আমাদের ভবিষ্যৎ – নতুন তুষারযুগ নাকি জলমগ্ন পৃথিবী?

মাদের ধারণা পৃথিবীতে তুষারযুগ আসলেও তা আসবে খুব ধীরে ধীরে। কল্পবিজ্ঞান গল্প কিংবা সিনেমায় যেরকম নাটকীয় ভঙ্গিতে দেখান হয়, সেভাবে কখনওই নয়। কিন্তু অনেক বিজ্ঞানীই মনে করেন আবহাওয়ার বিস্ময়কর এবং দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে, বিশেষ করে মানুষ যদি পৃথিবীর আবহাওয়া পরিবর্তনে অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করে।

     পৃথিবীর প্লাইস্টোসিন যুগ, যা শুরু হয়েছিল আজ থেকে প্রায় পঁচিশ [আরো পড়ুন]

Read more

এস. এফ.-এর রূপান্তর: বাংলায় কল্পবিজ্ঞান এবং সাম্রাজ্যিক টেকনো-সায়েন্স

Abstract in English

In this paper, I look at current theories on global science fiction (sf) that are alert to the role of imperialism in sf literature. Examining the work of Istvan Csicsery-Ronay, Jr., John Rieder, and Patricia Kerslake, among others, I describe how these theories, which deal primarily with sf produced by former colonial powers, may be extended in the context of sf produced by writers from the colonies during the colonial period and after independence.  While little attention had been paid to sf produced by countries outside the Anglo-American and European world in early sf historiography, current sf criticism is investigating these in a larger global context (for instance Eastern European, Latin American, African, West and South Asian). In this paper, I do not attempt a historical telling, as has been done in most of these approaches (some of which I have reviewed). Instead, using the lens [আরো পড়ুন]

Read more

পরিবেশগত বিপর্যয়

১) Aral সাগরকে কেন পরিবেশ সংক্রান্ত বিপর্যয়ের আদর্শ উদাহরণ বলা হয় কেন?

     মধ্য এশিয়ার মধ্যে Aral সাগর, কিন্তু আসলে সাগর নয় এশিয়ার মধ্যে এইটিই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম লেক। আয়তনে ৬৮,০০০ বর্গ কিলোমিটার।

     আসলে এতই বিশাল এর আয়তন যে লোকের কাছে সাগরের রূপ নেয়। তাই সকলে এর নাম দিয়েছে Aral সাগর। মিষ্টি জলের লেক। এই জলাধারকে নিয়ত পুষ্ট করে চলেছে মধ্য এশিয়ার দুটি [আরো পড়ুন]

Read more

কৌটো

(তন্ময় পুরকায়স্হর জবানবন্দি, অনুলিখন রাজকুমার রায়চৌধুরী)

প্রথমেই বলে রাখি আমার নাম তন্ময় পুরকায়স্থ৷ আমি কেমিস্ট্রিতে এমএসসি পাশ করে একটা মোটামুটি নামী কোম্পানিতে চাকরি করি৷ বাঁকুড়া জেলার একটি গ্রামে আমাদের বাড়ি৷ বাড়িতে বাবা-মা আর এক বোন থাকে৷ তবে কাজের চাপে বছরে দু-একবারের বেশি গ্রামে যাওয়া হয়ে ওঠে না৷ আমি বিয়ে করিনি৷ যাদবপুরের কাছে [আরো পড়ুন]

Read more

রা-চীন

বিস্ফোরণের প্রবল শব্দে ঘুম ভেঙে ধড়মড় করে উঠে বসে কমল। মোবাইলের ঘড়িতে দেখে রাত তখন বারোটা তেত্রিশ। টেনে টেনে কয়েকটা বড়ো শ্বাস নেওয়ার পরও বুক ধড়ফড়ানিটা কমতে চাইছে না কিছুতেই। শব্দের উৎসের সন্ধানে বিছানা ছেড়ে জানলার সামনে এসে দাঁড়াতেই নাকটা কুঁচকে ওঠে কমলের – বাতাসে মিশে আছে বারুদের গন্ধ!

     দিনটা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ডে-ওয়ান। কেউ জানতেও পারেনি যে চুপিচুপি [আরো পড়ুন]

Read more

৪২ এর খপ্পরে – একটি কল্পবিশ্ব ইভেন্ট

৪২ এর খপ্পরে – একটি কল্পবিশ্ব ইভেন্ট

“৪২ আপাতদৃষ্টিতে একটি সামান্য ছোট্ট নম্বর, পাঁচে না থাকলেও সাতে আছে যদিও! তা সেই সংখ্যাকেই দুম করে রাজার আসনে বসিয়ে, ডগ্লাস অ্যাডামস সাহেব তার বিখ্যাত বই ‘দ্যা হিচহাইকারস গাইড টু দ্যা গ্যালাক্সি’তে বলে বসলেন,- প্রাণ, বিশ্বজগৎ আর সমস্ত কিছুকে নিয়ে যে পরম প্রশ্ন তার উত্তর হল ৪২! তারপর বহু বছর ধরে বহু পণ্ডিত খোঁজার [আরো পড়ুন]

