প্রহরী

কিছুটা সময়ের জন্য খুদে যন্ত্রটা থমকে দাঁড়াল রাস্তার মাঝখানে। দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিয়ম মেনে এতকাল সে যে রাস্তায় অন্যান্য যন্ত্রদের মতো টহলদারি করে এসেছে ঠিক সেখানে। রোগ সংক্রমণের বিভিন্ন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ওরই মতো আরও খুদে খুদে যন্ত্র তৈরি করা হয়েছিল যাতে তারা সংক্রমণের হার নির্ণয় করতে পারে। তাদের যদিও সেই সমস্ত পরিস্থিতির [আরো পড়ুন]

Read more

গোলচক্করে ঘুরপাক

গ্রেগরি পাওয়েল মাঝে মধ্যেই মনে রাখার মতো এক-একটা মন্তব্য করে থাকে। তার একটা হল, “লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না।” তাই মাইক ডোনোভান যখন সিঁড়ি ভেঙে প্রায় লাফিয়ে লাফিয়ে নেমে এল, তখন ওর মাথার চারদিকে ছড়িয়ে পড়া ঘামে নেতিয়ে থাকা লালচে চুলগুলোর দিকে ভুরু কুঁচকে তাকিয়ে পাওয়েল জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে? আঙুলের নখ উপড়ে ফেললে না কি?”

     উত্তেজিত [আরো পড়ুন]

Read more

নক্ষত্রের আলো

ওদের কথাগুলো আর্থার ট্রেন্ট এক্কেবারে পরিষ্কার শুনতে পেল। উত্তেজনা ও রাগে ভরপুর কথাগুলো বুলেটের মত ছিটকে বেরিয়ে আসছিল রিসিভার থেকে। ‘‘ট্রেন্ট! তুমি পালাতে পারবে না। তোমার কক্ষপথ আমরা ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই খুঁজে পেয়ে যাব। আর তুমি যদি বাধা দিতে যাও, মহাশূন্যেই ধ্বংস করে দেব তোমায়।’’

     ট্রেন্ট হাসল। কিন্তু কিছুই বলল না। তার কাছে কোনও অস্ত্র-টস্ত্র [আরো পড়ুন]

Read more

আসিমভের গোয়েন্দাগিরি

“আমরা ড. আসিমভের সঙ্গে দেখা করতে চাই।”

     রোবট দুটির মধ্যে যার দেহটি একদম ধাতব এবং রুপোলি রঙের মধ্যে একটা নীলচে আভা খেলে যাচ্ছে সে-ই বলে উঠল রিসেপশন ডেস্কে এসে ।

     “কিন্তু উনি তো কনফারেন্সে আছেন,” রিসেপশন ডেস্ক থেকে সুসান বলল। “কী দরকার শুনি? অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া তো দেখা হবে না।” বলেই সুসান কম্পিউটারে ক্যালেন্ডার খুলে বসল।

     ওদিকে চকচকে বার্নিশ [আরো পড়ুন]

Read more

নিত্যতা সূত্র

এই ছোঁয়াচে অসুখে জর্জর, আতঙ্কগ্রস্ত শহরের আকাশেও শেষ বিকেলে রামধনুটা শুহার মন ভালো করে দিল। এমনকি এখনও। একান্ত সাময়িক যদিও। সাবান কাচার পর ডেটলে চুবিয়ে রোদে মেলা কাপড়গুলো তুলতে এসেছিল ছাদে। একতলার ঘুপচি থেকে, অন্ধকার ইট বেরোন এবড়োখেবড়ো সিঁড়ি পেরিয়ে ছাদের আকাশটাই একমাত্র সান্ত্বনা শুহার দুর্বিষহ শ্বশুরঘরে। কাপড়গুলো তুলে ওপরে চোখ তুলেই [আরো পড়ুন]

Read more

হেমেন্দ্রকুমার রায় ও বাংলা কল্পবিজ্ঞান

কল্পবিজ্ঞানের জন্মদাতা

বাংলা সাহিত্যে এই ‘জঁর’-এর পথিকৃৎ কে?

     অধ্যাপক অনীশ দেব, তাঁর সম্পাদিত সেরা কল্পবিজ্ঞান সঙ্কলনের মুখবন্ধে বলেছেন:

     … বাংলাভাষায় কল্পবিজ্ঞানের সূচনা ১৮৯৬ সালে, আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর কলমে। কুন্তলীন পুরস্কার প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে তাঁর ‘নিরুদ্দেশের কাহিনী’ গল্পটি। এর পঁচিশ বছর পরে ‘অব্যক্ত’ গ্রন্থ [আরো পড়ুন]

Read more

উড়ান প্রবাহ

(১)

বিজ্ঞানী বিশ্ববসু (আই এন ডি ৪০৮৫ –বায়ো সায়েন্স /বি.বি ২০৮৫)

সাল: ৪১২৫

স্থান: দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া

[আরো পড়ুন]

রিমোট কন্ট্রোলের সবুজ বোতামটা টিপতেই চোখের সামনে থেকে গোলাপি আলোর পর্দাটা সরে গেল। বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়াই হাজারতম রে ওয়ের ধারে তিনলক্ষতম বাসস্থানটি বিজ্ঞানী বিশ্ববসুর। বাসস্থান মানে হাওয়ায় ভাসমান কিছু আলোককুঠুরি। বাইরে থেকে দেখলে [আরো পড়ুন]

Read more

বঙ্গদেশের যন্ত্রমানব

রোবট, যন্ত্র মানুষ বা কলের গোলাম— যে নামেই তাকে ডাকো না কেন, টিভি আর সিনেমার পর্দায় উপস্থিতির জন্যে তারা আজ কারো কাছেই অপরিচিত নয়। আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যা যদিও রোবট তৈরির ব্যাপারে লেখকের কল্পনা এবং কলমকে টেক্কা দিতে পারেনি এখনও, তবু স্বনিয়ন্ত্রিত কলকারখানায় আর গবেষণাগারে তাদের ব্যবহার দেখে মনে হয়, সেই দিন আর আসতে তেমন দেরি নেই। আধুনিক রোবটের [আরো পড়ুন]

Read more
error: Content is protected !!