প্রলয়

প্রলয় উপস্থিত।

     এভারেস্ট এর মাথার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা মন্দিরের মতো বিল্ডিং ও তার পাশের রকেটের দিকে তাকিয়ে মায়ের কথা মনে পড়ে গেল রাজের।

     দুইদিন আগেই মা মারা গিয়েছেন। তারপর অন্যরাও একে একে, এখন শুধু ওই বেঁচে আছে।

     আকাশের দিকে মুখ তুলে তাকিয়েই খুশি হল রাজ। বাঃ, মায়ের কাছে যাওয়ার সময় এসে গিয়েছে।

     আকাশে জমাট বাধা কালচে লাল রক্তের মতো মেঘ করেছে। অন্যন্য [আরো পড়ুন]

Read more

২০৩০ : স্বগতোক্তি

কাং… ঠক… ঠকাং… ঠক… ঠকাং…

     একটা আশ্চর্য ছন্দ ওই শব্দে। ভয়ানক বিরক্তিকর এবং একঘেয়ে সুর। যেন কোনও বিপদের পূর্বাভাস।

     ওরা এসে গেছে। এখানেও। আমার পিছু নিয়ে, আমাকে তাড়া করে। ওদের ধাতব পদশব্দ বলছে ওরা আমায় ছাড়বে না সহজে। প্রতিমুহূর্তে আমার ঘরে ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হচ্ছে। কিন্তু উপায়?

     আচ্ছা, একবার মাথা ঘুরিয়ে দেখে নিই ঠিক কতদূরে [আরো পড়ুন]

Read more

নতুন পৃথিবী

জালের থেকে বুড়ো আঙ্গুলের মতো বড় একটা পোকাকে ছাড়িয়ে নিল হিলা। হ্রদের জলে ডুবিয়ে আঠাটা ছাড়িয়ে নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘খাবে নাকি?’

        পোকাটা তখনো মরে নি। আমার গা গুলিয়ে উঠল। কোনো প্রাণীর মৃতদেহই কোনোদিন খাইনি। আমাদের সব প্রোটিন কৃত্রিমভাবে তৈরি। কোনোক্রমে বললাম, ‘না। কী এটা?’

        নির্বিকার ভাবে পোকাটাকে মুখের মধ্যে পুরে চিবোতে চিবোতে হিলা [আরো পড়ুন]

Read more

ভিত্তি

ব্যাঙের ছাতার মত মেঘগুলো পর পর আকাশে উঠছিল।

     রাষ্ট্রনায়কদের আঙুলগুলো কোনো অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা ছিল কিনা কেউ জানে না। পর পর পিয়ানোর রীড টেপার মত ছন্দে সুইচগুলোয় চাপ পড়েছিল।

     মস্কো,দুবাই, টোকিও, নিউ ইয়র্ক, লণ্ডন, সিডনি, দিল্লি, বেজিং…

     অশান্তি ঘনিয়ে এসেছিল বহুকাল আগে থেকেই। যুগের পর যুগ কোন দেশের রাষ্ট্রনায়কই জনসংখ্যা প্রতিরোধের কথা সিরিয়াসলি ভাবেনি। [আরো পড়ুন]

Read more

পরিত্রাতা

২০৩৬ সালঃ

স্টাডি সিস্টেম পাল্টেছে এখন। এখন আর জোর করে স্টুডেন্টদের অপ্রিয় বিষয়গুলো নিয়ে পড়াশোনা করতে হয় না। এখন প্রতি বছর স্কুলে কাউন্সিলিং হয় এবং ফলাফল হিসেবে যে স্টুডেন্টের যে সাবজেক্টে বেশি মনযোগ, তাকে সেই নিয়েই পড়াশোনা করতে দেওয়া হয় স্কুল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে।

     মায়ের মুখে শুনেছে নিতাই, কোনও একটা সময় ছিল, যখন টেনথ স্ট্যান্ডার্ড-এর পর ‘মাধ্যমিক’ [আরো পড়ুন]

Read more

পেন্ডুলাম

সে ছিল কালের কয়েদি। জীবন ও মৃত্যু থেকে বহিষ্কৃত, এক আশ্চর্য বিষণ্ন জীব। সে তার সামনে দেখেছে সময়ের অনবরত আসা যাওয়া, আর ভীত ভাবে অপেক্ষা করেছে শুধু…অনন্তের?