Read more

অপারেশন ডার্ক গডেস

র‍্যাক্সরের ছোঁড়া লাল রঙের লেসার নাইফটা যখন বাতাস কেটে আমার দু পায়ের মাঝ দিয়ে চেয়ারটার সাথে গেঁথে গেলো, সত্যি বলছি ভেনাস-৯-এর অ্যান্ড্রয়েড নর্তকীর মুখটাই মনে পড়ে গেল। আর বোধহয় দেখাই হবে না ভেনাসের প্রাসাদ প্রতিম ড্যান্স বার আর ভার্চুয়াল ডেটিং এরেনাগুলো! লোকে বলে মরণকালে নাকি প্রিয়জনদের মুখ মনে পড়ে! অতএব বুঝতেই পারছেন, আমার জীবনে ওই বস্তুটির যথেষ্ট [আরো পড়ুন]

Read more

অতিমাত্রিক

“অর্ণব বাড়ি আছিস?”

“কীরে, এই অর্ণব – বাড়ি আছিস?”

     ভাগ্যিস এ পাড়ায় লোকজন বিশেষ থাকে না, আর যে দু-চার ঘর ছেলেছোকরা থাকে, তারাও কাল কালীপুজোর আনন্দে কারণবারি গিলে এখন মধ্যযামে বিচরণ করছে। অনেকক্ষণ দরজা খটখট, চেঁচামেচি আর ঘণ্টি বাজানোর পর, চোখ রগড়াতে রগড়াতে দরজা খুলল অর্ণব। চোখ লাল, মুখে কাঁচা ঘুম ভেঙে যাওয়ার একরাশ বিরক্তি। তবে দরজা খুলে কিংশুকের মুখ দেখেই [আরো পড়ুন]

Read more

টিট্টিভ

কর্মে তীব্র অনীহাই শশিশেখরের কাল হইল।

     সেই হেতু তিনি তাঁহার রোবট, শ্রীমান তড়িৎ তর্পণ তান্ত্রিকের হাতে কর্মভার সমর্পণ করিয়া, আত্মানন্দে বশীভূত হইয়া স্থির রহিলেন। তড়িৎ তর্পণ তান্ত্রিক বা টিটিটি, অর্থাৎ আমি নাটবল্টু ও প্লাস্টিক লোহার সমাহারমাত্র নহি। আমি পুরাদস্তুর প্রোগ্রামায়িত। আমার ভিতরে যুগ যুগ ধরিয়া শশিশেখরের বিদ্যা বুদ্ধি সব সমাহৃত।

     আর শশিশেখর আপাতত [আরো পড়ুন]

Read more

রণেন ঘোষের সঙ্গে একটি দুপুর

আকাশ বেশ কালো। বর্ষার নিচু মেঘের ছায়া গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনের ওপর ঝুঁকে পড়েছে। যখন তখন বৃষ্টি নামবে। অথচ আমরা বাড়িটা খুঁজে পাচ্ছি না!

এদিকে ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। মোবাইল সুইচড অফ। ভিজিটিং কার্ডে লেখা ল্যান্ডলাইন নম্বরেও কানেকশন হচ্ছে না। কী করা যায়? তাহলে কি রণেন ঘোষের সঙ্গে দেখা হবে না? কার্ডে যে রাস্তার নাম লেখা সেখানেই চক্কর খাচ্ছি। নির্দিষ্ট নম্বরের বাড়িটা খুঁজছি।

[আরো পড়ুন]

Read more

ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য – বাংলা কল্পবিজ্ঞানের এক বিস্মৃত অধ্যয়

বাংলা ভাষায় শিশুকিশোর সাহিত্যের প্রথম যুগে বিজ্ঞান ভাবনার প্রচলন করে গিয়েছেন যে রথীমহারথীরা তাদের মধ্যে ক্ষিতীন্দ্রনারায়ণ ভট্টাচার্য এক উল্লেখযোগ্য নাম। জীবনের বেশীর ভাগ লেখাই তিনি লিখেছেন ছোটদের জন্য। শিশুদের মধ্যে বিজ্ঞানচেতনা বাড়ানোর জন্য বিজ্ঞানের কঠিন বিষয়কে সুন্দর ও সরস করে প্রবন্ধ বা গল্পাকারে পরিবেশনায় আজও তাঁর জুড়ি মেলা ভার। 

     ক্ষিতীন্দ্রানারায়ণের [আরো পড়ুন]

