৃত্যু হয়েছে এই অশীতিপর তরুণের। দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহ ধরে অসুখের সঙ্গে

চতুর্থ বর্ষ প্রথম সংখ্যা

অসামান্য প্রচ্ছদ এঁকে সংখ্যাটিকে সর্বাঙ্গসুন্দর করে তুলেছেন শ্রীমতী পম্পা প্রধান।  

সম্পাদকীয়

জানলাম রণেন ঘোষ আর নেই। কল্পবিজ্ঞানের অক্লান্ত লেখণী, সমস্ত জীবন এই কাজে ঢেলে দিয়ে নিজের প্রকাশনা করেছেন কল্পবিজ্ঞানকে ঘিরে৷ কল্পবিশ্ব

বঙ্গনারীর কল্পবিজ্ঞান: একটি পর্যবেক্ষণ

মেয়েদের লেখা কল্পবিজ্ঞান। কথাটার মধ্যে কেমন যেন একটা তাচ্ছিল্য রয়েছে, না? ঠিক যেমন মাধ্যমিক বা অন্যান্য পরীক্ষায় ‘মেয়েদের মধ্যে প্রথম’

এণাক্ষী চট্টোপাধ্যায়ের কল্পজগত

বিখ্যাত শিল্পপতি শ্রী ঘনশ্যাম রামের মৃত্যুর পর তাঁর উত্তরাধিকারের প্রশ্ন নিয়ে এক বিরাট মামলা হয় যেখান থেকে উঠে এসেছিল গভীর

যযাতিয় লালসায়…

সকালের প্রায় সমস্ত কাগজগুলোতেই জ্বলন্ত শিরোনাম।      ‘বলিউডের লাস্যময়ী অভিনেত্রী ভিষ্মিকা অগ্নিদগ্ধ। তিনি একটি চলচ্চিত্রের দৃশ্যের শুটিং এর সময়

অ-শূন্য সম্ভাবনা

সৈনিক যেমন যুদ্ধে যাওয়ার আগে প্রস্তুতি নেয়, প্রতিদিন সকালবেলা অ্যাডেল কাজে যাওয়ার জন্য ঠিক সেইভাবেই যেন তৈরি হয় । প্রথমে

মেরিলিন

“তুমি হলে গিয়ে একখানা যন্ত্র।” রেইন অরবিসন বলল, বর্মে ঢাকা মুঠোখানা ওর সামনের ল্যাব বেঞ্চের ওপর ঘুঁষিয়ে। “কাজেই আমি যা

মাংসজীব

     –ওরা মাংসের তৈরী।      –মাংস? বলো কী?      –হ্যাঁ মাংস। মাংস দিয়ে তৈরী করা হয়েছে ওদের।

আকাশ-গঙ্গার মুলুকের তিনটি গল্প – তারার থেকে তারায় ঘুরে বেড়ানোর যুগের উপকথা

টিপি-পাখি হেঁকে উঠল, ‘শোনো!’ কুম্বজা তারামন্ডলের, জেহানা গ্রহের সারস মানুষের একটি লোককথা। সে অনেক দিন আগের কথা। মানুষ তখন সারস

শিল্পী মাকড়সা

জোম্বি যায় না, যায় না, যদি না তুমি যেতে বলো, জোম্বি! জোম্বি! জোম্বি থামে না, থামে না, যদি না তুমি

ক্লাউন – আতংক

ঊনত্রিংশ শতাব্দী। ক্লাউনরাই এখন জগৎ শাসন করে। পৃথিবী বর্জন করেছে টেকনোক্রেসিকে। টেকনোক্রেসিই এই পৃথিবীতে মারাত্মক সব প্রাণঘাতী অস্ত্রের জন্ম দিয়েছে

শূন্যকাননের ফুল

মারিওভা কফি জয়েন্ট ‘নতুন কফি জয়েন্টটায় গেছিলে কোনওদিন?’      ‘কোনটা?’      এরো-স্কুটিটাকে কায়দা করে হাওয়ায় ভাসিয়ে রেখেছিল জারা।

বুনিষ বন্ধু

(১) ‘তুই অতদূরে যাবি?’ বলে উঠল মা। অনুষ্কা সমাজসেবা, মানে কমিউনিটি সার্ভিসে, যাচ্ছে। আজকাল ওদের স্কুলে বাচ্চাদের সমাজসেবা করা বাধ্যতামুলক

গ্রীন কার

কাহিনি সূত্র স্বার্থলোলুপ মানুষগুলোর হাত এড়িয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে অপর্ণা। যে করেই হোক তাকে রক্ষা করতে হবে বিজ্ঞানী আশিস বসুর অবিস্মরনীয়

শ্যাওলা

ঝুরি দিদা ভূত দেখতে পেত। মরে যাওয়া মানুষ, জীবজন্তু, গাছপালা… সব। কতবার বাতাসের গায়ে হাত নেড়ে নেড়ে কথা বলতে দেখেছি

কাঁটাচুয়া

ডক্টর প্রণব নাথ একজন বছর তেত্রিশের এমবিবিএস ডাক্তার, নিজের বিচারেই তিনি সাধারণ। অল্পস্বল্প প্রাইভেট প্র্যাকটিশ আর বেসরকারি হাসপাতালের সহযোগিতায় তার

ফর্মুলা ১৬

ভানুদার ধনকাকার বিস্ময়কর গবেষণার কথা যদিও যাকে বলে প্রকাশিতব্য নয়, তবু এমন মূল্যবান তথ্য থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা কত বড়