     “আমার মনে হয়”, এরহাস তীক্ষ্ণ স্বরে বলে “আমরা যতগুলো গ্রহে গিয়েছি তার মধ্যে এই আবিষ্কারটি সব থেকে কৌতূহলজনক।” তার চওড়া সবুজ চকচকে ডানা কাঁপে, পুঁতির মতো চোখে বিদ্যুতের ঝলকানি। তার অনেক সাথীই তাদের মাথা নেড়ে [আরো পড়ুন]

Read more

সবুজের হাতছানি

লো ঝলমল মেট্রো স্টেশনের কাঁচের দরজার ওপারে ট্রেন এসে প্রতিদিনের মতোই দাঁড়াল। ঘড়িতে তখন বাজে সকাল সাতটা দশ। ট্রেনের সিটে স্কুল ব্যাগ নামিয়ে দিয়ে অন্যদিনের মতো বাবাকে সেই পুরনো প্রশ্নটাই করে বসল গুড্ডু, “বাবা, মাটির উপরে খোলা আকাশের নিচে আমাকে কবে নিয়ে যাবে?”

        অন্যমনস্ক হওয়ার ভান করতে করতে গুড্ডুর বাবা বলল, “বলেছি তো নিয়ে যাব। এখন বইতে একবার চোখ [আরো পড়ুন]

Read more

দ্বিতীয় জগত

পরূপ সুন্দর একটা সরোবর। আর সেই সরোবর ঘিরে পাথর আর বালি, তারপরে তৃণভূমি। আসলে এটা একটা ছোটো উপত্যকা। পাহাড়ের মালায় ঘেরা। পাহাড়গুলো সব বালিপাথরের পাহাড়, হলুদ বালিপাথর। তাই পাহাড়গুলোকে সোনার পাহাড় বলে মনে হয়।

     একটা পাহাড় থেকে নেমেছে ছোটো একটা ঝর্ণা, সেটা নদী হয়ে বয়ে এসে হ্রদে মিশেছে। পাহাড়ের নাম সুবর্ণগিরি, নদীর নাম ভদ্রা আর হ্রদের নাম নীলতারা।   

  [আরো পড়ুন]

Read more

বাঙ্ময়

অ্যাপার্টমেন্টের লিফটের বাঁদিকের দেওয়ালটায় সার দিয়ে লেটারবক্স। রঙ চটে, তুবড়ে তাদের বেশিরভাগেরই দৈন্যদশা। ফ্ল্যাটের নম্বরটুকু শুধু কোনমতে পড়া যায়।

অন্যদিন অরিন্দম এদিকে ফিরেও তাকায় না, সোজা লিফটে উঠে যায়। কিন্তু আজ একটা সরু গলায় ‘অরিন্দম, চিঠি, চিঠি’ ডাকে থমকে দাঁড়িয়ে পড়তে হল তাকে।

     আটান্ন তলার বোস সাহেব নিজের লেটারবক্স থেকে চিঠি বের করছিলেন, মাথা ঘুরিয়ে বললেন,

[আরো পড়ুন]

Read more

ভুল

ক্টর ধৃতিমানের কোয়ার্টারের সামনে দাঁড়িয়ে রয়ের একটু নার্ভাসই লাগছিল।

ইউনিভার্সিটি ছাড়ার পর থেকে ধৃতিমানের, বা ওঁর কাজের সঙ্গে রয়ের সরাসরি কোনো যোগাযোগ ছিল না।

     একদা প্রিয় ছাত্র যে গবেষণা বা শিক্ষকতা বা নিদেনপক্ষে মহাকাশবিজ্ঞান নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন মেগা-কর্পোরেশনের চাকরি না করে সাংবাদিকতা করছে, এটা ধৃতিমান কোনোমতেই মেনে নিতে পারেন নি। তাই চাকরি [আরো পড়ুন]

Read more

অদৃশ্য মানুষ

ক্টর গ্রাহাম স্মিথ প্রাইভেট লিফটের ভিতর থেকে দিগন্তের দিকে একবার চোখ বুলিয়ে নিলেন। ওয়াশিংটন ডিসির এই আশি তলা বাড়ির উপরের দিকের কুড়ি তলাই জিটা কর্পোরেশনের অফিস আর ল্যাবরেটরি। এই লিফটে আশি তলায় উঠতে লাগে ঠিক নয় মিনিট পঁয়তাল্লিশ সেকেন্ড। ওঠার আর নামার এই সময় টুকুই ডঃ স্মিথের জীবনের একমাত্র সময় যখন তিনি কাজ আর কোম্পানি ছাড়া অন্য কিছু নিয়ে [আরো পড়ুন]