Read more

জিন মহাপুরাণ

সারাদিন ধরে একরাশ পেপার আর বই চর্চা করার পরে সূর্য ডোবার আগে আগেই মাথাটা বিগড়ে গেল। তা মাথার খুব একটা দোষ ছিলনা। একে তো জুলাই মাসের ভ্যাপসা গরম, তার উপরে প্রতিবেশীদের মধ্যে কে যেন ভর দুপুরে শখ করে মহালয়া চালিয়েছে কম্পিউটারে। তাও আবার লুপ ফর্মে। একবার শেষ হলেই আবার বেজে উঠছে “জাগো চণ্ডী”। ছাইবর্ণ আকাশের সাথে সাথে আমার মস্তিষ্ককেও ক্রমাগত ত্রিশূলে বিদ্ধ [আরো পড়ুন]

Read more

ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের জন্ম বৃত্তান্ত

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider
Read more

মেরি শেলী : সৃষ্টির ছায়ায় স্রষ্টা

জ থেকে দু’শ বছর আগে ইউরোপের জেনেভা লেকের ধারে এক বাড়ীতে বসে এক উনিশ বছরের মেয়ে লিখে ফেলেছিল পৃথিবীর প্রথম সায়েন্স ফিকশন নভেল। দু’শ বছর ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন কোণায় মানুষ চর্চা করে এসেছে তাঁর রচনা নিয়ে। কত থিসিস পেপার, কত সিনেমা, কত ফ্যান ফিকশন, এমনকি আজও সেই গথিক সায়েন্স ফিকশনের কালো দুনিয়া আমাদের পিছু ছাড়েনি। ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন দানব আজও [আরো পড়ুন]

Read more

সম্পাদকীয়

টাইমস দে আর আ চেঞ্জিং।

     সময় বদলাচ্ছে। এবং দ্রুত। ২০১৬ সালে ‘কল্পবিশ্ব’-এর আত্মপ্রকাশ। তার পর থেকে একটু একটু করে মানুষের ভালবাসা আর উৎসাহে এগিয়ে চলা। এগোতে এগোতেই বুঝতে পারা, দু’পাশের দৃশ্যও বদলাচ্ছে। কোনও যাত্রাপথেরই সবটুকুই শিশুর আঁকা সরল সিনারি হতে পারে না। তবু যখন দেখা যায়, মাঝে মাঝেই পথের পাশে ফুটে উঠছে সুন্দর, তখন বোঝা যায়, স্বপ্নের পথে হাঁটায় কোনও ভুল নেই। হতে পারে না।

[আরো পড়ুন]

Read more

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের ‘দানব’ এর বিবর্তন

“I saw the dull yellow eye of the creature open; it breathed hard, and a convulsive motion agitated its limbs.”

ন্ডন – ১৮১৮ সালের ১লা জানুয়ারী, প্রকাশ পেল এক নামহীন রচয়িতার উপন্যাস – “Frankenstein Or, The Modern  Prometheus”; যা কিনা প্রখ্যাত সায়েন্স ফিকশন লেখক Brian Aldiss এর মতে প্রথম প্রকৃত সায়েন্স ফিকশন গল্প। এই রচনা প্রকাশ পেয়েছিল খুবই ছোট প্রকাশনা Lackington, Hughes, Harding, Mavor, & Jones থেকে, মাত্র ৫০০ কপি।

     গত দুই শতাব্দী ধরে ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন এবং তাঁর [আরো পড়ুন]

Read more

প্রহর শেষের আলো

It is a subject also of additional interest to the author that this story was begun in the majestic region where the scene is principally laid, and in society which cannot cease to be regretted. I passed the summer of 1816 in the environs of Geneva. The season was cold and rainy, and in the evenings we crowded around a blazing wood fire, and occasionally amused ourselves with some German stories of ghosts, which happened to fall into our hands. These tales excited in us a playful desire of imitation. Two other friends (a tale from the pen of one of whom would be far more acceptable to the public than anything I can ever hope to produce) and myself agreed to write each a story founded on some supernatural occurrence.

The weather, however, suddenly became serene; and my two friends left me on a journey among the Alps, and lost, in the magnificent scenes which they present, all memory of their ghostly visions. The following tale is the only one which has been completed.

[আরো পড়ুন]

Read more

ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন আর্মি

৭ই সেপ্টেম্বর, ১৮১৮

স্থানঃ রবার্ট ওয়াল্টনের জাহাজ, যা ব্যর্থ উত্তর মেরু অভিযানের শেষে ফিরে চলেছে লন্ডনের দিকে

     রবার্ট ওয়াল্টন স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সেই দানবের দিকে, যে নিজের সৃষ্টিকর্তার এবং তার পরিবারের নির্মম ধ্বংসের জন্য দায়ী। দানবের থেকে অদূরে শোয়ানো রয়েছে ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের মরদেহ। রবার্ট ওয়াল্টন এবং ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইনের দানবের [আরো পড়ুন]

Read more

আয়নার ঠান্ডা কাচ ও অষ্টাদশীর স্বপ্ন

রাতের এই সব জনহীন রাস্তা আর আধো-অন্ধকার বাড়ির রহস্যময় জানলার দিকে তাকালে আমার মনে হয়, আজ তোমার সঙ্গে দেখা হবে। এই সব বাড়ির নির্জন কোনও কোণ কিংবা রাস্তার ধারেকাছের কোনও ঝোপ— কোথাও নিশ্চয়ই লুকিয়ে আছ তুমি। আছ কি?

