ইয়ুথ খামার

বিশ্বাস কি করবি কথা? আমরা সবাই এক!
সাম্যবাদের উদাহরণ এই আমাদের দ্যাখ! 
সবাই মিলে মজুর খাটি মাঠে বা কারখানায়, 
কেউ বা পণ্য বিক্রি করে, কেউ বা সেসব বানায়। 
এক টেবিলেই সঙ্গে বসে একই খাবার খাই, 
সুখ সুবিধা ভাগ করে নিই, কীই বা আবার চাই! 
তোদের যত কূটকচালি, মালিক শ্রমিক ভেদ, 
[আরো পড়ুন]

Read more

ইউ এফ ও

মেঘলা দিনে একলা ঘরে কেমন করে মন।
জানলা খানা খুলে দিতেই মেঘের আলাপন।
কালো মেঘের আনাগোনা, বাতাস বড় ভারী,
অন্ধকারের সামিয়ানায়, চোখ চাইতে নারি!
তারি মাঝে দেখি হঠাত আকাশের ওই কোনে,
[আরো পড়ুন]

Read more

স্মৃতির কুহকজাল

পার করে কোন দূরের চর্তুদশক,

এলেম যেথায় সবুজের অশোক,

রেখেছিলেম মোরা পায়ের চিহ্ন,

জীবন বৃত্তের কোনো বিন্দুতে,

সময়ের এক অপরাহ্ণে,

আমার সেদিনের জন্ম পরিচয়,

যেখানে দিল এক উষ্ণ হৃদয়!

মুহূর্তের বাঁকে,

পটভূমির আঁকে,

দিনের সীমান্তে,

অভীষ্টের সীমন্তে,

ধাঁধাঁর মিলনান্তে,

কোন সে প্রান্তে!

বিভ্রান্তির শেষে,

জ্ঞানগর্ভের তুষে,

গিরিসঙ্কটের আকর্ষণে,

শূণ্যের পথে ধায় প্রাচীনের রণ,

[আরো পড়ুন]

Read more

বাড়ি বাড়ি খেলা

তিরিশ শতাব্দীর ছোট্ট ছেলে বাপ্পা রূপকথায় বিশ্বাস করে যন্ত্র মানুষের হাতে মানুষ হলেও সে বিশ্বাস করে একদিন পৃথিবীতে সব ছোটরা তাদের বাবা মায়ের কাছে থাকত, আদর খেতপ্রতিদিন সন্ধেবেলায় তার যন্ত্র মানুষ যখন ব্যাটারি চার্জ করতে যায় তখন সে তাই তার খেলার ঘরের কমপ্যুটারে রূপকথার প্রোগ্রাম চালিয়ে খেলে তার প্রিয় গেমবাড়ি বাড়ি খেলা।

সমস্ত দিন পড়ার শেষে

সন্ধে যখন ঘনিয়ে আসে

[আরো পড়ুন]

Read more

অন্য আকাশ

এই যে এত আকাশ ভরা মেঘের কুঁচি, তারা

তাদের কাছে ঘুড়ির মত ছিটকে যেতে পারি

দেখতে যাব, অন্য গ্রহের অন্য কারো পাড়া

দেখতে যাব, কেমন করে সাজায় তারা বাড়ি

বৃষ্টি পড়ে আগুন হয়ে, বাষ্প জমে ছাদে

ঝড়ের সাথে যখন তখন নীলচে কালো হাওয়া

ধূমকেতুদের মিছিল বেরোয়, একশ খানা চাঁদের

জোৎস্না এসে দেখিয়ে দেবে আমার আসা যাওয়া

আমি তখন সেই দেশেরই রাজার কাছে গিয়ে

জানতে চাইব গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়ার খবর

[আরো পড়ুন]

Read more

রবিন

রবিন বিশ্বস্ত খুব ঘুম থেকে রোজ তুলে দেয়

তারপর জিজ্ঞেস করে, “আজ কোন স্বপ্ন দেখলে বলো?”

যে সব স্বপ্নগুলো নির্ভার আলোয় খুশি খুশি

সেগুলো সে লিখে রাখে ডিজিটাল অক্ষরে সংকেতে

আমার মনখারাপ রবিন বুঝতে পারে ভালো

রবিন বুঝতে পারে কখন ডিপ্রেশনে থাকি

চোখ ঠোঁট ভুরু নাকি ব্রেনের তরঙ্গপথ দেখে

রবিন বুঝতে পারে আজ লেখা হবে কী কবিতা

রবিন বুঝতে পারে পোশাক বা নেকলেস নয়

[আরো পড়ুন]

Read more

ব্যোমযাত্রীর ডাইরি

দিগন্ত বলে কিছু নেই,

শুধু চোখ থেকে ছুটে যায় আলো,

ক্রমশ হয়ে যায় ফিকে,

আমি ছুটছি, আর ছুঁইছি গতিবেগ

অন্ধকূপের দিকে।

এই যে সময় থমকে আছে

প্রভুভক্ত হাতের ঘড়ি

এই অক্সিজেন হয়তো তোমার

কিন্তু ভালোবাসা ওরই।

আলোর সাথে পাল্লা দিয়ে

ছুটছে মহাকাশযান,

তবু অন্ধকূপে আলো বেঁকে

জমায় কিসের, কি অভিমান?

সেই অভিমান জমতে জমতে

টাইম মেশিনের বক্ষে,

আমার অতীত স্পষ্ট হল

দারুণ সময় অক্ষে।

স্পষ্ট হল, নষ্ট হল

পিছনফেরা জীবন,

[আরো পড়ুন]

Read more
error: Content is protected !!