Read more

অপারেশন ডার্ক গডেস

র‍্যাক্সরের ছোঁড়া লাল রঙের লেসার নাইফটা যখন বাতাস কেটে আমার দু পায়ের মাঝ দিয়ে চেয়ারটার সাথে গেঁথে গেলো, সত্যি বলছি ভেনাস-৯-এর অ্যান্ড্রয়েড নর্তকীর মুখটাই মনে পড়ে গেল। আর বোধহয় দেখাই হবে না ভেনাসের প্রাসাদ প্রতিম ড্যান্স বার আর ভার্চুয়াল ডেটিং এরেনাগুলো! লোকে বলে মরণকালে নাকি প্রিয়জনদের মুখ মনে পড়ে! অতএব বুঝতেই পারছেন, আমার জীবনে ওই বস্তুটির যথেষ্ট [আরো পড়ুন]

Read more

সবুজ পৃথিবীর জন্য

এখন সদ্য ভোর হয়েছে, ঘড়ির দিকে চেয়ে তিয়া মিলিয়ে নিল। ওর ঘুম ভেঙেছে আর একটু আগেই। ও আস্তে আস্তে ব্যালকনির দরজাটা খুলে প্রায় নিঃশব্দ পদক্ষেপে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়াল।

     ও রোজই সকালে একবার করে এসে দাঁড়ায় এই অদ্ভুত ব্যালকনিটায়। খুব ছোটোবেলা থেকে, একেবারে তিন-চার বছর বয়স থেকেই এরকম করে। কেন কে জানে। বাইরেটা একবার না দেখলে ওর কেন যেন খুব খালি-খালি লাগে, সারাটা [আরো পড়ুন]

Read more

টিট্টিভ

কর্মে তীব্র অনীহাই শশিশেখরের কাল হইল।

     সেই হেতু তিনি তাঁহার রোবট, শ্রীমান তড়িৎ তর্পণ তান্ত্রিকের হাতে কর্মভার সমর্পণ করিয়া, আত্মানন্দে বশীভূত হইয়া স্থির রহিলেন। তড়িৎ তর্পণ তান্ত্রিক বা টিটিটি, অর্থাৎ আমি নাটবল্টু ও প্লাস্টিক লোহার সমাহারমাত্র নহি। আমি পুরাদস্তুর প্রোগ্রামায়িত। আমার ভিতরে যুগ যুগ ধরিয়া শশিশেখরের বিদ্যা বুদ্ধি সব সমাহৃত।

     আর শশিশেখর আপাতত [আরো পড়ুন]

Read more

টিথোনাস

গায়ের চামড়া আস্তে আস্তে কুঁচকিয়ে শিথিল হয়ে আসে। মাথার চুল পেকে সাদা হয়ে যায়। হাতের আঙুলের গাঁটগুলো ক্রমে শক্ত হয়ে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। চোখের দৃষ্টি ক্ষীণ হয়ে আসে। দেহের হাড়গুলো ঘুণ ধরা কাঠের মত ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। তারপর জীবনী শক্তির অভাবে রোগের সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা ধীরে ধীরে লুপ্ত হয়ে যায় সাধারণ ব্যাধিও তখন মারাত্মক হয়ে পড়ে।
  [আরো পড়ুন]

Read more

ক্যুগেল ব্লিৎস

ন্ধ্যেবেলায় হাওড়া স্টেশনটা একটা সমুদ্রের মতো। এক একটা ট্রেনের গায়ে যেন মানুষের ঢেউ আছড়ে পড়ছে, থার্ডক্লাশ কামরাগুলো প্লাটফর্মে ঢোকবার আগেই ভর্তি হয়ে যায়।

          উঁচু ক্লাসের কামরাগুলো ত’ রিজার্ভ করা, সে সব কামরায় হাত দেয় কার সাধ্য। কাজেই লোলুপ নয়নে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর উপায় কি!