     নাকি তুমি আমাদের রক্তমাংসের দুনিয়া ছেড়ে পাকাপাকি ভাবে স্বপ্নেই ফিরে গেছ? যে স্বপ্নের ভিতরে তোমার জন্ম। মনে আছে, কেমন তীব্র শীত পড়েছিল সেবার? [আরো পড়ুন]

Read more

অপার্থিব মেধার সন্ধানে – পর্ব ২

গোল্ডিলক জোন  

রের রবিবার যথারীতি উৎসাহী ছাত্রের মতন হাজির হলাম প্রফেসর মহাকাশ ভট্টের বাড়িতে। আমি আসতেই স্যার জলখাবার আনতে বললেন। খেতে খেতে কথা হতে লাগল। আজ লুচি তরকারি – স্যারের প্রিয় খাবার। আমার তো বটেই।

     স্যার বললেন – “হ্যাঁ তুমি যেন সেদিন কী প্রশ্নটা করেছিলে?”

     আমি বললাম – “এই যে অগুনতি কোটি কোটি তারা। তাদের কোন গ্রহে মানুষ আছে আর কোথায় নেই [আরো পড়ুন]

Read more

দ্রোণাচার্য্য

[আরো পড়ুন]

টুটুলদের ছাতের পাঁচিলে একটা ছোট্ট নীল রঙের পাখী এসে বসল। গরমকালের বিকেল। টুটুলের এবার ক্লাস নাইন হবে। এখন টুটুলের গরমের ছুটি চলছে। টুটুল একমনে একটা রবারের ফুটবলে ড্রিবল প্র্যাকটিস করছিল ছাতের একটা কোনায়। তবে তার একটা কান খাড়া ছিল চিলেকোঠার ঘরের দিকে। ওখানে বসে আড্ডা দিচ্ছিল  টুটুলের ছোড়দা রন্টু আর তার আমেরিকাবাসী বন্ধু [আরো পড়ুন]

Read more

প্রফেসর শঙ্কু ও কারপেথীয় আতঙ্ক

ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক সত্যের সঙ্গে কল্পনার রঙ মিশিয়ে রচিত এই কাহিনি উৎসর্গিত হল সত্যজিৎ রায়ের অমর স্মৃতির উদ্দেশ্যে।

৩০শে নভেম্বর, গিরিডি

        আজ আমার বৈজ্ঞানিক জীবনের এক স্মরণীয় দিন। বোধহয় স্মরণীয়তমও বলা চলে। আমার বিজ্ঞানচর্চার এই সুদীর্ঘ কাল ধরে অসংখ্য সম্মান আর পুরষ্কার আমি পেয়েছি সারা বিশ্ব থেকে। কিন্তু আজ আমার নিজের দেশ থেকে আমাকে যে সম্মান দেওয়া [আরো পড়ুন]

Read more

অন্ধকারের অবয়ব – রাসকিন বন্ড

পেশায় স্কুল মাস্টার অলিভারবাবু একজন অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। এক সন্ধ্যায় তিনি সিমলা স্টেশনের গা ঘেঁষা পথ দিয়ে স্কুলের দিকে ফিরছিলেন। সাধারণত রোজ বিকেলে তিনি বেড়াতে বের হন। ভদ্রলোকের নিজের বলতে তেমন কেউ নেই, বিয়েও করেননি। কাজেই কোনও ঝুট ঝামেলার মধ্যে উনি থাকেন না।

     তিনি যে স্কুলটিতে পড়ান, বলা যায় সেটি অভিজাত সম্প্রদায়েরই স্কুল। এখানে ছেলেরা [আরো পড়ুন]

Read more

মোমের মিউজিয়াম

নিছক কৌতূহলের বশেই করঞ্জাক্ষের মিউজিয়ামে এসেছিল শান্তনু। কার মুখে ও শুনেছিল, করঞ্জাক্ষের এই বিচিত্র সংগ্রহশালায় মোমের তৈরি যেসব বস্তু আছে, তার তুলনা নাকি সচরাচর দেখা যায় না। কল্পনার বিভীষিকা শিল্পীর হাতে যে কী ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে—করঞ্জাক্ষের মিউজিয়ামই তার নিদর্শন।