আইসবার্গ

‘সেই ভদ্রলোকের সঙ্গে দেখা হয়ে গেল জানিস?’ সাইকেলের স্পিড একটু না কমিয়ে কথা গুলো আমাদের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে গেল বুবলাই।

কলাবতী

পর্ব এক অনেকক্ষণ ধরে বাড়ির সামনে পায়চারি করছে একটা লোক। তিনবার কলিং বেল বাজিয়েছে। ভেতরে আওয়াজ গেছে কি না বোঝার

যন্ত্রণানিরোধক যন্ত্র

হ্যালো, হ্যালো!      হ্যাঁ, কে বলছ।      এই, এই, আমি নন্দিতা বলছি। চাপা গলায় বলল নন্দিতা। মানে স্বাভাবিক

মেমারি চিপ

টিফিনের বাক্সটা খুলে টুপুরের চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। শ্রুতি বলল, কীরে, টুপুর কাঁদছিস কেন? টুপুর বলল, কিছু না, এমনি।

মৃত্যুদণ্ড

বাইরে ঝড়ো হাওয়া বইছে, কদিন ধরে বঙ্গোপসাগরের উপর যে নিম্ন চাপটা জমে ছিল তা আজ উপকূলে আছড়ে পড়েছে সজোরে। রায়পুরে

যন্ত্রিনী

কথাটা কানে যাচ্ছে না?      রুবু চুপচাপ।      কি হল? লীনা বলে উঠল।      রুবু একটু ঘুরে

বাতাসে স্বপ্ন ভাসে

মাথায় তীব্র একটা যন্ত্রণা নিয়ে ঘুম ভাঙল মোহরের। কিছু দেখতে পাচ্ছিল না। জমাট নিরেট অন্ধকার। ওঠার চেষ্টা করেও পারল না।

সময়চক্র

(১) পঁচিশ তলা উঁচু বিল্ডিংটার একেবারে উপরের ঘরটিতে একটি অত্যাধুনিক ফ্লাইং চেয়ারে চোখ বন্ধ করে বসে আছেন বছর সাতাত্তরের এক

আত্মীয়

পূর্ণিমার রাতে একটু আধটু বাড়ির সামনের খোলা জায়গায় পায়চারি করাটা বহুদিনের অভ্যেস। সেদিনও চাঁদের আলো এসে ঘরের জানালা দিয়ে বেডকভারের

নবজাতক

–সিস্টার, বাচ্চাটা এখনও কাঁদেনি? মিনিট দুয়েক তো হয়ে গেল ডেলিভারীর?      –না স্যার, এখনও কাঁদেনি। ভালো করে দেখুন তো

ভালোবাসা ডট কম

অনসূয়া দাঁড়িয়েছে এসে আয়নার সামনে। আধো অন্ধকার ঘর। পিছনের জানালায় এক টুকরো আকাশের ছায়া দেখা যাচ্ছে। আয়নাটা দেখতে দেখতে একটা

শুভাকাঙ্খী

বুধবার বিকেল চারটে আজ প্রায় পাঁচ দিন হয়ে গেল-এত লোক দেখেছে ভিডিয়োটা, প্রায় ভাইরাল হয়ে গেছে। প্রথমদিকে মুকুলকে প্রায় মেরে

নীল গিনিপিগ

(১) গ্রীষ্মের দাবদাহে শহরবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। কিছু বছর আগেও কলকাতায় এত গরম শোনা যেত না। টেম্পারেচারের পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী হয়ে

বীজ

শবনম্‌ খুব ভালো আদর করে। আনন্দ এই আদরের সময় সব কিছু ভুলে যায়। ওর কাজ, ওর হেরে যাওয়া, রেজাল্ট ভালো

বনলতা

আবার সেই পিঁ-পিঁ বিপ-বিপ শব্দ। আবার হচ্ছে সেই – মাথার মধ্যে কানের মধ্যে। অসহ্য যন্ত্রণায় যেন ফেটে যাচ্ছে সারা শরীর।

সবুজ

ও আমার দিকে তাকালো। না না, আমি আমার দিকে তাকালাম। ওর চোখে ঘৃণা। আমি আমাকেই ঘৃণা করছি এখন। বুঝতে অসুবিধে

লাল শৈবাল

মঙ্গল গ্রহ: সন ২১১৮      চারপাশে সুনসান নিরবতা মাঝেমাঝে ভেঙে দিয়ে যাচ্ছে যানবাহনের মৃদু বা তীব্র গুঞ্জন। আজকাল সবাই

যদি

এক… আলো ভালো করে ফুটতে না ফুটতেই হালুম-গোলুমকে তাড়া লাগায় দিদুন, “চটপট রেডি হয়ে নে। একজায়গায় নিয়ে যাব।” দাদাভাই অবিশ্যি

পাল্টা

একটা বিশেষ রকমের কাচের জার। গোলাকৃতি। লম্বাটে গলা। অর্ধেক একধরনের প্রিজারভেটিভ ফ্লুইডে ভর্তি। হালকা সবুজ। ঠাহর করে দেখলে বোঝা যায়,

জ্যামিতির ইতিহাসের গালিচা

আমরা সবাই জানি যে মানুষের উৎস আফ্রিকায়। তবে আফ্রিকা যে মানুষের গণিত ভাবনারও অন্যতম উৎস, সে কথাটা সবাই হয়তো জানেন

error: Content is protected !!