          অফিসের কাজে কলকাতার বাইরে যাচ্ছি। পরের পয়সায় নবাবী করার এরকম সুযোগ [আরো পড়ুন]

Read more

এন্ড্রামেডার ভাইরাস

হস্যটা নিশিগন্ধার মনে প্রথম দানা বাঁধে সেলি নামে এক জার্মান সাংবাদিকের সাথে আলাপ হওয়ার পর। সেদিন বিকালে শিকাগোতে তার নতুন অফিস থেকে ফিরে পার্কের এক কোণে বসে ছবি আঁকার সরঞ্জাম বের করে সবে কাগজে আঁচড় কাটতে শুরু করেছিল। কানে হেড-ফোন লাগিয়ে মৃদু যন্ত্রসঙ্গীত শুনতে শুনতে ছবি আঁকা তার বহু দিনের অভ্যাস। এতে কর্মক্ষেত্রের মানসিক চাপ অনেকটা [আরো পড়ুন]

Read more

রেড

নুই আর বুকে ভর দিয়ে হ্যাচের দিকে এগোয় রয়।

ঠাণ্ডা কংক্রিটের এই শ্যাফটের ভেতরের হাওয়া কত শতাব্দীর, তা কে জানে। কিন্তু ওসব ভাবার সময় ও’র কাছে ছিল না।

“সিস্টেম অনলাইন”, রিনরিনে গলাটা ও’র কানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, “ওভারলোড হলে কিন্তু বিপদ আছে”।

বিপদ!

শব্দটা এর আগেও ও’র মাথায় এসেছে, তাই না?

গত জন্মে?

না, কয়েক ঘন্টা আগে?

কম্যান্ড সেন্টারে বসে, মিশনের ব্যাপারে শুনতে গিয়ে এই কথাটাই [আরো পড়ুন]

Read more

আফটার শকের তীব্রতা ভূমিকম্পের থেকে বেশি হয় না

প্তপদীর জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়েছিলাম, নিঃসীম কালো অন্ধকারের মধ্যে একটুকরো হীরে বসানো রূপোর আংটির মত উজ্জ্বল স্পেস সিটি ওবেরন। কেন জানিনা আমার মনে হচ্ছিল জানালা খুলে হাত বাড়ালেই আংটিটা পেয়ে যাবো। তারপরেই মনে পরে জানালা কই, [আরো পড়ুন]

Read more

চব্বিশ ঘন্টার জন্য খোলা – এডওয়ার্ড ম্যাকিওয়েন

মেডাকালা মিউজিয়াম অফ অ্যান্টিক্সএর ধুলো জমে থাকা বারান্দা দিয়ে কিউরেটরের অফিসের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলো টারস বোকারা। রোগা এই তরুণটির ভাগ্য শুধু এই কারনেই বিচ্ছিরী নয় যে সে কোল ট্র্যাকসিস তিন নম্বর সেক্টরের অন্তর্গত হাজারেরও বেশী মিউজিয়ামের একটিতে [আরো পড়ুন]

Read more

মনের মতন মানুষ

তাহলে আমার সঙ্গে চলো” – অবশেষে বলেই ফেললো রঙ্গন।

     “যাবো? কোথায় যাবো?” – হেসে বলে ফেললো রাই।

     অনেক সময়েই প্রেমিকের কথা শুনে হেসে ফেলে তরুনীরা। ইতিহাস জুড়েই হেসেছে। সেই হাসি তাচ্ছিল্যের বা ব্যঙ্গের নয়। আমি তোমার জন্য অসম্ভবতমটাও করে ফেলতে পারি – এই উক্তির মধ্যে যে সাহস আর বোকামো আছে, [আরো পড়ুন]

Read more

সমান্তরাল

রজার কিহোলে চোখ রাখল শুভম। বাইরে গাঢ় অন্ধকার। বন্ধ দরজায় জোরে জোরে আঘাত শুরু হল। এর আগেও করেছে বহুবার। শুভমের কপাল ঘামে ভেজা তেষ্টায় গলা শুকিয়ে কাঠ বেঁচে থাকার তাগিদ ওকে মরিয়া করে তুলেছে।

     পূর্ব স্মৃতি ওর কিছুই মনে নেই কেবল এই বন্ধ ঘরে নিজেকে আবিষ্কার করা ছাড়া প্রথমে মনে হয়েছিল ও কিডন্যাপ হয়েছে [আরো পড়ুন]