     তাই শান্তনু এসেছিল গুজবের মধ্যে মিথ্যার পরিমাণ কতটা তা যাচাই করে নিতে। [আরো পড়ুন]

Read more

যখন নামবে আঁধার

প্রচন্ড রেগে গিয়েছিলেন অতীশ ৭৭, শরণ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান জ্যোতির্বিজ্ঞানী। আগুনচোখে চেয়ে রইলেন সামনের সাংবাদিক যুবকের দিকে। এত রেগে গিয়েছিলেন যে কথা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল তাঁর, মনে হচ্ছিল এই বুঝি তিনি তেড়ে গিয়ে সাংবাদিককে দু’ঘা লাগিয়ে দেন। ভুবন ৭৬২, সাংবাদিক, তেমন বিচলিত হয় নি। তার চাকরিটাই এমন। এইসব রাগারাগির মধ্যে পড়তে হয় প্রায়ই। [আরো পড়ুন]

Read more

এন্ড্রামেডার ভাইরাস

হস্যটা নিশিগন্ধার মনে প্রথম দানা বাঁধে সেলি নামে এক জার্মান সাংবাদিকের সাথে আলাপ হওয়ার পর। সেদিন বিকালে শিকাগোতে তার নতুন অফিস থেকে ফিরে পার্কের এক কোণে বসে ছবি আঁকার সরঞ্জাম বের করে সবে কাগজে আঁচড় কাটতে শুরু করেছিল। কানে হেড-ফোন লাগিয়ে মৃদু যন্ত্রসঙ্গীত শুনতে শুনতে ছবি আঁকা তার বহু দিনের অভ্যাস। এতে কর্মক্ষেত্রের মানসিক চাপ অনেকটা [আরো পড়ুন]

Read more

কল্পবিশ্ব রাশিয়ান সংখ্যা – কিছু ভাবনা

৬ বছর হয়ে গেল ভেঙে গেছে সোভিয়েত ইউনিয়ন। বন্ধ হয়ে গেছে প্রগতি প্রকাশন, রাদুগা প্রকাশন ও মীর প্রকাশন। মস্কো বা তাসকেন্দ থেকে আর কোনো রুশী বইয়ের বাংলা অনুবাদ ছাপা হয় না। অন্য সব সোভিয়েত গল্প, নাটক বা কবিতার বইয়ের মতোই সোভিয়েত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির বইয়ের প্রামাণ্য বাংলা অনুবাদ পড়তে পাওয়ার আশাও তাই ছাব্বিশ বাও জলের তলায়। রুশভাষাবিদ বাংলা গল্পদাদুদের [আরো পড়ুন]

Read more

অভিবাদন-আলেকজান্দ্র কুপ্রিন

তুন কল্পান্তের দ্বিতীয় শতক শেষ হবে আর খানিক বাদেই, মাত্র পনেরো মিনিট বাকি। পনেরো মিনিট পরেই, মাস দিন ঘন্টা মিলিয়ে পৃথিবীতে উদযাপিত হতে চলেছে জার্মানির আত্মসমর্পণের সেই বিশেষ দিনটি। এই দিনেই জাতীয়তাবাদ আঁকড়ে থাকা শেষ রক্ষণশীল দেশটি, তার উগ্র দেশীয় সত্তা বিসর্জন দিয়ে যোগ দিয়েছিল স্বাধীন নৈরাজ্যবাদী সমিতিতে। খ্রীষ্টীয় ক্যালেন্ডারের হিসেবে সময়্টা ২৯০৬ সালের শেষের দিক।

[আরো পড়ুন]

Read more

একটি অ-সাধারণ ঘটনা – গেন্নাদি গোর

‘তুমি কে?’ জিজ্ঞেস করলাম।  

     বিষাদলাগা কন্ঠে ধীরে ধীরে জবাবটা এলো। ‘আসলেই কি জানি আমি কে? এটুকু বলতে পারছি যে আমি তোমারই মতো স্বাধীন ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন। কিন্তু এখনো নিশ্চিত জানি না আমি কে। হয়ত খুব তাড়াতাড়ি জানতে পারব। তুমি কে?’

     ‘আমি জ্যাক পিটারস। তোমার স্রষ্টা।’

     ‘কে? ঈশ্বর?’

