যন্ত্রণানিরোধক যন্ত্র

হ্যালো, হ্যালো!

     হ্যাঁ, কে বলছ।

     এই, এই, আমি নন্দিতা বলছি। চাপা গলায় বলল নন্দিতা। মানে স্বাভাবিক গলায় বলবে ভাবল কিন্তু বলাটা হয়ে গেল কেমন ত্রস্ত, ভয়ভীত। চাপা।

     নন্দিতার ভয়, বড় ভয়।

     হ্যাঁ নন্দিতা, বল বল। হাতের আঙুলে লেগে থাকা জ্যামটুকু চেটে নিল সুনেত্রা। এখুনি দুটো বিস্কুটের মাঝখানে জ্যাম লাগিয়ে খাচ্ছিল। বিন্দাস সুনেত্রা খাওয়া দাওয়ায় দিল দরিয়া।

  [আরো পড়ুন]

Read more

মেরিলিন

“তুমি হলে গিয়ে একখানা যন্ত্র।” রেইন অরবিসন বলল, বর্মে ঢাকা মুঠোখানা ওর সামনের ল্যাব বেঞ্চের ওপর ঘুঁষিয়ে। “কাজেই আমি যা বলব তাই তোমাকে করতে হবে।”

     ও কিন্তু তখনও নিজের মুখ ঢেকে রাখা হাতদুটি সরায়নি।

     “থামাও এসব!!!”

     “আমি দুঃখিত”, ফুঁপিয়ে উঠে বলল মেরিলিন। চুমকি শলমা দেওয়া পোশাকের নীচে তার নিখুঁত কাঁধদুটি কেঁপে কেঁপে উঠল। “মিস্টার অর্বিসন, আমি সত্যি [আরো পড়ুন]

Read more

জানালা

জানালা

লেখক – যশোধরা রায়চৌধুরী

অলংকরণ – সুমিত রায় 

নীরজার ঘুম ভাঙল একদম নতুন একটা জায়গায়। আগে পিছে আশেপাশে কোথাও কিচ্ছুটি নেই। আধখোলা চোখে মিটিমিটি চেয়েও একটা কোনও জিনিস চোখে পড়েনি। তাছাড়া নীরজা তো নীরজার জিনিসদের জানে, চেনে। ও তো জানে ওর সব জিনিস এলোমেলো থাকে। লাট খেয়ে খাটের একপাশে থাকে বিছানার চাদরটা। শুতে যাবার আগে কোনওওমতে সরিয়ে [আরো পড়ুন]

Read more

টিট্টিভ

কর্মে তীব্র অনীহাই শশিশেখরের কাল হইল।

     সেই হেতু তিনি তাঁহার রোবট, শ্রীমান তড়িৎ তর্পণ তান্ত্রিকের হাতে কর্মভার সমর্পণ করিয়া, আত্মানন্দে বশীভূত হইয়া স্থির রহিলেন। তড়িৎ তর্পণ তান্ত্রিক বা টিটিটি, অর্থাৎ আমি নাটবল্টু ও প্লাস্টিক লোহার সমাহারমাত্র নহি। আমি পুরাদস্তুর প্রোগ্রামায়িত। আমার ভিতরে যুগ যুগ ধরিয়া শশিশেখরের বিদ্যা বুদ্ধি সব সমাহৃত।

     আর শশিশেখর আপাতত [আরো পড়ুন]

Read more

দিলীপ রায়চৌধুরী : কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের ক্ষণিকের অতিথি

In it’s endeavor, science is socialism.

J D Bernal, The Social Function Of Science

মাত্র সাইত্রিঁশ বছর বয়সে একটি কল্পবিজ্ঞান উপন্যাস, বেশ কয়েকটি সুলিখিত কল্পবিজ্ঞান গল্প, প্রেমেন্দ্র মিত্র সত্যজিত রায় অদ্রীশ বর্ধনের সঙ্গে যৌথভাবে লিখিত একটি কল্পবিজ্ঞান বারোয়ারি গল্পে উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ, গুণী স্ত্রী ও দুটি প্রায় দুধের শিশু ফেলে রেখে দিলীপ রায়চৌধুরী এই দুনিয়া থেকে সরে পড়েন।

     এই ব্যক্তির জীবনী [আরো পড়ুন]

Read more

কাঁঠালতলা

০৬৫ সালে, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধর তৃতীয় দিন ওদের পাঠিয়ে দেওয়া হল অতীতে ১৮৬৫ তে

    ওরা চার ছেলেমেয়ে মিস্টার ও, মিসেস ও, দুজনেই ঘন্টাখানেকব্যাপী হাইড্রোজেন বিস্ফোরণে অক্কা পেয়েছেন প্রাচীন যুগের ভাষায় বললে, ওঁদের ভবলীলা সাঙ্গ হয়েছিল

    চার বাচ্চা, [আরো পড়ুন]

Read more
error: Content is protected !!