Read more

কোনো একদিন – আইজাক আসিমভ

নিকলো মাজেট্টি উপুড় হয়ে শুয়ে অন্যমনস্ক ভাবে যন্ত্রকথকের বলে যাওয়া গল্প শুনছিল, তার ছোট ছোট হাতের মধ্যে রাখা এগার বছরের কিশোর মুখটাতে শুকিয়ে যাওয়া কান্নার হাল্কা রেখা

     যন্ত্রকথক বলে যাচ্ছিল “অতীতকালে এক অরণ্যে এক দুঃস্থ কাঠুরিয়া বাস করিত, তাহার ছিল দুই কন্যা [আরো পড়ুন]

Read more

জীবন

বোনজোরনো সিনিওরে, কোসা পোসসু ফারে পের লেই?*

 

     বোন জোর নাকে বয়**, But I know only this much of Italian. I am Nirod Mukherjee, from India.

     Sorry sir, let me please allow to check the register…

     রিসেপশনিস্ট রেজিস্টার চেক করে নির্দিষ্ট [আরো পড়ুন]

Read more

তেলেভাজার একদিন

দিনটা শুরু হয়েছিল সাধারণ ভাবেই। আমি হাতিবাগানের সামনে হাঁটছি এখানে একটা কাজ ছিল৷ থাকি দক্ষিণ কলকাতায়৷ শ্যামবাজারের মোড়ে গেলেই মেট্রো পেয়ে যাব হঠাৎ খেয়াল করলাম রাস্তায় [আরো পড়ুন]

Read more

এখনও বৃষ্টি হয়!

কুণাল তাঁর চশমাটা খুললেন। মাঝে মাঝেই ঝাপসা হয়ে আসে কাচ। অনেকসময়ই বিশেষ কোনও কারণ ছাড়াই। অন্যমনস্কভাবে হাত লাগিয়ে ফেলেন, তারপর বিরক্তিকর কাচ পরিষ্কার! [আরো পড়ুন]

Read more

পাসওয়ার্ড

[২১৫ সাল, ইন্ডিয়ানাল্যান্ডের ইস্ট বঙ্গ সেক্টর। ৪ জুন, রাত ১ টা বেজে ৩৭ মিনিট ৫৩ সেকেন্ডে সেন্ট্রাল কন্ট্রোলের ভিজিল্যান্স টিমের মনিটরে ছবি ভেসে উঠল। ১৯৭৩ ক্লাস্টারে একটি হিউম্যান মেল লায়িং পোজিশনে ভেসে রয়েছে আর একটি হিউম্যান ফিমেল সিটিং পজিশনে সামনে জায়ান্ট স্ক্রিনে কিছু দেখছে আর আঙুল নেড়ে কম্যান্ড দিচ্ছে। সাউন্ড সিস্টেম অন হতে মনিটরের সামনে বসে থাকা দুজন সেদিকে মন দিল]

[আরো পড়ুন]

Read more

ছিনতাই হল পৃথিবীটা

রকম একটা ভয়াবহ ঘটনা প্ৰকাশ করা উচিৎ হবে কিনা ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কেননা ব্যাপারটা প্ৰকাশিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা পৃথিবী জুড়ে যে সাংঘাতিক আতঙ্ক, ভয় আর বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে তাতে সরকারগুলি ব্যর্থ হবে আইন ও শৃঙ্খলা বজায় [আরো পড়ুন]

Read more

বাই জুপিটার – আইজাক আসিমভ

র রাজকীয় সোনালী দাড়ি আর গাঢ় খয়েরী চোখ দেখে না জানলে কেউই বিশ্বাস করবে না যে ও মানুষ নয়, এমন কি জীবিত প্ৰাণীও নয়। আসলে ও শুধুমাত্র যান্ত্রিক পুতুল বা যোগাযোগের যন্ত্র। আসল খদ্দেরদের পৃথিবীর মাটিতে আলোচনার টেবিলে বসা সম্ভব নয়, কারণ তারা অগ্নি-সম শক্তি-প্ৰাণী। আগুন-গরম চুল্লীর মতো তাদের ক্ষেত্র দিয়ে ঘেরা দেয়ালবিহীন “মহাকাশযান”।

     ও বললে, “আপনারা [আরো পড়ুন]

Read more
error: Content is protected !!