     ‘তুমি ঈশ্বরের নাম জানলে কোত্থেকে? ঈশ্বর বলে কিছু নেই। তাছাড়া, আমি [আরো পড়ুন]

Read more

অদৃশ্য আলো – আলেক্সান্দর বেলিয়ায়েভ

“দেখুন, স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে যে ভিরোভাল কত বড় চিকিৎসক।”

     “অবশ্যই, একজন সম্পূর্ন অন্ধ মানুষও যখন তা দেখতে পান, তখন তিনি বড় চিকিৎসক তো বটেই।”

     “আপনি কীভাবে জানলেন যে আমি একেবারে অন্ধ?” পাশে বসা অপরিচিতর দিকে ফেরেন রোগীটি।

     “আরে, আপনার পরিষ্কার নীল চোখ দু’টো আমায় বোকা বানাতে পারবে না। একটা পুতুলের মতই আপনারগুলোও নিষ্প্রাণ।” অপরিচিত হেসে সেই সাথে আরও বলেন [আরো পড়ুন]

Read more

একটি উপন্যাসের প্লট – ইলিয়া ভারশাভস্কি

মি খুব খুশি ছিলাম সেদিন। আমার মত এক লম্বা অসুস্থতা যে কাটিয়ে উঠবে সে আমার মানসিক অবস্থা পুরোপুরি বুঝতে পারবে। আমাকে যে আর প্রতিবন্ধী ভাতায় থাকতে হচ্ছে না, আমার অসুস্থতাজনিত ছুটি আরো লম্বা করা হয়েছে, তাতে আমি আমার অসুস্থতার আগে শুরু করা গবেষণাপত্র শেষ করার জন্য অঢেল সময় পাবো। ফলে আমি আমার স্যানেটেরিয়ামে থাকার সময়টা পুরোটাই আরাম করতে পারব, আমায় [আরো পড়ুন]

Read more

মানুষ কি? – আইগর রশোকোভতস্কি

(দ্বাবিংশ শতাব্দীর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দর্শন শিক্ষাকক্ষের সংক্ষিপ্ত শর্টহ্যান্ড প্রতিবেদন)

প্রথম পাঠ

আবিষ্ট মানুষটির কথা

(তথ্যাবলীঃ সেই সময় সপ্তর্ষিমণ্ডলে একটি নতুন নক্ষত্রের আবির্ভাব হয়েছে। সারা পৃথিবী সেই সংবাদে উত্তাল। যন্ত্রের হিসাব অনুযায়ী, এটি সুপারনোভা প্রকৃতির নক্ষত্র নয়। বিকিরণের মাত্রা উল্লেখযোগ্য রকম কম, সাধারণ যন্ত্রপাতিতে [আরো পড়ুন]

Read more

সভ্যতার সূচনা – রোমেন ইয়ারোভ

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে টাইম মেশিনের দৌড় অন্যান্য প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার অন্তর্ভুক্ত করা হল। অনুরাগীদের দীর্ঘ নিরলস প্রয়াসে এই সাফল্য। স্বাভাবিকভাবেই তারা ভীষণ গর্বিত। তাদের গর্ব করার যথেষ্ট কারনও আছে। এমনিতেই বহুদিন আগে, প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে টাইম মেশিনের মডেল তৈরির বিজ্ঞপ্তি বেরোনোর সঙ্গে সঙ্গে ‘নবীনদের বিজ্ঞান চেতনা’, [আরো পড়ুন]

Read more

দ্বিশতবর্ষজয়ন্তী – কির বুলিচেভ

দুশো বছরের এই এক্সপেরিমেন্টের আজ একটি গৌরবময় দিন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমনটা আর কখনো ঘটেনি। আয়োজন দেখে মাথা খারাপ হবার জোগাড়। এই পরীক্ষা যাঁরা আরম্ভ করেছিলেন আজ তাঁরা বরণীয় হয়ে থাকবেন।

     ওঁরা অবিশ্যি আজ অ্যাসেমব্লি হলের দেওয়ালে ছবি হয়ে ঝুলছেন। ডারউইন, মেন্ডেল, প্যাভলভ, সসনোরা, জ্যাকবসন, স্যাটো।

     এঁদের মধ্যে প্রথম তিনজন এই পরীক্ষার কথা কিছুই জানতেন না, আর শেষ [আরো পড়ুন]

Read more

নিরুদ্দেশের উদ্দেশ্যে – আনাতলি দ্‌নেপ্রভ

মার মৃত্যুর পরে আমাকে মর্গ থেকে কিনে সোজা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল উডরপের বাড়িতে। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও ব্যাপারটা নেহাতই সাদামাটা। যেমন সাদামাটা আমার ঘটনাচক্রে মর্গে পৌঁছনোটা। নিউ ইয়র্কের একটা হোটেলের বাথরুমে আমি আমার হাতের শিরা কেটে আত্মহত্যা করেছিলাম। হোটেলের ভাড়া বাকি না থাকলে বোধ হয় অত তাড়াতাড়ি আমার খোঁজ পড়ত না আর আমার লাশটাও অত শিগগিরি পাওয়া [আরো পড়ুন]

Read more

আপদ – ভ্যালেন্টিনা জুরাভ্লিয়োভা

তিন বছর আগে আমি প্রথম দেখেছিলাম ছোট্টখাট্টো মেয়েটাকে। রোগা হাত পা, ফ্যাকাশে গাল আর বড় বড় নীল চোখ নিয়ে একটা ভীতু ইঁদুরের মত জড়সড় হয়ে বসে ছিল সে। শুধু কোন পছন্দের লেখককে দেখলেই লজ্জায় রাঙা হয়ে কাঁপা কাঁপা হাতে অটোগ্রাফের খাতা বাড়িয়ে ধরত মেয়েটা।

     এই তিন বছরে কল্পবিজ্ঞান লেখক সঙ্ঘের একটাও মিটিঙও সে বাদ দেয়নি। আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি, কেউ তাকে আমাদের সঙ্ঘের মিটিঙে [আরো পড়ুন]

Read more

বিষকন্যে

পূর্ণ চন্দ্রের উথলে ওঠা আলোয়, ভেসে যাচ্ছে সমস্ত নগরী। রাত্রি বেশ গভীর হল। প্রজারা গভীর নিদ্রায় মগ্ন। সম্রাট অবশ্য মূল প্রাসাদে অনুপস্থিত। তাঁর অবস্থান প্রাসাদ সংলগ্ন প্রমোদ ভবন। আজ তাঁর মন বড় প্রফুল্ল। সংলগ্ন রাজ্যের সম্রাট যে দিন দিন সামরিক শক্তিতে পরাক্রমশালী হয়ে উঠছেন, এ সংবাদ তিনি চর মারফত বেশ কিছুদিন যাবৎ পাচ্ছিলেন। তাঁর কপালে চিন্তার [আরো পড়ুন]

Read more

প্ৰেত পাহাড়ের সরোবর

৯৩৬ সাল।।

     গেল যুদ্ধের আগের কথা। আমি তখন তিব্বতে। গ্যাংটক থেকে মাইল দশেক উত্তর পূবে একটা সরকারী বাংলোয় উঠেছি। ইংরেজ সরকারের জরিপের কাজে এসেছি বটে। কিন্তু আমার উদ্দেশ্য একেবারে অন্য।

     ধাতুবিদ্যায় এম-এস-সি পাশ করার পর থেকেই আমার মাথায় ঝোঁক চেপেছিল হিমালয়ের দুৰ্গম পাহাড়ে-উপত্যকায় সোনার খনি খুঁজে বের করব। সোনা না হোক, তামা, টিন বা দস্তা নিশ্চয় পাব! [আরো পড়ুন]

Read more

মঙ্গলের রাণী থেকে কিন্-জা-জা’ র পথে (সোভিয়েত সাই-ফি সিনেমার সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত)

৯২৪ সাল। মাত্র দুবছর আগে রক্তস্নাত গৃহযুদ্ধের শেষে এক বিরাট ভৌগোলিক পরিসরে তৈরী হয়েছে নতুন ধরনের সমাজ রাজনীতির পরীক্ষাগার: মানুষের সরকার – যাকে প্রথম দিন থেকেই পরীক্ষা দিতে হয়েছে কায়েমী, বাজারমুখী শক্তিদের বিরুদ্ধে যার সহায়ক ছিল বেশ কিছু বিদেশী রাষ্ট্র। শ্বেত আর লাল সোভিয়েতের ওই ধুন্ধুমার সংগ্রামমুখর সময়টাতে কিন্তু আবার অন্য এক ধরণের [আরো পড়ুন]

Read more

ভ্লাদিমির মিকানোভস্কির সঙ্গে কথোপকথন

ভ্লাদিমির নউমোভিচ মিকানোভস্কি একজন রাশিয়ান-ইউক্রেনিয়ান সোভিয়েত কবি, ঔপন্যাসিক, গদ্য লেখক, চিত্রনাট্যকার এবং অনুবাদক। তিনি ১৯৩১ সালের ২রা অক্টোবর ইউক্রেনের খারকভে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালে খারকভ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যা এবং অঙ্কে অনার্স নিয়ে পাস করেন। সেখানেই ১৯৬২ সাল অব্দি শিক্ষকতা করেন। ১৯৬২ সাল থেকে তিনি রাশিয়ায় বাস করতে শুরু [আরো পড়ুন]

Read more

সম্পাদকীয়

“বিজ্ঞান আর প্রযুক্তি আধুনিক বাস্তবতার একটা নতুন সংজ্ঞা লিখে চলেছে শুধুমাত্র আমাদের প্রতিদিনের অস্তিত্বের বাহ্য পরিবর্তনগুলো দিয়ে নয় বরং আমরা নতুন করে কি ভাবব বা চিন্তা করব তার মধ্যে দিয়েও। নৌচনি ফ্যান্টাস্টিকা বা বিজ্ঞানভিত্তিক ফ্যান্টাসি এই ক্ষেত্রে একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের চিন্তার মধ্যেই কি প্রথম সেই নতুন সূত্র [আরো পড়ুন]

Read more

মঙ্গলগ্রহী- আলেকজান্ডার কাজানসেভ

জিওর্জি সিদভের ফ্রন্টডেকের কেবিনে আলোচনা তখন প্রায় থিতিয়ে এসেছে। আসলে, কেউই সে রাতে ‘মার্সিয়ান ক্যাটাস্ট্রফি’ নিয়ে বিশেষ কথা বলতে চাইছিল না। জাহাজী নাবিক ও মাল্লারা, আর্কটিকের অভিযাত্রী অথবা উত্তর মেরুর আশেপাশে তেলের খোঁজে ঘুরে বেড়ানো মানুষজনকেও যেন একপ্রকার সন্ত্রস্তই দেখিয়েছে। ক্যাপ্টেনেরও একই মত ছিল – উল্কাপাতের পর উত্তর সাইবেরিয়া [আরো পড়ুন]

Read more

বৈপ্লবিক

৩১ খ্রীষ্টাব্দের ২২শে জুলাইয়ের কৃত্রিম কুয়াশায় ম্লান এক বিকেলে রিইউনাইটেড কম্যুনিস্ট রাশিয়ান ফেডারেশন বা RCRF এর অন্তর্গত কিরভ ওব্লাস্ট মেগাসিটির পশ্চিমপ্রান্তে একশো ছিয়ানব্বই তলার একটা মোটামুটি শস্তা রিভলভিং পাব-এ ওলগা মিকোভিচ, নাদরা কিলিচ আর দাভরন ফারুদ-এর মধ্যে দারুণ তর্ক জমে উঠেছিল। মিকোভিচ আর নাদরা জন্মসূত্রে ইউক্রেনিয়ান [আরো পড়ুন]

Read more

চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider
Read more

নাট বল্টু বানাল ভ্যাকুয়াম ক্লিনার – নিকোলাই নোসভ

যারা ‘আনাড়ির কাণ্ডকারখানা’ পড়েছ তারা আনাড়ির মতোই তার বন্ধু টুকুনদেরও তো চেনো। তাদের সেই দুই কারিগর নাট আর বল্টু, যারা কিনা নানান নতুন জিনিস বানানোয় ওস্তাদ, একবার ঠিক করল ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বানাবে।

তারা দুই ভাগে দুটো গোল গোল ধাতুর বাক্স বানাল। একটা ভাগে পাখার সঙ্গে একটা ইলেকট্রিক মোটর বসালো আর অন্যটায় লাগাল রবারের নল। দু-ভাগের মাঝে আটকে দিল একটুকরো কাপড়ের পুরু আস্তরণ, [আরো পড়ুন]

Read more

মাথা

(ঘনাদা-ভক্তদের কাছে করজোড়ে মার্জনা ভিক্ষান্তে)

“মূর্খ! সব মূর্খ! গ্যাস ধরাতে না শিখে, গেছো বিরিয়ানি রান্না করতে? কলে পড়া ইঁদুর মারতে শিখে, ভাবছ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মোকাবিলা করবে?  অ-আ-ক-খ না পড়ে গেছ চর্যাচর্য বিনিশ্চয় করতে? গরুর গাড়ি নিয়ে সুপারসনিক জেটের সঙ্গে রেস লাগাতে চাও?”

    হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন! এ সংলাপ ৭২ নম্বর বনমালী নস্কর লেনের দোতলার আড্ডাঘর ছাড়া আর [আরো পড়ুন]

Read more

রেড

নুই আর বুকে ভর দিয়ে হ্যাচের দিকে এগোয় রয়।

ঠাণ্ডা কংক্রিটের এই শ্যাফটের ভেতরের হাওয়া কত শতাব্দীর, তা কে জানে। কিন্তু ওসব ভাবার সময় ও’র কাছে ছিল না।

“সিস্টেম অনলাইন”, রিনরিনে গলাটা ও’র কানে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, “ওভারলোড হলে কিন্তু বিপদ আছে”।

বিপদ!

শব্দটা এর আগেও ও’র মাথায় এসেছে, তাই না?

গত জন্মে?

না, কয়েক ঘন্টা আগে?

কম্যান্ড সেন্টারে বসে, মিশনের ব্যাপারে শুনতে গিয়ে এই কথাটাই [আরো পড়ুন]

Read more

বিজয়ী সৈন্যদল

previous arrow
next arrow
ArrowArrow
Slider
Read more

কল্পবিশ্ব ইভেন্ট – ১০০ বছর পরের কলকাতা!

১০০ বছর পরের কলকাতা

রূপসা ব্যানার্জী

     “তার মানে তোরা শেষ পর্যন্ত যাচ্ছিস? অত বারণ করলাম, কিন্তু শুনলি না। এইটুকু মেয়ে সবাইগার্জেন ছাড়াই গোয়া বেড়াতে চললি [আরো পড়ুন]

Read more
error: Content is protected !!